চোর স্লোগান আমি একা দিচ্ছি না, আরও পাঁচজন একইভাবে আমার সঙ্গে তিতিবিরক্ত হয়ে রাজনৈতিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এটা একটা বৈধতা তৈরি করে আমাদের মনে।
অন্বেষা দত্ত
চোর স্লোগান আমি একা দিচ্ছি না, আরও পাঁচজন একইভাবে আমার সঙ্গে তিতিবিরক্ত হয়ে রাজনৈতিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এটা একটা বৈধতা তৈরি করে আমাদের মনে।
ডাকবাংলা.কম
‘‘একসঙ্গে বৃহৎ পরিমাণ কাজ করার জন্য, ডেটা-সেন্টার/সার্ভারগুলি প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, সার্ভারগুলি বিকল হয়ে যাওয়ার প্রভূত সম্ভবনা। তাই, সার্ভারগুলিকে ঠান্ডা করার জন্য, ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক ‘কুলিং সিস্টেম’, যার একটা বড় অংশ নির্ভর করে জলের উপর।’’
অনুপম রায়
নীলাব্জ বলল, ‘আগে মানুষ মারা গেলে দুটো ছবি থাকত, কয়েকটা চিঠি থাকত। এখন মানুষ মারা গেলে চার টেরাবাইট ডেটা পড়ে থাকে। তবু মানুষটাই থাকে না। তুমি ভয় পাচ্ছ কারণ তুমি ভাবছ ডেটা নেই মানে তুমি নেই। কিন্তু তুমি তোমার ডেটা নও।’
সম্প্রীতি চক্রবর্তী
রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।
জয়ন্ত দে
আপনারা তো কালীঘাট মানেই কয়লা, বালি, চাকরি এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ চুরির কথা ভাবেন, কিন্তু মনুকা ছিল ভিন্ন গোত্রের চোর। মনুকা কী চুরি করত জানেন, পাঁঠার মাথা! এটাতেই ওর স্পেশালাইজেশন। পালা-পার্বণে কালীঘাট মন্দিরে অসংখ্য পাঁঠা বলি হত।
সায়ন ভট্টাচার্য
১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেস দল ছাড়েন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘স্বরাজ্য দল’। সারা ভারত পরিভ্রমণ করে তাঁরা দলের নীতি ও কর্মসূচি প্রচার করতে শুরু করেন। সেই দলেই যুক্ত হন বাঁকুড়ার প্রবাদপ্রতিম রাজনৈতিক যোদ্ধা অনিলবরণ রায়। দলের আদর্শ ও কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবং দলের কাজ চালানোর অর্থ সংগ্রহের […]
গৌরব বিশ্বাস
বিষ নিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে বিচিত্র কিস্সা। রোমাঞ্চকর সেই সব বিষ খুঁজে পাওয়া (আবিষ্কারের) গল্প, সেই বিষ দিয়েই মানুষ হত্যার গল্পও কম রোমহর্ষক নয়। পাশাপাশি রয়েছে কিছু করুণ কাহিনিও। এ-নিয়েই ধারাবাহিক, বিষ-রূপ দর্শন। এবারে, আর্সেনিক-কথার শেষ পর্ব।
স্বস্তিক চৌধুরী
পৃথিবীর নিয়ম, আরশোলা বাড়লে তাকে পিষে মারার মত লোকও বাড়বে। বাড়বে বিষাক্ত কীটনাশক প্রস্তুতকারী কোম্পানির সংখ্যা। তাই সাসপেন্ড হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি-র এক্স হ্যান্ডেল। বারবার হ্যাক করার চেষ্টা চলছে ইনস্টাগ্রাম। তৈরি হয়েছে অ্যান্টি-ককরোচ গ্যাং।
ঝলমলে শহরে, কোনও এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। দেখা হয়ে যায় তারুণ্যের সঙ্গে। সেই দেখাটুকু যে কোনওদিন চিরতরে অতীত হয়ে যাবে, সে-কথা স্বপ্নেও কল্পনা করা যায় না। দূরপাল্লা নামটুকুতে দূরের হাতছানি থাকলেও, কিছু বন্ধু-আবেশে তা বড় কাছের ভ্রমণ হয়ে থাকে। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সেই বন্ধু...
আর যেখানেও যাও-না-কেন, প্যারিস অবশ্যই যেও!— বলেছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ভেতরে থাকা ভ্রমণপিপাসু মনের স্ফুলিঙ্গ বারবার আগুন হয়ে ছড়িয়ে গিয়েছে জীবন-জিজ্ঞাসায়। প্রথমবারের ইউরোপ ভ্রমণ নিয়ে তেমনই কিছু স্মৃতিচূর্ণ...
আফগানিস্তানে তালিবান নতুন আইন আনছে— স্বামী স্ত্রীকে পেটাতে পারবে, যতক্ষণ না হাড় ভাঙছে বা খোলা ক্ষত দেখা যাচ্ছে। তার মানে, গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হল। স্ত্রীকে স্বামীর সম্পত্তিই ঘোষণা করা হল। অন্য বড় দেশগুলো কিন্তু বিরাট তিরস্কার করছে না, বরং দিব্যি ব্যবসায়িক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে।
ডেনমার্ক প্রস্তাব এনেছে, খাবারকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তার মানে চতুর্দশপদী আর চিংড়ির মালাইকারি রেষারেষি করবে পুরস্কারের জন্য, বা শিল্প-ফান্ডিং’এর জন্য। কবি ও রাঁধুনি থাকবেন একই পুরস্কারের দৌড়ে। এ ভাবনা কি একেবারে উদ্ভট, না কি এর কোনও সারবত্তা আছে?
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম বিজয়ীর মধ্যে আবেগের কোনও বাড়তি বহিঃপ্রকাশ নেই। এমনটা হওয়ায় অনুরাগীদের অনেকেই নাকি ক্ষুব্ধ। তার কারণ কী? এই সমাজমাধ্যমের যুগে কি তাৎক্ষণিক উত্তেজনা না দেখলে খুশি হই না আমরা?
বইমেলা ধুলো মেখে, স্মৃতিতে পাড়ি। দেখতে-দেখতে বইমেলা ৫০-এর চৌকাঠের কাছে চলে এল; হামাগুড়ি দিয়ে যার পথ চলা শুরু, সে আজ বটবৃক্ষ-ন্যায় ছায়া দিয়ে চলেছে। যে-বৃক্ষর ডালে আসে কত লেখক-শিল্পী বন্ধুরা... স্মৃতির অতলে এ এক আশ্চর্য বইরাজ্য!
অন্যায় মেটাবে বড় মস্তান? ইরানে শাসকরা এই মুহূর্তে যে অন্যায় করে চলেছেন, তা থামাতে পারে শুধু আমেরিকার শাসকের হুমকি? যে আমেরিকার অন্যায় থামাতে পারছে না অন্য কেউ? শুভবুদ্ধিসম্পন্ন জোট নয়, মানবাধিকার সংগঠন নয়, বদ ছোট মাছকে সামলে রাখবে রাক্ষুসে বড় মাছ?
ডোনাল্ড ট্রাম্প শেখালেন, ক্ষমতার চক্ষুলজ্জা থাকতে নেই। তিনি দেখিয়ে দিলেন, হত্যায় অভিযুক্তকেস সরাসরি হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো যায়। এ থেকে কি আমরা বুঝতে পারি যে, শাসক নিজের সুবিধার্থে যে-কোনও অপরাধীকেও তার আঙিনায় ঠাঁই দিতে পারে?
গান গেয়ে, লিখে, সুর করেও নিস্তার পাচ্ছেন না। মাথার ভেতর আরও অনেক রকম নানা রকম চিন্তা-ভাবনা কেবলই জ্বালিয়ে চলেছে, যেনতেনপ্রকারেণ তাদেরও ন্যায় চাই। যেমন তার ম্যাকবুকটি। তার কথা বলাকওয়া করতেই এই কলাম। অনুপম রায়-এর ম্যাকি।
পড়ুন...
একরত্তি মেয়ে, সে লিখবে সমসাময়িকের ধারাপাত? হ্যাঁ, তাঁর প্রাণবন্ত জীবনে পরিবেশ আন্দোলন কিংবা অ্যাডেলের গান— দুইই মস্ত জায়গা জুড়ে। রাজনীতি নিয়ে ওয়াকিবহাল। মতামত প্রকট। সুতরাং বিন্দাসিনী।
পড়ুন...
ক্রিকেটের ঈশ্বরগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সদস্য। বিধ্বংসী ব্যাট কিন্তু শান্ত উপস্থিতি। উইকেটের পিছনে ফড়িং-লম্ফ কিন্তু আদতে ডানা নেই। ক্ষিপ্রতায় ক্যাঙারু-মাফিক। আর ব্যক্তিতে? আপাদমস্তক বুদ্ধিমান ভদ্রলোক। ম্যাজিক শুরু— গিলি গিলি গে।
পড়ুন...
ভক্তিবাদের এক তরঙ্গ অষ্টম থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ভারতের অন্য নানা প্রান্তে যেমন প্রান্তজনের দিকে ছড়িয়ে দিয়েছিল পাখনা, কতক তেমনই, ভারতের এই অঞ্চলে সব ধর্মের মানুষের কাছে গিয়েছিল সুফিসন্তদের সুর। বাংলা ভাষাতেও তার কিছু ভাগ যদি পাওয়া যায়— এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এসেছে এই কলাম— ‘সিন্ধুপারের সুফি’।
পড়ুন...
ফিরে দেখা বিশ্বসিনেমা। ক্লাসিক বলতে যেসব ছবির কথা আমরা জানি, সেসব ছবির সমালোচনা নতুনভাবে, নতুন আঙ্গিকে, নতুন সময়ের জন্য। চলচ্চিত্রের পড়ুয়া, ছায়াছবির অনুরাগীদের জন্য অন্যরকমের রেট্রোস্পেকটিভ। লেখায় দেখা, দেখার লেখা।
পড়ুন...
তুরতুরে জীবন, ফুরফুরে অস্তিত্ব। নতুন চোখের তকতকে দৃষ্টিভঙ্গি। নতুন প্রজন্মের আশা, প্রত্যাশা, ভাবনাচিন্তা, ক্ষোভ ও বিদ্রোহ নিয়ে বহু কথা নিয়মিত লিখবেন। রিহার্সাল, শুটিং, আর চারপাশকে খতিয়ে দেখার অভ্যাস ফুটে উঠবে লেখায়।
পড়ুন...
কলম শাণিত, বুদ্ধি আর যুক্তিও। বিশ্লেষণের ভঙ্গি তর্কের অঙ্গে। পছন্দের বিষয় ঝুঁকি। পছন্দের বক্তব্য অকপট। হিউমার আর স্যাটায়ার অঙ্গাঙ্গী জড়িত তাঁর লেখায়, তাঁর বলায়, তাঁর মননে। ডাকবাংলায় কলম ধরলেন চন্দ্রিল ভট্টাচার্য।
পড়ুন...
খাদ্য একটি ভয়ানক ব্যাপার। স্বাদে যেমন মাত করবে, তেমনই রন্ধন-প্রণালী বাতলে দেবে জাতির চরিত্র। আর সময়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে আটকে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। আর সেই সুড়ঙ্গ ধরে সময়ের বিভিন্ন রান্নাঘরে হাজির করবে হেঁসেলের হিস্সা।
পড়ুন...
ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক ছিলেন। প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৫৩টি ম্যাচে। প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবে খেলেছেন। ২০০৮ ইউরো কাপ ও ২০১০ বিশ্বকাপ খেলেছেন। প্রিমিয়ার লিগের তাজা খবর দেবেন গোললাইন-এর ধার থেকে।
পড়ুন...
অতীত চিরকালই রঙিন। এক-একটা মুহূর্ত, এক-একটা চরিত্র, জীবনের ফাঁকফোকর দিয়ে আলোর মতন এসে ঢুকে পড়ে। আচমকাই। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, অতীতের সেই না-বলা গল্পগুলোই উঠে এসেছে ‘এলেবেলে’ লেখার মধ্যে দিয়ে।
পড়ুন...
ক্রিকেটের ঈশ্বর। মাঠে তাঁর শান্ত উপস্থিতি, অথচ দেখার মতো ধৈর্য, নিষ্ঠা এবং অধ্যবসায়। ক্রিকেট সম্পর্কে তাঁর এক-একটা মতামত, খুলে দেয় অনেক জানলা-দরজা। এখন থেকে এই কলামের মধ্যে দিয়ে উঠে আসবে সাম্প্রতিক ক্রিকেটের নানান দিক, খেলোয়াড়দের মনোভঙ্গি সম্পর্কে বিশ্লেষণ, সঙ্গে তাঁর পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার দৃষ্টিভঙ্গি।
পড়ুন...
সোমবার মানেই কাজে ল্যাদ, নীলচে বিষাদ! ছুটির পরেই ছুটোছুটি! সপ্তাহের প্রথম দিনের মুখভার কি সকলের সমান? সবার কি রবি-সোমের হিসেব খুব মসৃণ? কাজে যাওয়ার প্রথম দিনের ‘ব্লুজ’ কি কারও কারও কাছে জ্যাজ?
পড়ুন...
তিনি ছবি তোলেন ও ছবি আঁকেন, তাঁর লেখাতেও হরদম চলে আসে তরতরে দৃশ্য। বিপদেও চিলতে মজা খুঁজে বার করার নাছোড় আনন্দ তাঁর সম্বল। এই কলামেও রইল— ঘুরতে-ফিরতে, হাঁটতে-বসতে যে ধূসর, ঝলমলে, কেজো, কাব্যিক দৃশ্যেরা জন্ম নিচ্ছে তাঁর সামনে— তার কোলাজ।
পড়ুন...
ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর লেখার মুনশিয়ানা আর ধারালো রসবোধের কথা খুব কম মানুষই জানেন। গানের পরিবেশ ও অন্য অনেক কিছু নিয়ে, উঁচু ও নিচু পর্দা, কড়ি ও কোমল মিশিয়ে, লিখবেন নিয়মিত।
পড়ুন...
অতীত মেতে থাকে হাসনুহানার গন্ধে। সে গন্ধে কখনও খুশির ফোয়ারা, কখনও বালিশে গুঁজরে কান্না আর কখনও তিরতিরে প্রেমের শিহরণ। সেই সব বুকে নিয়ে নিত্য যাপন কম ঝক্কির? সেই সব হিয়াভরা, হিয়াভারের ঝক্কির গপ্পো লিখবেন শ্রীজাত।
পড়ুন...
বাঙালির গর্ব। বাংলাদেশের তো বটেই। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বিশ্ব-ক্রিকেটের আঙিনায় প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে তাঁর ব্যাট-বল ম্যাজিক করেছে। আইপিএল-এর মারকাটারি প্লেয়ার। লিখবেন অনেক কিছু নিয়ে। আদতে অলরাউন্ডার তো!
পড়ুন...
জীবনের আসা-যাওয়া মানে কেবল সময় নয়, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিও নয়। জীবনের আসল হিসেবটা দেয় জীবনে ঢুকে পড়া বা চলে যাওয়া মানুষগুলো। তাদের প্রকৃতি, তাদের চরিত্র, তাদের প্রভাব তৈরি করে জীবনের গ্রিনরুম। গ্রিনরুমের সেই সব কথা লিখছেন সুদেষ্ণা রায় তাঁর কলাম ‘ব্যাকস্টেজ’-এ।
পড়ুন...
উত্তর কলকাতা। অলীক এক সময়ের দলিল। একধাক্কায় ফিরে যাওয়া অতীতের অলিগলিতে। রঙিন জীবন, সাদা-কালো জীবন। স্কুল থেকে পাড়া, ঘর থেকে বাইরে। স্বপ্নময় চক্রবর্তীর আত্মজৈবনিক কলাম…
পড়ুন...
সময়টা সাতের দশক। বাংলার সমাজে তখন বহুস্তরীয় রূপান্তর ঘটছে। রাজনৈতিক উত্তাপ, শ্রেণি সংগ্রামের দাবি, যৌনতার নতুন ভাষা, শহরের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, শিল্পী ও লেখকদের পরম্পরাগত চর্চার বাঁধ ভাঙার প্রয়াস— সবটাই সময়ের…
পড়ুনThis Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.