
মঞ্চই শেষ কথা
‘আজ যে আমি একজন পেশাদার অভিনেতা হয়েছি, তার পিছনে বিরাট অবদান কেতকী দত্তর। অবচেতনে আমার মনের মধ্যে ওই গল্পগুলো, ওই সময়টাকে উনি এনে দিতেন, সেটাই আমার মধ্যে অভিনেতা হওয়ার বীজ বপন করে দিয়েছিল।’

‘আজ যে আমি একজন পেশাদার অভিনেতা হয়েছি, তার পিছনে বিরাট অবদান কেতকী দত্তর। অবচেতনে আমার মনের মধ্যে ওই গল্পগুলো, ওই সময়টাকে উনি এনে দিতেন, সেটাই আমার মধ্যে অভিনেতা হওয়ার বীজ বপন করে দিয়েছিল।’

‘তৎসত্ত্বেও এ-নাটকের তুলনা হয় না। লক্ষণীয়, নাটকে সরাসরি কোন দৈব অনুপ্রবেশ বা অলৌকিক হস্তক্ষেপ নেই। দ্বিতীয়ত, এক ধরনের নিয়তিতাড়িত দরিদ্র অথচ সৎ মানুষের কপাল খুলে যাওয়া আছে।’

১৯৭২ সালে নিজের দল করলেন নীলকণ্ঠ সেনগুপ্ত, ‘থিয়েটার কমিউন’। ১ জুলাই। দল তৈরি করার সময় ওঁর দৃষ্টিভঙ্গিটা যেমন বুঝেছিলাম, যে উনি থিয়েটারটা করতে চাইছেন, অনেকটাই আবেগ থেকে।

‘ওরা আমাদের কয়েকজনকে, ওদের ড্রেজারে নিয়ে গিয়েছিল। যেখানে গঙ্গা থেকে পলিমাটি তোলা হয়। পাহাড়ের কাছে বেঁধে রাখা অন্য একটা জাহাজ থেকে সেই পলিমাটি ঠেলে পাঠানো হতো সল্টলেকে। খাল বরাবর লালরঙের লোহার মোটা পাইপ, খাল বরাবর সল্টলেকের জলাভূমিতে গিয়ে পড়ত।’

১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেস দল ছাড়েন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘স্বরাজ্য দল’। সারা ভারত পরিভ্রমণ করে তাঁরা দলের নীতি ও কর্মসূচি

থিয়েটার মানব সমাবেশ ছাড়া হয় না। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু থিয়েটার দিনের শেষে জীবন্ত। একটা অভিনয় পৃথিবীতে একটা সন্ধেয় একবারই হতে পারে। তার কোনও অনুরূপ বা প্রতিরূপ হতে পারে না। দুটো অভিনয়ের মধ্যে পার্থক্য ঘটে যাবেই।

‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

সাধারণভাবে দৃষ্টিহীনতা বা অন্ধত্ব তিন রকম; সকলেই যে জন্ম থেকে দেখতে পায় না (জন্মান্ধ), তা নয়। একদল ‘টোটাল ব্লাইন্ড’, একদল ‘পারসিয়াল’ এবং আরেকদল, ‘অ্যাডাল্ট ব্লাইন্ড’

“মহেশ এলকুঞ্চোয়ারের ‘ওয়ারা চিরেবন্দি’ যেমন দেখেছি, তেমনই দক্ষিণের বিজয়শ্রীর নাটকও দেখেছি, যা কিছুটা লোকায়ত আঙ্গিকের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো আমরা আস্বাদন করেছি। হয়তো অনেককিছুই না-বোঝা থেকে গেছে। কিন্তু নাট্যভাষের সঙ্গে সংলাপে অসুবিধে হয়নি, তার একটা নিজস্ব জোর আছে।”

‘সফদর একাধারে কাজ করছেন ম্যাক্সিম গোর্কির সৃষ্টি নিয়ে, যাঁর ‘এনিমিজ’-এর রূপান্তরে মিশে যাচ্ছিল নিজস্ব ভারতীয় ঘরানা। অন্যদিকে হাবিব তানভিরের সঙ্গে জোট বেঁধে করছেন ‘মোটেরামের সত্যাগ্রহ’। ক্ষমতার অলিন্দে আঘাত হেনেছেন বারবার।’

‘নায়কের বন্ধুর চরিত্র তো চিরকালই বাংলা ছবিতে আছে, সময়ানুযায়ী কেবল বদলে গিয়েছে তার ধরন। কিন্তু তরুণকুমার যখন নায়কের বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেন, তখন তা জীবনের অনেকটা কাছাকাছি চলে আসে।’

‘তৃপ্তি মিত্রর নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্পগুলি নানা বইয়ে ছড়িয়ে ছিল। এবার দু’মলাটে ধরা রইল। ছোটগল্প আর নাটক ছাড়া নানা বিষয়ে নিবন্ধও লিখেছিলেন তৃপ্তি মিত্র। সেসবে কখনও স্মৃতি, কখনও সাম্প্রতিকের সত্তা, কখনও বা ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.