Cinema সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Nana Patekar
মকরন্দ দেশপাণ্ডে

নির্দেশক নানা

‘একটা কথা এখন মনে পড়লে একটু অদ্ভুতই লাগে। শুটিংয়ের পর নানা মধ্যাহ্নভোজের নেমন্তন্ন করেছিল আমাকে, আমার মনে আছে, সরাসরি বলে দিয়েছিলাম, ‘তুমি আমাকে সময় দাওনি, আমিও তোমাকে সময় দেব না!’ কিন্তু এখন বুঝি, নানা নির্দেশক হিসেবে ছিল অসম্ভব শান্ত।’

Nana Patekar
অর্জুন চক্রবর্তী

স্বতন্ত্র হতে চাইত

পরবর্তীকালে আমার মনে হতে থাকে, ও বলিউডকে খুব একটা পছন্দ করত না। ফোন করে সেসব কথা বলতও। পারিপার্শ্বিক নানান ভণ্ডামি, ওকে দুঃখ দিত। যে-কারণে ও মুম্বই ছেড়ে পুনে চলে যায়।

গৌতম ঘোষ

‘নানা’ স্মৃতিতে

নানা যখন এক কোটি টাকা নিত অভিনয় করে ছবিতে, সেইসময় আমার ছবির জন্য একটা সামান্য টোকেন অ্যামাউন্ট ও নিয়েছিল। চরিত্রের খিদে, কাজ করার খিদে ওর এতটাই বেশি ছিল।

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ফিল্ম সোসাইটির উপকথা

সিনেমা যে শুধু বিনোদনভাষা নয়— একথা রীতিমতো তর্ক করে বোঝানোর জন্য সত্যজিৎ ও তাঁর বিখ্যাত বন্ধুদল প্রতিষ্ঠা করলেন কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি-র, যেখানে চলচ্চিত্রের শিল্পসৌন্দর্য নিত্যচর্চার প্রকাশ হয়ে দাঁড়াল।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল: পর্ব ৫৩

প্রার্থনা কবুল হল, বাড়িতে কানেকশন নেওয়া হবে। আমি আড়ালে একবার আনন্দ করে নিলাম দু’পাক। জানি না, রোজ-রোজ সিনেমা আমাকে দেখতে দেওয়া হবে কি না, বা ক্লাস সেভেনে সব সিনেমা তো দেখার কথাও নয়।

গৌতম ঘোষ

আমার না-হওয়া নায়ক

স্তম্ভিত, স্তব্ধ হয়ে গেলাম খবরটা শুনে। যাঁকে নিয়ে এমন একটা চরিত্র ভাবলাম, এমন একটা ছবির সম্ভাবনা যাঁকে ঘিরে তৈরি হল, সেই উত্তমকুমারই চলে গেলেন। আমার প্রথম বাংলা ছবির নায়ক হতেন যিনি, সেই উত্তমকুমার!

তন্ময় ভট্টাচার্য

নেতাজির প্রত্যাবর্তন

১৯৪৮-এ, ২৩ জানুয়ারি দিনটিকে প্রায় জাতীয় উৎসবের পর্যায়ে নিয়ে গেল বাঙালি। আজকের গতানুগতিক দিনপালনের যুগে কল্পনা করাও মুশকিল, কী আবেগ জড়িয়ে ছিল সেকালে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বিশেষ নিবন্ধ।

অরিন্দম মুখোপাধ্যায়

দক্ষিণ খোলা জানলা

‘নায়ক-নায়িকাদের ক্যারিশমা, পরিচালকদের দক্ষতা, এসব পেরিয়ে যা দক্ষিণের সিনেমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে— তা হল তাদের দর্শকদের সিনেমার প্রতি প্রেম। যে-কারণে রজনীকান্ত তিয়াত্তরে এসেও স্বমহিমায় ফিরে আসার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে দেন।’

উদয়ন ঘোষচৌধুরি

সাক্ষাৎকার: হানি ত্রেহান

সম্প্রতি ‘সতলুজ’ -এর মুক্তি ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছিল। এই ছবির পরিচালক হানি ত্রেহান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে। বিশাল ভরদ্বাজ থেকে ইরফান খান— বিভিন্ন যোগসূত্র তাঁকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর নির্দেশনা থেকে তাঁর প্রযোজনা, বিবিধ বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে উদয়ন ঘোষচৌধুরি, ডাকবাংলা.কম-এর জন্য এক্সক্লুসিভ…

পৃথু হালদার

মহাকাব্যের খামতি

তবে সিনেপ্রেমী হিসেবে আমাদের বেশি ‘চিন্তা হওয়া উচিত অন্য এক বিষয় নিয়ে। যখন এমন এক মহাকাব্যিক মাত্রার টেক্সটকে পর্দায় রূপান্তরিত করা হল, তার চরিত্রগুলো কি আদৌ যথেষ্ট পূর্ণাঙ্গ চরিত্র হয়ে ওঠার সুযোগ পেল?’

সোহিনী দাশগুপ্ত

সাংস্কৃতিক বোমা

অ্যান্ডি ওয়ারহল আমাদের ভাবতে বাধ্য করে— আমরা কি আদৌ জানি, আমাদের মন কীসে সত্যি আকর্ষিত হয়, আর যদি সে আকর্ষণ আদর্শের পরাকাষ্ঠার বাইরে হয়, তবে কি  তাকে এক ঢোক গিলে ফেলতে হয় না কি তার সামনে গিয়ে মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়।

Keigo Higashino Obituary
দেবত্রী ঘোষ

রহস্যের অন্য ধারা

‘‘পাঠক থ্রিলার বলতে যেখানে গতানুগতিক ‘হু ডান ইট’ বোঝে, সেই ভাবনার বাইরে গিয়ে ‘হোয়াই ডান ইট’-এর মাধ্যমে রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাসের এক নতুন দিক পেশ করেছিলেন তাদের দরবারে— আর সেইখানেই লেখা হয়ে গিয়েছিল কিইগো হিগাশিনোর সাফল্যের গল্পটুকু।’’