এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল, ইজরায়েলি সৈন্যরা প্যালেস্তাইনের ১৪ বছর বয়সি এক ছেলেকে গুলি করে, ঘিরে দাঁড়িয়ে ৪৫ মিনিট ধরে তার মরে যাওয়া দেখছে, তার মা’কে বা অ্যাম্বুল্যান্সকে কাছে আসতে দিচ্ছে না। এই চূড়ান্ত অমানবিকতার ছবি আমাদের শিউরে তোলে।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য
এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল, ইজরায়েলি সৈন্যরা প্যালেস্তাইনের ১৪ বছর বয়সি এক ছেলেকে গুলি করে, ঘিরে দাঁড়িয়ে ৪৫ মিনিট ধরে তার মরে যাওয়া দেখছে, তার মা’কে বা অ্যাম্বুল্যান্সকে কাছে আসতে দিচ্ছে না। এই চূড়ান্ত অমানবিকতার ছবি আমাদের শিউরে তোলে।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য
আফগানিস্তানে তালিবান নতুন আইন আনছে— স্বামী স্ত্রীকে পেটাতে পারবে, যতক্ষণ না হাড় ভাঙছে বা খোলা ক্ষত দেখা যাচ্ছে। তার মানে, গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হল। স্ত্রীকে স্বামীর সম্পত্তিই ঘোষণা করা হল। অন্য বড় দেশগুলো কিন্তু বিরাট তিরস্কার করছে না, বরং দিব্যি ব্যবসায়িক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য
ভিক্টর ও নোরা একইরকম, দু-জনেই শিল্পটা ভাল পারে, মানুষের সঙ্গে সংযোগটা পারে না। ভিক্টর যখন আগনেসকে বলে, তোর ছেলেকে আমার সিনেমায় একটা পার্ট দেব, আগনেস বলে, তোমার ছবিতে আমি যখন অভিনয় করেছিলাম, আমি ছিলাম তোমার সবচেয়ে যত্ন ও আদরের পাত্রী, মনে হত আমিই আছি মহাবিশ্বের কেন্দ্রে। যেই ছবি শেষ হয়ে গেল, আর আমি তোমাকে বহুকাল দেখতেই পেলাম না। পরের ছবির লোকেরা হয়ে গেল তোমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
জয়ন্ত দে
‘‘রিন্টুদা ছিল রোগা লম্বা, খাঁড়া নাক, বাঁটুল কার্টিং চুল। রিন্টুদা চিন্টুর জাঠতুতো দাদা। তখন দাদা-দিদিরা বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ হত, কেননা সিলেবাসে শরৎচন্দ্রের ‘মেজদা’ ছিল। সবাই মেজদা। রিন্টুদা আমাদের সঙ্গে কথা বলত না। আমরা ছোট, পুঁচকে, অর্বাচীন, গাধা, গরু, বলদ, নেংটি— আমাদের সঙ্গে কী কথা বলবে। ওই জাঠতুতো দাদা রিন্টুদা ছিল মহা গুলবাজ। পড়াশোনায় ভাল, কালীঘাটের কোনও দোষ পায়নি। কাগজে তামাক ভরে ঠোঁট বুলিয়ে বেশ কায়দা করে সিগারেট বানিয়ে খেত। তার আগে কাউকে অমনটি দেখিনি।’’
শুভাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
সাধারণভাবে দৃষ্টিহীনতা বা অন্ধত্ব তিন রকম; সকলেই যে জন্ম থেকে দেখতে পায় না (জন্মান্ধ), তা নয়। একদল ‘টোটাল ব্লাইন্ড’, একদল ‘পারসিয়াল’ এবং আরেকদল, ‘অ্যাডাল্ট ব্লাইন্ড’ (যারা আগে দেখতে পেত, কিন্তু এখন পায় না।) এরা কোনও-না-কোনও সময়ে রঙ দেখেছে, চিনেছে। পূর্ণঅন্ধত্বর সময়ে, তাদের স্মৃতি থেকে রঙ কিংবা আলো চেনা অসুবিধেজনক হয় না। আবার যারা পারসিয়াল ব্লাইন্ড, […]
বিশ্বজিৎ ঘোষ
দোল উৎসবের একটি সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিত রয়েছে। গানেরও সময় দোল। নরেন্দ্রপুরে আমরা যখন দোল পালন করেছি, তখন খোল-করতাল-সহ নানারকমের বাদ্যযন্ত্র সহযোগে গানবাজনা করেছি। দোল এলেই খোঁজ পড়ে যেত, কে খোল বাজাবে, কে তবলা বাজাবে।
আদিত্য ঘোষ
‘মেনকা গুরুস্বামীর ক্ষেত্রে– একজন দক্ষ আইনজীবী, একজন সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ, একজন চিন্তাশীল নাগরিক, এই সমস্ত পরিচয়গুলো ধীরে ধীরে আড়ালে সরে গিয়ে সামনে চলে এসেছে শুধু তাঁর যৌন পরিচয়। আমরা হয়তো তাকে উদযাপন করি, তাকে নিয়ে গর্ব প্রকাশ করি, কিন্তু সেই উদযাপনের মধ্যেও তাকে একটি আলাদা খোপে বন্দি করে রাখি।’
সোমক রায়চৌধুরী
জম্মু ও কাশ্মীর দলের রসায়নটা একবার দেখে নেওয়া যাক। এই টিমে ১৪ জন ক্রিকেটার জম্মুর, যার মধ্যে পাঁচজন মুসলিম; আর চারজন কাশ্মীর উপত্যকার। অধিনায়ক পরশ ডোগরা হিমাচলের, এছাড়া রয়েছেন উত্তরাখণ্ডের এক ক্রিকেটার। কিন্তু আকিব নবি, কামরান ইকবাল, শুভম পুন্দির, সাহিল লোটরাদের উঠে আসার দীর্ঘ পথে এই বিভাজন-তাসের উত্তাপের আঁচ ন্যূনতম পড়েনি!
আফগানিস্তানে তালিবান নতুন আইন আনছে— স্বামী স্ত্রীকে পেটাতে পারবে, যতক্ষণ না হাড় ভাঙছে বা খোলা ক্ষত দেখা যাচ্ছে। তার মানে, গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হল। স্ত্রীকে স্বামীর সম্পত্তিই ঘোষণা করা হল। অন্য বড় দেশগুলো কিন্তু বিরাট তিরস্কার করছে না, বরং দিব্যি ব্যবসায়িক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে।
ডেনমার্ক প্রস্তাব এনেছে, খাবারকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তার মানে চতুর্দশপদী আর চিংড়ির মালাইকারি রেষারেষি করবে পুরস্কারের জন্য, বা শিল্প-ফান্ডিং’এর জন্য। কবি ও রাঁধুনি থাকবেন একই পুরস্কারের দৌড়ে। এ ভাবনা কি একেবারে উদ্ভট, না কি এর কোনও সারবত্তা আছে?
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম বিজয়ীর মধ্যে আবেগের কোনও বাড়তি বহিঃপ্রকাশ নেই। এমনটা হওয়ায় অনুরাগীদের অনেকেই নাকি ক্ষুব্ধ। তার কারণ কী? এই সমাজমাধ্যমের যুগে কি তাৎক্ষণিক উত্তেজনা না দেখলে খুশি হই না আমরা?
অন্যায় মেটাবে বড় মস্তান? ইরানে শাসকরা এই মুহূর্তে যে অন্যায় করে চলেছেন, তা থামাতে পারে শুধু আমেরিকার শাসকের হুমকি? যে আমেরিকার অন্যায় থামাতে পারছে না অন্য কেউ? শুভবুদ্ধিসম্পন্ন জোট নয়, মানবাধিকার সংগঠন নয়, বদ ছোট মাছকে সামলে রাখবে রাক্ষুসে বড় মাছ?
ডোনাল্ড ট্রাম্প শেখালেন, ক্ষমতার চক্ষুলজ্জা থাকতে নেই। তিনি দেখিয়ে দিলেন, হত্যায় অভিযুক্তকেস সরাসরি হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো যায়। এ থেকে কি আমরা বুঝতে পারি যে, শাসক নিজের সুবিধার্থে যে-কোনও অপরাধীকেও তার আঙিনায় ঠাঁই দিতে পারে?
বাংলাদেশে জীবন্ত দগ্ধ করা হল দীপু দাসকে, ভারতে গণনিগ্রহে মৃত্যু হল আতাউর হুসেনের। সংখ্যাগুরুর আক্রমণের শিকার বারবার হবে সংখ্যালঘুরা, এটাই কি ক্রমে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে? গণিত কি এখন এটাই যে, সংখ্যাগুরুর নিয়মই হল কম ক্ষমতাবানকে আক্রমণ করা?
অনুপ্রবেশকারীর প্রতি দরদী হওয়াই কি মানবিকতার নিদর্শন নয়? মানবিক না হওয়ার জন্য লজ্জিত হওয়া এখন আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। আমাদের প্রকৃত কর্তব্য তো অসহায়ের পাশে দাঁড়ানোই। নৃশংসতাকে কি কখনও সঠিক বলে দাগানো যায়? আসলে এই সীমারেখা অতিক্রম করাই কি কাজ নয়?
কোভিডের সময় লেখা এই গান। কিন্তু এই গান হিন্দিতে লিখলাম কেন?
গান গেয়ে, লিখে, সুর করেও নিস্তার পাচ্ছেন না। মাথার ভেতর আরও অনেক রকম নানা রকম চিন্তা-ভাবনা কেবলই জ্বালিয়ে চলেছে, যেনতেনপ্রকারেণ তাদেরও ন্যায় চাই। যেমন তার ম্যাকবুকটি। তার কথা বলাকওয়া করতেই এই কলাম। অনুপম রায়-এর ম্যাকি।
পড়ুন...
একরত্তি মেয়ে, সে লিখবে সমসাময়িকের ধারাপাত? হ্যাঁ, তাঁর প্রাণবন্ত জীবনে পরিবেশ আন্দোলন কিংবা অ্যাডেলের গান— দুইই মস্ত জায়গা জুড়ে। রাজনীতি নিয়ে ওয়াকিবহাল। মতামত প্রকট। সুতরাং বিন্দাসিনী।
পড়ুন...
ক্রিকেটের ঈশ্বরগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সদস্য। বিধ্বংসী ব্যাট কিন্তু শান্ত উপস্থিতি। উইকেটের পিছনে ফড়িং-লম্ফ কিন্তু আদতে ডানা নেই। ক্ষিপ্রতায় ক্যাঙারু-মাফিক। আর ব্যক্তিতে? আপাদমস্তক বুদ্ধিমান ভদ্রলোক। ম্যাজিক শুরু— গিলি গিলি গে।
পড়ুন...
ভক্তিবাদের এক তরঙ্গ অষ্টম থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ভারতের অন্য নানা প্রান্তে যেমন প্রান্তজনের দিকে ছড়িয়ে দিয়েছিল পাখনা, কতক তেমনই, ভারতের এই অঞ্চলে সব ধর্মের মানুষের কাছে গিয়েছিল সুফিসন্তদের সুর। বাংলা ভাষাতেও তার কিছু ভাগ যদি পাওয়া যায়— এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এসেছে এই কলাম— ‘সিন্ধুপারের সুফি’।
পড়ুন...
ফিরে দেখা বিশ্বসিনেমা। ক্লাসিক বলতে যেসব ছবির কথা আমরা জানি, সেসব ছবির সমালোচনা নতুনভাবে, নতুন আঙ্গিকে, নতুন সময়ের জন্য। চলচ্চিত্রের পড়ুয়া, ছায়াছবির অনুরাগীদের জন্য অন্যরকমের রেট্রোস্পেকটিভ। লেখায় দেখা, দেখার লেখা।
পড়ুন...
তুরতুরে জীবন, ফুরফুরে অস্তিত্ব। নতুন চোখের তকতকে দৃষ্টিভঙ্গি। নতুন প্রজন্মের আশা, প্রত্যাশা, ভাবনাচিন্তা, ক্ষোভ ও বিদ্রোহ নিয়ে বহু কথা নিয়মিত লিখবেন। রিহার্সাল, শুটিং, আর চারপাশকে খতিয়ে দেখার অভ্যাস ফুটে উঠবে লেখায়।
পড়ুন...
কলম শাণিত, বুদ্ধি আর যুক্তিও। বিশ্লেষণের ভঙ্গি তর্কের অঙ্গে। পছন্দের বিষয় ঝুঁকি। পছন্দের বক্তব্য অকপট। হিউমার আর স্যাটায়ার অঙ্গাঙ্গী জড়িত তাঁর লেখায়, তাঁর বলায়, তাঁর মননে। ডাকবাংলায় কলম ধরলেন চন্দ্রিল ভট্টাচার্য।
পড়ুন...
খাদ্য একটি ভয়ানক ব্যাপার। স্বাদে যেমন মাত করবে, তেমনই রন্ধন-প্রণালী বাতলে দেবে জাতির চরিত্র। আর সময়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে আটকে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। আর সেই সুড়ঙ্গ ধরে সময়ের বিভিন্ন রান্নাঘরে হাজির করবে হেঁসেলের হিস্সা।
পড়ুন...
ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক ছিলেন। প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৫৩টি ম্যাচে। প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবে খেলেছেন। ২০০৮ ইউরো কাপ ও ২০১০ বিশ্বকাপ খেলেছেন। প্রিমিয়ার লিগের তাজা খবর দেবেন গোললাইন-এর ধার থেকে।
পড়ুন...
অতীত চিরকালই রঙিন। এক-একটা মুহূর্ত, এক-একটা চরিত্র, জীবনের ফাঁকফোকর দিয়ে আলোর মতন এসে ঢুকে পড়ে। আচমকাই। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, অতীতের সেই না-বলা গল্পগুলোই উঠে এসেছে ‘এলেবেলে’ লেখার মধ্যে দিয়ে।
পড়ুন...
ক্রিকেটের ঈশ্বর। মাঠে তাঁর শান্ত উপস্থিতি, অথচ দেখার মতো ধৈর্য, নিষ্ঠা এবং অধ্যবসায়। ক্রিকেট সম্পর্কে তাঁর এক-একটা মতামত, খুলে দেয় অনেক জানলা-দরজা। এখন থেকে এই কলামের মধ্যে দিয়ে উঠে আসবে সাম্প্রতিক ক্রিকেটের নানান দিক, খেলোয়াড়দের মনোভঙ্গি সম্পর্কে বিশ্লেষণ, সঙ্গে তাঁর পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার দৃষ্টিভঙ্গি।
পড়ুন...
সোমবার মানেই কাজে ল্যাদ, নীলচে বিষাদ! ছুটির পরেই ছুটোছুটি! সপ্তাহের প্রথম দিনের মুখভার কি সকলের সমান? সবার কি রবি-সোমের হিসেব খুব মসৃণ? কাজে যাওয়ার প্রথম দিনের ‘ব্লুজ’ কি কারও কারও কাছে জ্যাজ?
পড়ুন...
তিনি ছবি তোলেন ও ছবি আঁকেন, তাঁর লেখাতেও হরদম চলে আসে তরতরে দৃশ্য। বিপদেও চিলতে মজা খুঁজে বার করার নাছোড় আনন্দ তাঁর সম্বল। এই কলামেও রইল— ঘুরতে-ফিরতে, হাঁটতে-বসতে যে ধূসর, ঝলমলে, কেজো, কাব্যিক দৃশ্যেরা জন্ম নিচ্ছে তাঁর সামনে— তার কোলাজ।
পড়ুন...
ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর লেখার মুনশিয়ানা আর ধারালো রসবোধের কথা খুব কম মানুষই জানেন। গানের পরিবেশ ও অন্য অনেক কিছু নিয়ে, উঁচু ও নিচু পর্দা, কড়ি ও কোমল মিশিয়ে, লিখবেন নিয়মিত।
পড়ুন...
অতীত মেতে থাকে হাসনুহানার গন্ধে। সে গন্ধে কখনও খুশির ফোয়ারা, কখনও বালিশে গুঁজরে কান্না আর কখনও তিরতিরে প্রেমের শিহরণ। সেই সব বুকে নিয়ে নিত্য যাপন কম ঝক্কির? সেই সব হিয়াভরা, হিয়াভারের ঝক্কির গপ্পো লিখবেন শ্রীজাত।
পড়ুন...
বাঙালির গর্ব। বাংলাদেশের তো বটেই। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বিশ্ব-ক্রিকেটের আঙিনায় প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে তাঁর ব্যাট-বল ম্যাজিক করেছে। আইপিএল-এর মারকাটারি প্লেয়ার। লিখবেন অনেক কিছু নিয়ে। আদতে অলরাউন্ডার তো!
পড়ুন...
জীবনের আসা-যাওয়া মানে কেবল সময় নয়, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিও নয়। জীবনের আসল হিসেবটা দেয় জীবনে ঢুকে পড়া বা চলে যাওয়া মানুষগুলো। তাদের প্রকৃতি, তাদের চরিত্র, তাদের প্রভাব তৈরি করে জীবনের গ্রিনরুম। গ্রিনরুমের সেই সব কথা লিখছেন সুদেষ্ণা রায় তাঁর কলাম ‘ব্যাকস্টেজ’-এ।
পড়ুন...
উত্তর কলকাতা। অলীক এক সময়ের দলিল। একধাক্কায় ফিরে যাওয়া অতীতের অলিগলিতে। রঙিন জীবন, সাদা-কালো জীবন। স্কুল থেকে পাড়া, ঘর থেকে বাইরে। স্বপ্নময় চক্রবর্তীর আত্মজৈবনিক কলাম…
পড়ুন...
সময়টা সাতের দশক। বাংলার সমাজে তখন বহুস্তরীয় রূপান্তর ঘটছে। রাজনৈতিক উত্তাপ, শ্রেণি সংগ্রামের দাবি, যৌনতার নতুন ভাষা, শহরের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, শিল্পী ও লেখকদের পরম্পরাগত চর্চার বাঁধ ভাঙার প্রয়াস— সবটাই সময়ের…
পড়ুনThis Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.