Cinema সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা: পর্ব ২৪

‘‘আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট রেখে এগিয়েছে। ভক্তকুল যতই অস্বীকার করুক, যতই এই যুক্তি বারবার দেওয়া হোক যে, ‘সিনেমাকে তার নিক্তিতেই বিচার করতে হবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মাপকাঠিতে নয়’. ‘ধুরন্ধর’ উগ্র জাতীয়তাবাদের কথাই কেবল বলে না, বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর সরাসরি সমর্থনের ভাষ্য তুলে ধরে।’’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১৪

“কালীঘাট বাজারের সামনের রাস্তার ওপর হত গড়মিল সংঘের পুজো। আমাদের নিজেদের মধ্যে তেমন গড়মিল ছিল না। সংঘের নাম হয়েছিল ‘গড়মিল’ সিনেমা থেকে। পরে সেই পুজো ফরওয়ার্ড ক্লাবের দিকে চলে গিয়েছিল। তখন সেখানে ছিল কালীঘাট ফাঁড়ি। এখন সেটাই থানা। বেশ বড় কালীপুজো।”

অভিষেক রায় বর্মণ

শ্রম, সিনেমা, সংহতি

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

Representative image
ভাস্কর মজুমদার

আরেকটি প্রেমের ‘সিনেমা’

‘‘‘সবর বন্দা’ ছবিটি আলাদা তার শৈল্পিক গুণে। আনন্দ প্যাকেট খুলে ক্যাকটাস ফল দেখতে পায় আর হেসে । যত্ন করে কাঁটা ছাড়ানো লাল ফল। আনন্দের সকালে উঠতে দেরি হয় জেনে, তার বাল্যবন্ধু বালিয়া (সূরয সুমন) ‘সারপ্রাইজ’ বলে জিনিসটি রেখে গেছে। এই ক্যাকটাস ফল— মারাঠি ভাষায় যাকে সবর বন্দা বলে— তা আনন্দের শৈশব ও তারুণ্যের অভিজ্ঞান।’’

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২৩

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ  করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী

ছবিঘর : পর্ব ৩

‘একটা ছবিকে এইভাবে প্রায় অনায়াস সহজতায় প্লটের ওপরে তুলে ছেড়ে দেওয়া যায়, যেখানে একটা খণ্ডচিত্র কোনও এক অলীক নিয়মে গোটা ছবির বিষয়বস্তুর ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠে। সম্ভবত এইরকম কিছুরই সন্ধান করছেন ত্রুফো, যাকে তিনি সিনেমার মূল অভিজ্ঞতা বলছেন। এই অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ সময়বোধের ওপর নির্ভর।’

শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়

‘হৃদি ভেসে যায়’

“আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের কাছে অলকনন্দা মানেই ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ হলেও বাস্তবে তো তা নয়। তিনি আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশনে। আর ‘বর্ষা আসে, বসন্ত’র প্রথম চৌষট্টি পাতা জুড়ে তাঁর পরিবারের যে চালচিত্র তিনি এঁকেছেন তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”

Representative Image
প্রিয়ক মিত্র

মাঝরাস্তার পথিক

‘বেকারত্ব, সংকটে ভরা সেই দশকের ইতিহাসে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আখ্যান অবলম্বনে, তপন সিংহর এই চলচ্চিত্র, এই যুবককুলের প্রতি সমব্যথী হয়েছিল, যার সম্পূর্ণ বিপরীতাভাস তাঁরই ছবিতে উঠে আসবে আর ঠিক এক দশক পরে।’

Representative Image
শুভ রায়চৌধুরী

‘সময়’-এর ভাস্কর

‘তবে চলচ্চিত্র-নির্মাতার কাছেও দেখার দু’টি পথ খোলা থাকে। একটি আপেক্ষিক, যা দৃশ্যকে শুধু গল্পের প্রয়োজনে ব্যবহার করে; অন্যটি পরম, যা দৃশ্যকে তার নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকু দেয়। বেলা টারের চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ঘটে।’

ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী

ছবিঘর : পর্ব ২

“‘দ্য বিগ লেবোউস্কি’ একটা ‘pastiche’. ‘Pastiche’ মানে যা পূর্বে ব্যবহৃত নানা শিল্পকর্ম বা ঘটনাকে উদ্ধৃত এবং তার ব্যবহার করে। ছবিতে এই ধরনের উদ্ধৃতি প্রচুর। বাসবি বার্কলের কোরিওগ্রাফি, রবার্ট অল্টম্যানের ‘দ্য লং গুডবাই’, পোলানস্কির ‘চায়না টাউন’, বব ডিলান ও ইগলস-এর গান, ছয়ের দশকের ফ্লাওয়ার পাওয়ার, ভিয়েতনামের যুদ্ধ— এমন কত কী!”

Devaki Kumar Bose
সৌরপ্রভ চট্টোপাধ্যায়

সবাক চিত্রকর

“নির্বাক থেকে ক্রমশ সবাক হয়ে উঠছে চলচ্চিত্র। নতুন শিক্ষাকে সাদরে গ্রহণ করলেন দেবকী। বুঝলেন, নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগ শেষ। সিনেমা তৈরি করতে হলে শুধু আলো-ছবি নয়, তাকে সাজিয়ে দিতে শব্দ, সুর আর ছন্দের লাবণ্যে।”

Representative Image
অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য

বাসু-সলিল কথা

“সলিল চৌধুরী তখন বাসু চ্যাটার্জিকে বলেছিলেন, ‘ছবিটা আমাকে দিন, আমি ১০,০০০ টাকায় করে দেব।’ এরপরেই চুক্তি পাকাপোক্ত হয়ে যায়। সলিল আগ্রায় গিয়ে লোকেশন দেখেন এবং ব্রজভাষার কয়েকটি লোকগান রেকর্ড করে আনেন, যা পরে ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে ব্যবহৃত হয়।”