
সং স্টোরি শর্ট : পর্ব ৩০
বেঁচে থাকার গান এতবছর বাদেও সমানভাবে জনপ্রিয়! কিন্তু এই গানের গল্প অনেকেই জানেন না আজও…

বেঁচে থাকার গান এতবছর বাদেও সমানভাবে জনপ্রিয়! কিন্তু এই গানের গল্প অনেকেই জানেন না আজও…

‘যার পারকিনসনস আছে, যে সেরিব্রাল পালসি, যে অটিস্টিক, তার বুঝি যোগ্যতা নেই স্টেজে ওঠার? একান্ত যাপনের দর্শন দিয়ে তাকে আরও কোণঠাসা করার খেলা খেলছি না কি আমরা? পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার বাঁশির দমবন্ধ স্বর তাঁর সম্পর্কে যত-না, আমাদের সম্ভ্রমহীন অহেতুক বাচালতা সম্পর্কে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়ে গেল আরও বেশি।’

‘বম্বেতে গিয়ে সংগীতকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও, সলিল তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তাঁর বিভিন্ন গানে ফিরে-ফিরে এসেছে সেই শ্রেণিহীন সমাজের স্বপ্ন, সাধারণ মানুষের প্রতি বিশ্বস্ততা।’
সলিল চৌধুরী-র জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

নচিকেতা চক্রবর্তীর গাওয়া ‘স্মৃতির ফাটলে’ জনপ্রিয় হয়েছে! কিন্তু গানটার মধ্যে গোলমাল রয়ে গেছে…

‘প্রকৃত বাঙালি ছিলেন উস্তাদ বিলায়েৎ খাঁ। তিনি সুরের মায়ায় উচ্চাঙ্গ সংগীতকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বিশ্ব-দরবারে।’
বিলায়েৎ খাঁ-র জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘অন্ধকারের গান বাঁধলেও মানুষ হিসেবে কিন্ত ভারী মিষ্টি ছিলেন অজি। পুরোটাই উনি করেছেন সুন্দর রসবোধের মাধ্যমে, মজার সঙ্গে। এটাই ভীষণ অনুপ্রেরণা দেয় আমাকে। ‘Changes’, ‘Dreamer’, ‘Mama I’m coming home’-এর মতো গান ওঁর ভীষণ সংবেদনশীল একটা দিককে সামনে আনে।’

‘গান নিয়ে শৈলজারঞ্জনের এত খুঁতখুঁতানি ছিল যে, সেই সত্তর দশকেই লিখেছিলেন, জোয়ারের পর যেমন জল নেমে যায়— বাঙালি জাতির জীবনে প্রাবল্যের শেষে এসেছে তেমনই দৈন্য— আর এই মর্মান্তিক আবহে রবীন্দ্রনাথের গান, জাতির অন্যতম কলাসম্পদ, টিকবে তো আদৌ?’

হারিয়ে যাচ্ছে মূল সংগীত, থেকে যাচ্ছে ভাইরাল অংশটুকু। সংগীত এবং তার উৎস এককালে ছিল গানের জগতের মূল বিষয়। কিন্তু বর্তমান সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হারিয়ে

ম্যাজিক বিষয়ে তাঁকে কিছুটা স্বশিক্ষিতই বলা চলে। দশম শ্রেণিতে পড়াকালীন প্রকাশিত হয় জাদুবিষয়ক প্রথম রচনা। বছরচারেক যেতে-না-যেতে, লন্ডন থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত ‘দ্য ম্যাজিসিয়ান মান্থলি’ পত্রিকায় লিখলেন জাদু নিয়ে মৌলিক প্রবন্ধ।

‘গওহর জান এক বহুকৌণিক চরিত্র— নানা বৈপরীত্যের সহবাস। খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেও নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে তিনি ‘তদ্বিদ্ধি প্রণিপাতেন’ নীতিতে বিশ্বাসী, আত্মমর্যাদা আর স্বীকৃতি আদায়ের ব্যাপারে ‘তর্কেষুকর্কশধিয়ঃ’, আর জীবনযাপনে স্বৈরিণী।’

ঋতু চক্রের নিয়মে— প্রকৃতি তার রূপ বদলায়, বছর ঘুরে, ধরা দেয় আবারও। রবীন্দ্রনাথের প্রিয় ঋতু বর্ষার আঙিনায়, সে-উৎসব শান্তিনিকেতনের মাটিতে ধরা রয়েছে, বর্ষামঙ্গলের আয়োজনে।

‘‘ওই ন’টা কুড়ি থেকে, সাড়ে ন’টা-ন’টা চল্লিশ অবধি আড্ডাটা চলত। বিচিত্র সেই আড্ডার বিষয়! এ-ওর পিছনে লাগা, গান-নাচ নিয়ে নানা কথা, এমন কত কী! অশেষদা, অশেষ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সেই আড্ডার কর্ণধার ওরফে মধ্যমণি। মোহরদি, মঞ্জুদি, বাচ্চুদি, মাধবদা— এমন অনেকে ছিলেন এই আড্ডার অঙ্গ! তবে সংগীত ভবনের আড্ডার, প্রাণ ছিল ‘গান’।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.