
মধ্যবিত্তের গল্পকার
‘মধ্যবিত্ত জীবনের নিয়মই তো এটা। বলা ভাল নিয়তি। যাকে একদিন প্রবলভাবে চেয়েছি, সে-ই একদিন সব বাধা অতিক্রম করে ধরা দিতে আসলেও ধরতে পারা যায় না।’
প্রেমেন্দ্র মিত্রের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘মধ্যবিত্ত জীবনের নিয়মই তো এটা। বলা ভাল নিয়তি। যাকে একদিন প্রবলভাবে চেয়েছি, সে-ই একদিন সব বাধা অতিক্রম করে ধরা দিতে আসলেও ধরতে পারা যায় না।’
প্রেমেন্দ্র মিত্রের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘ভাত খেয়ে থালা ধুচ্ছি গাছের গুঁড়ি বাঁধানো পুকুরজলে। আলো ঝমকম করছে। মনে পড়ল, অন্নদেবতা কবিতাটি। আমি দু-আঁজলায় জল নিয়ে জল-তর্পণ করলাম অন্নদেবতার উদ্দেশে। কবিতাটি সম্পূর্ণ হয়ে এল জীবনে।’
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘১৮৫৬ সালের মে মাসে কলকাতার নদীতীরে নোঙর করল জেনারেল ম্যাকলিওড নামে এক বিলাসবহুল তরী। আরোহী অওয়াধের শেষ নবাব ওয়াজিদ আলী শাহ্। ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসির ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বলি হয়ে প্রায় ৯ বছরের রাজ্যপাট চুকিয়ে বিদ্ধস্ত সম্রাট এসে পৌঁছলেন গঙ্গাতীরে।’

‘পুলিশের নজর এড়িয়ে বাংলার বিপ্লবীরা অবশ্য নাম-না-জানা প্রেস থেকে ‘পথের দাবী’ প্রকাশ করতে থাকেন এবং গোপনে তা বিক্রিও হতে থাকে।’
‘পথের দাবী’-র শতবর্ষে বিশেষ নিবন্ধ…

‘তারাপদ রায়ের কবিতার ভাষা যে চোখে পড়ার মতো সরল এবং চাকচিক্যহীন, নিশ্চিত। তবে, বেশ কিছু অদ্ভুত কবিতা লিখেছিলেন তিনি, সে-যুগের কবিতার পাশাপাশি রেখে সেগুলো পড়লে চমকে তো উঠতেই হয়, উদ্ভট রসের কবিতার এমন উদাহরণ আর দ্বিতীয়টি মেলে না।’
তারাপদ রায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘বুমথাং উপত্যকার আদরের নাম জাকর। ভুটানি ভাষায় এর মানে সাদা পাখি। উপকথা বলে, কোনও এক সাদা পাখি যে জায়গায় এসে বসেছিল, বুঝিয়েছিল এই সেই পবিত্র স্থান, সেখানেই ১৫৪৯ সালে তৈরি হয় জাকর জং। তার থেকেই নাম।’
ডেটলাইন পর্ব । ২৯…

‘এটা জেন্ডার ইকুয়ালিটির জমানা। একটা মেয়ে যদি ছেলেদের পোশাক সম্পর্কে অভিজ্ঞ হতে পারে একটা ছেলে শাড়ি সম্পর্কে জ্ঞানী হবে না কেন! আজকাল তো ছেলেরাও শাড়ি পরছে! সেদিন কাগজে ছবি দেখলাম। আমি যখন ঠিক করে ফেলেছি, করেই ছাড়ব।’
গল্প। ভ্রমর সেনের সন্দেহ…

‘আসলে তাঁর থিয়েটারের ‘ভারতীয়তা’ অনেক গভীরে নিহিত, যার কথা সেদিন তিনি বলতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, আঞ্চলিকতার বৈশিষ্ট্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে সার্বিকভাবে তিনি ভারতীয় করে তুলতে চান তাঁর থিয়েটারকে, যেখানে প্রাচ্যের থিয়েটারের ভাষাও অঙ্গীকৃত হয়ে যায়।’

‘জীবনে আড্ডার জন্য কলকাতার শিরা-উপশিরা। মফস্সলের মুখ-পেট-নাভি। বর্ধমান, আসানসোল, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার হয়ে প্রায় তিব্বত অবধি যত পথ হেঁটেছি (ও দৌড়েছি), তা জুটলে হিউয়েন সাংকে চ্যালেঞ্জও করতে পারতাম। তবে যে ক’টা জায়গায় সবচেয়ে বেশি আড্ডা মেরেছি, তার মধ্যে অন্যতম হল এই ২৯ সি।’

এই এলাকাটিতে ছিল, নিম্নবর্গীয় মুসলমানদের আবাস; তাঁরাও অংশ নিতেন রথের সময়ে। তাঁদের নিজস্ব ধর্মাচরণের জন্যেই, মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন রাজেন মল্লিক। পবিত্র ঈদ বা প্রাত্যহিক নমাজের পরে, মিষ্টি কেনার টাকাও দেওয়া হত মন্দিরের তহবিল থেকে।

‘এই যে পৃথিবী থেকে পৃথিবীর জল অনন্ত ও আদিম, এই যে আমার বন্ধুপ্রিয় আলোমধুভ্রমর গান তোমার সামনে তখন আমি থাকি, তুমি দেখতে পাও। তুমি যখন দেখতে পাও না, তখনও আমি থাকি।’

‘এই চা উৎসবের সঙ্গে, চীন বা জাপানের মতোই জড়িয়ে থাকে ছোট্ট-ছোট্ট কবিতা, ফুল সাজানোর শিল্প, ক্যালিগ্রাফি, সেরামিক শিল্পের মতো নানা শিল্পকলা। অপূর্ণাঙ্গতা, সহজতা, অনিত্যতা, অসম্পূর্ণতার সৌন্দর্য এবং আনন্দই, এই ভারতবর্ষীয় বোধি চা উৎসবের আত্মা।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.