
বর্ণপরিচয়: ২
‘অ্যাঞ্জেলিনা সেই সমস্ত হিংসা-হেনস্থাকে ভয় তো করেনইনি, বরং নিশ্চুপ থেকে কেরিয়ার সুরক্ষিত করার পথেও হাঁটেননি। তিনি নিজে যা, সেটাই সবার কাছে প্রকাশ করেছিলেন। এই সাহস অ্যাঞ্জেলিনা পেয়েছিলেন কোথা থেকে?’

‘অ্যাঞ্জেলিনা সেই সমস্ত হিংসা-হেনস্থাকে ভয় তো করেনইনি, বরং নিশ্চুপ থেকে কেরিয়ার সুরক্ষিত করার পথেও হাঁটেননি। তিনি নিজে যা, সেটাই সবার কাছে প্রকাশ করেছিলেন। এই সাহস অ্যাঞ্জেলিনা পেয়েছিলেন কোথা থেকে?’

‘দেশভাগের ইতিহাসকে আমরা প্রায়শই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে স্মরণ করি। কত লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হলেন, কত হাজার মানুষ প্রাণ হারালেন, কতগুলো সীমারেখা নতুন করে আঁকা হল। কিন্তু, সংখ্যা কখনও সেই ক্ষতির প্রকৃত গভীরতাকে ধারণ করতে পারে না।’

কিছুদিন আগেই পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ কান চত্বরেই ফিল্ম সমালোচক সুচরিতা ত্যাগীর সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই একটি মন্তব্য করেছেন, যা অপ্রিয় হলেও অস্বীকার করার উপায় নেই। যে কোনও চলচ্চিত্র উৎসবের মতোই কানেরও মূল উদ্দেশ্য বা সম্মানের জায়গা রেড কার্পেটের বাইরে, বড়পর্দায়।

‘মাল্টিপ্লেক্স এল, সিঙ্গেল থিয়েটার আস্তে-আস্তে কমতে আরম্ভ করল। মাল্টিপ্লেক্স-সংস্কৃতি আমেরিকা-তেই প্রথম শুরু হয়েছিল, কারণ ওরা দেখল লোকজন সিনেমাহল-বিমুখ হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। রেস্টুরেন্ট-জামাকাপড়— এসবের মধ্যে সিনেমাহল নিয়ে এলে নাকি, লোকের দেখার সম্ভবনা বেড়ে যায়।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে মৃণাল সেন, রমানাথ রায় ও তরুণ সান্যাল…

‘‘আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট রেখে এগিয়েছে। ভক্তকুল যতই অস্বীকার করুক, যতই এই যুক্তি বারবার দেওয়া হোক যে, ‘সিনেমাকে তার নিক্তিতেই বিচার করতে হবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মাপকাঠিতে নয়’. ‘ধুরন্ধর’ উগ্র জাতীয়তাবাদের কথাই কেবল বলে না, বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর সরাসরি সমর্থনের ভাষ্য তুলে ধরে।’’

“কালীঘাট বাজারের সামনের রাস্তার ওপর হত গড়মিল সংঘের পুজো। আমাদের নিজেদের মধ্যে তেমন গড়মিল ছিল না। সংঘের নাম হয়েছিল ‘গড়মিল’ সিনেমা থেকে। পরে সেই পুজো ফরওয়ার্ড ক্লাবের দিকে চলে গিয়েছিল। তখন সেখানে ছিল কালীঘাট ফাঁড়ি। এখন সেটাই থানা। বেশ বড় কালীপুজো।”

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

‘‘‘সবর বন্দা’ ছবিটি আলাদা তার শৈল্পিক গুণে। আনন্দ প্যাকেট খুলে ক্যাকটাস ফল দেখতে পায় আর হেসে । যত্ন করে কাঁটা ছাড়ানো লাল ফল। আনন্দের সকালে উঠতে দেরি হয় জেনে, তার বাল্যবন্ধু বালিয়া (সূরয সুমন) ‘সারপ্রাইজ’ বলে জিনিসটি রেখে গেছে। এই ক্যাকটাস ফল— মারাঠি ভাষায় যাকে সবর বন্দা বলে— তা আনন্দের শৈশব ও তারুণ্যের অভিজ্ঞান।’’

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

‘একটা ছবিকে এইভাবে প্রায় অনায়াস সহজতায় প্লটের ওপরে তুলে ছেড়ে দেওয়া যায়, যেখানে একটা খণ্ডচিত্র কোনও এক অলীক নিয়মে গোটা ছবির বিষয়বস্তুর ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠে। সম্ভবত এইরকম কিছুরই সন্ধান করছেন ত্রুফো, যাকে তিনি সিনেমার মূল অভিজ্ঞতা বলছেন। এই অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ সময়বোধের ওপর নির্ভর।’

“আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের কাছে অলকনন্দা মানেই ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ হলেও বাস্তবে তো তা নয়। তিনি আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশনে। আর ‘বর্ষা আসে, বসন্ত’র প্রথম চৌষট্টি পাতা জুড়ে তাঁর পরিবারের যে চালচিত্র তিনি এঁকেছেন তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.