
ডেটলাইন পর্ব: ৪৩
‘অপরাধপ্রবণ শহর হিসেবে আমেরিকায় বাল্টিমোরের স্থান তৃতীয়। আর ড্রাগের খোলাবাজার, বিশেষ করে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক নেওয়ার অভ্যেস এই শহরের নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।’

‘অপরাধপ্রবণ শহর হিসেবে আমেরিকায় বাল্টিমোরের স্থান তৃতীয়। আর ড্রাগের খোলাবাজার, বিশেষ করে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক নেওয়ার অভ্যেস এই শহরের নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।’

এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল, ইজরায়েলি সৈন্যরা প্যালেস্তাইনের ১৪ বছর বয়সি এক ছেলেকে গুলি করে, ঘিরে দাঁড়িয়ে ৪৫ মিনিট ধরে তার মরে যাওয়া দেখছে, তার মা’কে বা অ্যাম্বুল্যান্সকে কাছে আসতে দিচ্ছে না। এই চূড়ান্ত অমানবিকতার ছবি আমাদের শিউরে তোলে।

আফগানিস্তানে তালিবান নতুন আইন আনছে— স্বামী স্ত্রীকে পেটাতে পারবে, যতক্ষণ না হাড় ভাঙছে বা খোলা ক্ষত দেখা যাচ্ছে। তার মানে, গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হল। স্ত্রীকে স্বামীর সম্পত্তিই ঘোষণা করা হল। অন্য বড় দেশগুলো কিন্তু বিরাট তিরস্কার করছে না, বরং দিব্যি ব্যবসায়িক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে।

ভিক্টর ও নোরা একইরকম, দু-জনেই শিল্পটা ভাল পারে, মানুষের সঙ্গে সংযোগটা পারে না। ভিক্টর যখন আগনেসকে বলে, তোর ছেলেকে আমার সিনেমায় একটা পার্ট দেব, আগনেস বলে, তোমার ছবিতে আমি যখন অভিনয় করেছিলাম, আমি ছিলাম তোমার সবচেয়ে যত্ন ও আদরের পাত্রী, মনে হত আমিই আছি মহাবিশ্বের কেন্দ্রে। যেই ছবি শেষ হয়ে গেল, আর আমি তোমাকে বহুকাল দেখতেই পেলাম না। পরের ছবির লোকেরা হয়ে গেল তোমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘বিছের কামড়ের জন্য নানাবিধ টোটকা প্রচলিত ছিল। যেমন পেঁয়াজের রসের প্রলেপ দেওয়া, হিং আর মধুর প্রলেপ দেওয়া ইত্যাদি। বড়দের কামড়ালে সরষে-পরিমাণ আফিম খাইয়ে দেওয়া হত। তখন আফিমের দোকান ছিল। অনেকে আফিমের নেশা করত।’

‘রাত্তিরে কোথায় খেতেন বলতে পারব না। জিজ্ঞাসা করার মতো কেউ বেঁচে নেই। অনেক পরে জেনেছিলাম, এই বড়দা ছিলেন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত। তখন ধারণা ছিল কুষ্ঠ ব্যাধি ছোঁয়াচে। বড়দার নাকি বালক বয়সেই এই অসুখ হয়েছিল।’

‘পুতলির আসল নাম গোহরবানু। মায়ের কাছে নাচ শিখেছিল গোহরবানু আর তাঁর বোন তারাবানু। কিশোরী বয়সে গোহরবানু যখন নর্তকী হিসেবে গ্রামশহরে প্রশংসিত হল, পুতুলের মতো দেখতে বলে গ্রামবাসীরা তাঁর নাম দিল ‘পুতলি’।’

‘লক্ষ করে দেখেছি, আমেরিকানরা হাইওয়ে আর গাড়ি— এই দুটো ব্যাপার নিয়ে বেশ আবেগপ্রবণ। নামকরা হাইওয়ে আর গাড়ির নম্বর-প্লেট লেখা ট্যাবলেট বিক্রি হয় স্যুভেনির শপে। লোকে সাজিয়ে রাখে বাড়িতে। কথাবার্তা বলে জেনেছি এর পিছনে কী কারণ থাকতে পারে।’

ডেনমার্ক প্রস্তাব এনেছে, খাবারকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তার মানে চতুর্দশপদী আর চিংড়ির মালাইকারি রেষারেষি করবে পুরস্কারের জন্য, বা শিল্প-ফান্ডিং’এর জন্য। কবি ও রাঁধুনি থাকবেন একই পুরস্কারের দৌড়ে। এ ভাবনা কি একেবারে উদ্ভট, না কি এর কোনও সারবত্তা আছে?

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

‘এখন যেমন প্রচুর স্বপন। শ্মশান স্বপন, নাটা স্বপন, লম্বু স্বপন, ট্যারা স্বপন, হাতকাটা স্বপন ইত্যাদি। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় একজন স্বপন ছিলেন। অধ্যাপক স্বপন মজুমদার।’

সচলের কথায় ফলত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে। কেউ আবার ভেবেছেন, এ আসলে কবির খামখেয়াল, উন্মাদনা। এই পথে সকলেই গেলে অনাসৃষ্টি কাণ্ড হতে পারে— এর গভীর ও সূক্ষ্ম তাৎপর্য সকলের পক্ষে আয়ত্ত করা অসম্ভব। তাই সচল তাঁর জীবনকালে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মপ্রধানদের কাছে ছিলেন বিপজ্জনক ব্যক্তি।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.