Journalism সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪৩

‘ফ্ল‍্যাটের ঘরটিতে ঢুকেই চমকে উঠলাম। কঙ্কালসার প্রাক্তন মুখ‍্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেন একটি খাটে শুয়ে আছেন। অপরিষ্কার বিছানা, ময়লা চাদর। প্রফুল্ল সেনের পরনে ময়লা একটি ফতুয়া, ময়লা ধুতি লুঙ্গির মতো করে পরা। সারা ঘরে মুড়ি ছড়িয়ে আছে।’

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৫

এই বরিশাল শহরেই রয়েছে জীবনানন্দ দাশ সড়ক, যার আগে নাম ছিল বগুড়া রোড। তার ধারেই সর্বানন্দ ভবনে ১৯৪৬ সালে কলকাতা চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত থাকত জীবনানন্দের পরিবার। ঠাকুরদার নামে ছিল বাড়ির নাম। পরে মালিকানা বদল হলেও সেই বাড়ি পেল একেবারে জীবনানন্দীয় নাম ধানসিড়ি।

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪১

‘‘‘যুগান্তর’-এ শিক্ষানবিশ সাব এডিটরের কাজ করার ফাঁকে-ফাঁকে আমি ‘ছোটদের পাততাড়ি’তে ছড়া লিখতাম। গৌরাঙ্গ ভৌমিক সম্পাদনা করতেন ‘ছোটদের পাততাড়ি’। প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার বের হত। গৌরাঙ্গদা চাইলেই আমি ছড়া দিয়ে দিতাম। অমিতদা চাইলে ‘রোজনামতা’য় ছড়া দিতাম।’’

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫২

‘কে না জানে ব্যাঙ্কক কখনও ঘুমোয় না! হোটেল থেকে হাঁটাপথে দুটো গলি পরেই প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদনের এলাকা। সেখানে আসলে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৪০

একরাতে এপি-র খবর এল, পিকিংয়ে( বেজিং) তিয়েন আন মেন স্কোয়ারে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের জমায়েতে চিনা পুলিশ গুলি চালিয়ে দিয়েছে। বহু হতাহত। স্টপ প্রেসের বদলে রানিং চেঞ্জের বার্তা পাঠালেন নন্দদা ছাপাখানায়।

Representative image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৯

‘সেই কবে ১৯৭৪ সালে তমলুকে শ্যামলকান্তিদের কবিসম্মেলনে, তুষারকান্তি ঘোষকে সে-কথা বলেছিলাম, আর এটা ১৯৮৩ সাল! হতবাক হয়ে গেলাম আমি। এমন মানুষই তো পারেন, চার্চিলের ঠোঁট থেকে চুরুট টেনে নিতে!’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩৮

“তখন দুপুর দেড়টা, চান করিনি, খাইনি। সত‍্যদা বললেন, ছাড়ো তো..। বাগবাজারে ‘যুগান্তর’ অফিসে যেতে হবে, অমিতাভ চৌধুরী তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন। সুনীলদা বললেন, আমি তোমার বাড়িতে বলে দেব।”

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৭

‘বাইরের জগৎ তখন বদলাতে শুরু করে দিয়েছিল, জনসমাজের লাল টুকটুকে স্বপ্নটি যেন মিলিয়ে যেতে শুরু করে দিয়েছিল; পরিস্থিতির কাছে মানুষ যেন ধীরে-ধীরে আত্মসমর্পণকে মেনে নিচ্ছিল— মনে হয়েছিল আমার।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩৬

‘চিঠি এসেছিল একটা। চন্দননগর থেকে ওই পত্রলেখক কী করে যেন জেনেছিলেন আমি কাছেই শ্রীরামপুরে থাকি। গিয়েছিলাম। বৃদ্ধ পত্রলেখক, তাঁর স্ত্রী জানিয়েছিলেন, মাধো সিংয়ের গুরুদেব সন্ন‍্যাসীর সঙ্গে তাঁদের নিখোঁজ পর্বতারোহী ছেলের মুখের বড় মিল।’

Representative image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৩

‘আমি টুকটাক কথা চালাতে লাগলাম। কী নাম, কোথায় বাড়ি। দেখলাম, নাম পরিচয় দিতে কারও-কারও অস্বস্তি রয়েছে। কথা না বাড়িয়ে কলকাতা সম্পর্কে ওদের কৌতূহলের জবাব দিতে লাগলাম। তখনই জানলাম, মালখান সিংকে ওরা দদ্দা বলে ডাকেন। দদ্দা মানে বড়ভাই।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩২

১৯৮০-র ডিসেম্বরে আমরা যখন চম্বলে পৌঁছেছিলাম, তখন ঠাকুরদের গ্রামে গণধর্ষিতা ফুলন প্রতিহিংসার আগুনে দপদপ জ্বলছেন, বদলা নেওয়ার ছক কষছেন। আর অগুনতি খুনখারাপি সেরে মালখান সিংয়ের ক্রোধ নির্বাপিত হয়েছে, সারেন্ডারের উপায় খুঁজছেন।

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন : পর্ব ৪৪

এমন মারাত্মক একটা গাম্ভীর্য আছে ওয়াশিংটন ডিসির, একলহমায় বুঝিয়ে দেয়, হুঁ হুঁ বাওয়া, যেখানে সেখানে নয়, তুমি পা রেখেছ দুনিয়া শাসনের এপিসেন্টারে। ওদিকে হোয়াইট হাউস, তো এদিকে ক্যাপিটল, সেদিকে ন্যাশনাল মিউজিয়াম তো অন্যদিকে লিংকন মেমোরিয়াল। ভেতরে ঢোকার আগেই থমকে দাঁড়াতে হয়, সবই এত বিশাল।