
লন্ডনে বাঙালির ‘চৌরঙ্গি’
পরের কয়েক ঘন্টা স্রেফ খাবারের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা। পালং শাকের ভাজাটি সবারই প্রিয় হয়ে উঠল। বাঙালিদের কোনও খাবার ভাল লাগলেই তারা শিগগিরি যে যার নিজের রান্নাঘরে তার রহস্যভেদ করে ফেলে। লন্ডনের ‘চৌরঙ্গি’ রেস্তোরাঁর সমালোচনা।

পরের কয়েক ঘন্টা স্রেফ খাবারের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা। পালং শাকের ভাজাটি সবারই প্রিয় হয়ে উঠল। বাঙালিদের কোনও খাবার ভাল লাগলেই তারা শিগগিরি যে যার নিজের রান্নাঘরে তার রহস্যভেদ করে ফেলে। লন্ডনের ‘চৌরঙ্গি’ রেস্তোরাঁর সমালোচনা।

‘…‘স্কুইড গেম’-এর প্রথম পর্বের কুড়ি মিনিটের মধ্যেই বাচ্চাদের খেলার সঙ্গে ভয়াবহ, নৃশংস মৃত্যুর যোগাযোগ দর্শকদের মনে বিঁধে যায়; একটা ঠাসবুনোট মরণবাঁচনের গল্পের ভিত্তি তৈরি করে দেয় উত্তাপহীন, অনুশোচনাহীন সন্ত্রাস।’ ‘স্কুইড গেম’-এর অসাধারণ আবেদন।

২০০ হাল্লা হো, কোনও রাজনৈতিক থ্রিলার নয়। এই সিনেমা সাময়িক সমাধান দেখালেও হাজার হাজার প্রশ্ন তুলে দিয়ে যায়। কেবল আইনি প্রশ্ন নয়, সাংবিধানিক এবং সামাজিক প্রশ্ন। ভারতের বাস্তবতাকে তুলে ধরাই এই ছবির কাজ। দলিত কেবল রাজনীতিযোগ্য, অধিকার-যোগ্য নয়।

‘…অধিকাংশ দর্শক তো জানেনই কাম্বারব্যাচ কত বড় অভিনেতা, কিন্তু এই ছবির আবিষ্কার হলেন জর্জিয়ান অভিনেতা মেরাব নিনিদজে, যিনি তাঁর পেনকভস্কির চরিত্রের বহিরঙ্গের নির্বিকার ভাবের আড়ালে একটা অদ্ভুত মানুষিকতার উষ্ণতা চারিয়ে দেন।’ ঠান্ডা লড়াইয়ের পুরনো আমেজ।

‘এই বইয়ের আত্মায় যা প্রোথিত আছে তা হল, নিজ কর্তব্যে একনিষ্ঠ থাকার সাধনা। এবং কোনও পরিস্থিতিতেই নীতি থেকে এক চুল না সরে আসার জেদ। এবং তাঁর এই কাজে ও জীবনে সহযোগী হিসেবে পেয়েছেন যাঁকে, তিনিও একই রকম কর্তব্যনিষ্ঠ এবং নীতিবাগীশ।’ পাঠ-প্রতিক্রিয়া।

গল্পে মরসুম পাল্টায়, তার পাশাপাশি পাল্টায় বক্তার মেজাজ।’বসন্তে আমি কষ্ট পাই। এ মরসুম আমাকে উজ্জীবিত করে না, আমার এটাকে ক্ষয়ের মরসুম মনে হয়।’ ইতালীয় ভাষায় লেখা বাঙালির মেয়ের বই।

‘অসাধারণ এই ছবিতে খাবারকে অত্যাচারের রূপক হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ময়লা টেবিল, পাইপের নোংরা জল, ভাবলেশহীন যৌনমিলন, অবস্থাপন্ন ভারতীয় পরিবারগুলিতে এই হল বিবাহিত দম্পতিদের হাল। এই চিত্র কিছুটা নির্মম ভাবেই দেখিয়েছেন পরিচালক জিও বেবি।’ সিনেমার আলোচনা।
‘আধুনিক ভারতের অন্যতম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ধারার যে মূলত পুরুষকেন্দ্রিক ইতিহাস, তার একটি সমান্তরাল ইতিহাসস্থাপন আমরা …এই বইতে পাই।’ ডক্টর অপর্ণা রায় বালিগার ‘ট্রান্সেন্ডিং দ্য গ্লাস কেস’-এর একটি সমালোচনা।

‘‘ল্যুপাঁ’ একেবারেই ‘হু ডান ইট’ নয়, বরং এই সিরিজকে ‘হাউ ডান ইট’ ও ‘হোয়াই ডান ইট’ বলা চলে। এক কথায় বললে, ‘ল্যুপাঁ’ অনেকটাই রহস্য-কৌতুকের আধারে ফরাসি ক্লাসিক চরিত্র আর্সেন ল্যুপাঁর প্রতি সমসাময়িক শ্রদ্ধাঞ্জলি।’ ওয়েব সিরিজের সমালোচনা।

‘এখানে ‘জীবনী’ লেখা হয়েছে ঠিকই, তবে তা টীকার ভারে নুয়ে পড়েনি। রানীরই (চন্দ) বলা কথা থেকে লেখিকা শুধু কুড়িয়ে এনেছেন তাঁর যাত্রাপথের রূপরেখা। তাঁর আনন্দময় যাপনের দিন-রাত্রি। সুতরাং, তথ্যপঞ্জীর আড়ম্বরে কোনও ভাবেই আড়াল হয়ে যায়নি আলোচ্য ব্যক্তির ‘মন’।’ পাঠপ্রতিক্রিয়া।

‘তিলোত্তমা ছাড়া রোহেনার ছবিটা হতই না। গোটা ছবিটা জুড়েই তিনি তাঁর আশ্চর্য স্বাভাবিকতা দিয়ে রূপকথার রোমান্স আর গ্ল্যামারের মোকাবিলা করেছেন। কিন্তু ‘ইজ লাভ ইনাফ স্যার?’ তো শেষ অবধি রূপকথাই!’ সিনেমার সমালোচনা।

‘ওয়েব সিরিজটির গল্প গড়ে উঠেছে ইকুয়াল রাইটস অ্যামেন্ডমেন্ট-এর অনুমোদনের ইতিহাস এবং এর বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিত প্রতিরোধ নিয়ে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অ্যামেন্ডমেন্টের প্রতিরোধ অনেকটাই করেছিলেন নারীরা।’ ‘মিসেস আমেরিকা’ ওয়েব সিরিজের সমালোচনা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.