
বাংলা কবিতার দুই সূর্য
‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’

‘তাঁর লেখার মধ্যে পাঠকেরা পেয়েছিলেন দার্শনিকের অন্তর্দৃষ্টি। লিও তলস্তয় বা ফিয়োদর দস্তভয়েস্কির লেখার পাশাপাশিই তাঁর লেখায় তাঁরা পেলেন নৈতিকতা, বিশ্বাস, আর মানুষের জীবনের অর্থের অনবরত সন্ধান।’

‘‘১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এল্মহার্স্ট রথীন্দ্রনাথ-সহ কয়েকজনকে নিয়ে ঘুরে গেলেন সুরুল। ফিরে এসে শান্তিনিকেতন বাড়ির দোতলায় রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতিতে শুরু হল পরিকল্পনা। সাহেব আর দেরি করতে চান না। অতএব, পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারিই শুরু হয়ে গেল সুরুলের ‘স্কুল অফ এগ্রিকালচার’-এর কাজ।’’

‘রবীন্দ্রগানের রেকর্ডিং-এর ইতিহাস বা তার পেছনের কাহিনি নিয়ে বাংলায় একাধিক বই লেখা হয়েছে। সেসবের ভিড়েও এই বই আলাদা জায়গা করে নেবে। কেন?’

‘জ্যোতিরিন্দ্রনাথের ড্রয়িংগুলির সহজ স্বাভাবিকতার সঙ্গে মেলাতে গেলে যেতে হবে ড্যুরার এবং হলবাইনের কাছে। ড্যুরার মানে আলব্রেখট ড্যুরার, রেনেসাঁ যুগের জার্মান শিল্পী। আর হলবাইন, হান্স হলবাইনও জার্মান, ড্যুরারেরই সমসাময়িক। ড্রয়িং-এ দুজনেরই ছিল আশ্চর্য দক্ষতা।’

‘আসলে শান্তিদেব তো গান করতেন না, গানের মূর্তি গড়তেন। সেদিক থেকে যতটা-না গায়ক, তার থেকেও বলা চলে কারিগর। গান গাওয়া যে একটা ভাস্কর্য বা স্থাপত্য নির্মাণ, সেটা ওঁকে শুনলে বেশ বোঝা যায়। সেখানে উঁচু-নীচু, খোঁচ-খাঁজ, সোজা-বাঁকা কত কী স্পষ্ট।’

‘রবীন্দ্রনাথ যেমন করে তাঁর বাবাকে পেয়েছিলেন, তার থেকে রথীন্দ্রনাথ আর তাঁর বিশ্ববিখ্যাত পিতার সম্পর্ক ঠিক কোথায় কতদূর আলাদা হয়ে গেল?’

নারী-পুরুষের নগ্নতা অশ্লীলতা পেরিয়ে যেভাবে কোনও নান্দনিক মুহূর্তকে ছুঁয়ে ফেলে, তা সৃষ্টি করা রবীন্দ্রনাথ ছাড়া কারও পক্ষে বোধহয় অসম্ভব। নগ্নতার মধ্যে কোনও যৌন উত্তেজনা নেই, আছে শুধু জ্যামিতিক বিমূর্ততার মধ্যে দিয়ে এক তীব্র প্যাশনের বার্তা।

‘রবীন্দ্রনাথ নিয়ে মৌলবাদীদের এত আপত্তি কেন? একে বাংলা ভাষা বা বাঙালি-বিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করা হলেও বিষয়টা ভাষাবিদ্বেষ বা জাতিবিদ্বেষ ততটা নয়, যতটা ভাবাদর্শগত।’

“তথাকথিত ‘হিন্দু’ বা ‘বৈষ্ণব’ গোত্র অতিক্রম করে বাংলা সংস্কৃতির শব্দভাণ্ডার ও কল্পভাণ্ডারে এই প্রসঙ্গ যেমন আত্মপ্রতিষ্ঠা করেছে, তেমন সেই চিরন্তন ছবিটির মতোই কীর্তনের সুরবিন্যাস এসেছে অতুলপ্রসাদ-নির্মিত নতুন গানের দিগন্তে।”

‘শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস অনেকটা দাঁতের লড়াইয়ের ইতিহাস। বুদ্ধের দাঁত এনেছিলেন কলিঙ্গ থেকে হেমা মালি বলে একজন রানি। সেটা প্রথমে ছিল অনুরাধাপুরমে, তারপর পোলোনারুয়ায়, তারপর এখন ক্যান্ডিতে। ক্যান্ডি লেকের ধারে রাজার প্রসাদ। তার মধ্যে বুদ্ধের দাঁতের ওপর তৈরি হয়েছে মন্দির।’

‘দেবব্রত বিশ্বাস আবার ‘রক্তকরবী’ প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত হন ১৯৪৯-এ। এ-বছর তিনিই প্রযোজনাটির পরিচালক। ‘শ্রীরঙ্গম’-এ(পরবর্তীকালের ‘বিশ্বরূপা’-য়) অভিনয়ের আয়োজিত হয়; কিন্তু বদলে গেল পূর্বের অভিনয়ের সঙ্গে অভিনয় লিপি….‘
দেবব্রত বিশ্বাসের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্দ…

“‘পূরবী’-র বেশ কিছু কবিতা যে পাণ্ডুলিপিতে লেখা হয় সে-ও আর-এক অর্থে স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথের এক মাইলফলক। কারণ সেইখানেই চিত্রশিল্পী রবীন্দ্রনাথের জন্ম।”
‘পূরবী’ কাব্যগ্রন্থের শতবর্ষে বিশেষ নিবন্ধ…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.