দুর্গাপুজোয় বুদ্ধমূর্তি?

‘দুর্গাদালানে দেবী দশভুজা, আর তাঁরই পাশের কুলুঙ্গিতে ধ্যানমগ্ন দুই বুদ্ধ। হুগলির জিরাট-পাটুলি গ্রামের মঠবাড়িতে এই আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায় বহুকাল ধরে। একই ছাদের নীচে এই সহাবস্থান শুধু ইতিহাসের অলংকার নয়, আমাদের কাছে এক গভীর অমীমাংসিত প্রশ্নও বটে।’

যে পথ ফুরোয় না

সারল্য এবং নির্মমতা, নীরবতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়েও পৃথিবীর গণ্ডিগুলো বারবার ভাঙতে চান বিভূতিভূষণ। অভাবের সংকীর্ণতা কখনও পথের দেবতার আকুল ডাককে পরাস্ত করতে পারে না।

Representative Image

হেতালকাঠি ও চ্যাংমুড়ি

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস এখানেই। চাঁদ সওদাগর যে-দেবীকে ‘চ্যাংমুড়ি কানি’ বলে তাচ্ছিল্য করেছিলেন, সেই দেবীই পরে বাংলার অন্যতম প্রধান লোকদেবী হয়ে উঠলেন। ইনচুড়ায় আজও তাঁর নামে শ্রাবণে মানুষের ঢল নামে।’

দশ মিনিটের সাম্য

‘উৎসবের দিন অপরাহ্নে বন্ধ দরজার ওপারে চলে এলাহি আয়োজন— দই, ক্ষীর, বিভিন্ন মিষ্টি সহকারে জগন্নাথদেবের ভোগ। এবং ঠিক তখনই মন্দিরের গর্ভগৃহের বাইরে জড়ো হতে থাকেন গুপ্তিপাড়া-সংলগ্ন বেহুলা, আয়দা বা সূর্যপুরের মতো আশপাশের গ্রামের ঘোষেরা। দেখতে-দেখতে চারপাশের চাতাল ছেয়ে যায় হাজার-হাজার মানুষের ভিড়ে।’

তথ্যের কারিগর

‘নিজের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ঘুম, বিশ্রাম এবং কবিখ্যাতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিজের ভেতরের রোম্যান্টিক কবিসত্তাকে রূপান্তরিত করলেন এক নিষ্ঠাবান গবেষকে। ব্যক্তি নগেন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন এক আস্ত প্রতিষ্ঠান।’