
বিদায়, লিও
এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে লিওনেল স্কালোনি কাঁদছেন। কোচের বাঁ-চোখ থেকে জল নীচে নামছে। জল কি কারও ব্যথা বোঝে? ফকল্যান্ড ওয়ার-ভেটেরান ফাবিও সান্টানা-র ঠোঁট-চোখ-শরীর-অস্তিত্বে জাতীয় সংগীত। সব

এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে লিওনেল স্কালোনি কাঁদছেন। কোচের বাঁ-চোখ থেকে জল নীচে নামছে। জল কি কারও ব্যথা বোঝে? ফকল্যান্ড ওয়ার-ভেটেরান ফাবিও সান্টানা-র ঠোঁট-চোখ-শরীর-অস্তিত্বে জাতীয় সংগীত। সব

‘…পাথর ক্ষণভঙ্গুর হচ্ছে বছরের পর বছর। মেইন সেন্ট্রাল থ্রাস্ট জোনে গ্র্যানাইটের আশেপাশে থাকা এই ক্ষণভঙ্গুর পাহাড়ি পাথুরে অঞ্চলে, বিশেষ করে বৃষ্টির সময়ে ধস, ভূমিক্ষয় ক্রমশ বাড়ছে, তৈরি হচ্ছে বিপজ্জনক ইকো-সেনসিটিভ জোন…’ ধারালিতে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি বিষয়ক বিশেষ নিবন্ধ…

‘লিও মেসি বলে— গ্র্যান্ডমা, এই দিনটা আমার হতে পারে। স্যাঁতস্যাঁতে জুনের কলকাতার লোকাল ট্রেনে নামতে গিয়ে পিছলে পড়তে পড়তেও কোনওমতে সামলে ওঠা তরুণ লজেন্সওলা জাদুবাস্তবের মতো হাসে, হুগো লরিসের ডানদিক দিয়ে বল জালে ঢোকে, লিও মেসি হাত ছড়িয়ে কাঁদে।’

‘হরিণ, ময়ূর-সহ বীভৎস ভাইরাল ওই ছবিটা এআই না এআই না— এইল সবের বাইরে গিয়ে সংকটাপন্ন একটা গ্রহের সামান্য একটা মাইক্রোস্পট। এবং পরিবেশ হত্যার লেগ্যাসি।’

‘‘কোয়াইট বিটল’ জর্জ হ্যারিসনের বড়জোর দু’টি করে গান প্রতি অ্যালবাম পিছু থাকবে বলে এমনই কিছু অঘোষিত নির্দেশিকা ছিল লেনন-ম্যাকার্টনি ডুয়োর। এবং এই প্রসঙ্গেই গান লেখার ইতিহাস।’

‘১৯৮৫-র ২৭ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ছ’টায়, পরিচারক এবং এক সহকর্মী-ছাত্র, প্রায় তছনছ হয়ে যাওয়া নিজস্ব কেবিনের অন্দরে, মাথায় কোনাকুনি একটা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শেষ হয়ে যাওয়া, বছর চুয়ান্ন ছুঁতে যাওয়া ডায়ান ফসে-র নিস্পন্দ শরীর খুঁজে পান।’

‘যে পুরুষ অস্থিচর্মসার,/
তাকে ছুঁলে রমণের ভয়, লোকাচার,/
কী ভীষণ প্রলয়ে বিষণ্ণ হাড়ের শব্দ,/
নিরন্তর এক নারী,/
হেঁটে যায় কোমল বাস্তবে।’
‘দোস্তোজি, তোমার ওই সেলিব্রেশন। ওই ভলির পর ক্যামেরার সামনে গিয়ে দেখিয়ে দেওয়া, দেখো, দেখো আমি দিয়েগো, আমি নম্বর টেন, আমি আলবেসিলেস্তে। তোমার ওই বাইসেপ্স, ট্রাইসেপ্স, ছুটে এসে জড়িয়ে ধরা ক্লদিও ক্যানিজিয়ার সোনালি চুলে মিশে যাওয়া তোমার ট্যাটু।’ স্বপ্নের নাম মারাদোনা।
‘১৯২০-র হিলবিলি মিউজিক বা হঙ্কি-টঙ্ক থেকে পরে স্থায়িভাবে কান্ট্রি হয়ে যাওয়ার রাস্তায় প্রথম হিট রেকর্ড হিসেবে ধরা হয় জন কার্সনের ‘লিটল ওল্ড লগ কেবিন ইন দ্য লেন’কে। যে-নৈকট্যের কথা বলছিলাম, সাগর পেরিয়ে আমাদের নাইনটিজে বাংলা গানের ঝুঁটি ধরে ঘোরানো গৌতম-সুমনের কলকাতা এমনকি খোদ মফস্বল কিভাবে তাদের কলেজ-শুরুয়াতে কান্ট্রিকে কাছে টেনে নিল, তার জবরদস্ত উত্তর পেয়ে যাই হ্যাঙ্ক উইলিয়ামসের কথায়— ‘Folk music is sincere. There ain’t nothin’ phony about it.’

একগাল হাসি মুখে একটা উইকেট তুলে সই করছেন সানি গাভাসকার। আমি ফ্রিজ করে নিই। টাইম, স্পেস ফ্রিজ করে নিই। দাদুর বয়স বাড়ে। ঠাকুমার বয়স বাড়ে। অপারেশনের দাগ, দেওয়ালের দাগ, কোনটা ভোগায় বেশি, কে জানে! একটুখানি বোরোলিন দিই ঠাম্মা? জীবনের ওঠাপড়ার দাগ।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.