
নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২৫
‘আমি বলছি, আমরা এখন সবকিছু অহেতুক জমাচ্ছি। হোর্ড করছি। ছবি জমাচ্ছি। আমার কাছে ৩০ জিবি ছবি আছে কিন্তু মনে তেমন কিছুই নেই! গান জমা করি। উফ! আমার কাছে ১০ টিবি গান আছে কিন্তু শুনি সেই ঘুরিয়ে ফিরয়ে পাঁচটা মতো!’

‘আমি বলছি, আমরা এখন সবকিছু অহেতুক জমাচ্ছি। হোর্ড করছি। ছবি জমাচ্ছি। আমার কাছে ৩০ জিবি ছবি আছে কিন্তু মনে তেমন কিছুই নেই! গান জমা করি। উফ! আমার কাছে ১০ টিবি গান আছে কিন্তু শুনি সেই ঘুরিয়ে ফিরয়ে পাঁচটা মতো!’

‘একথা মানতেই হবে, রঘু রাইয়ের খুব প্রিয় শহর ছিল কলকাতা। উনি কলকাতায় অসংখ্য ছবি তুলেছেন। নানা সময়ে, নানা পর্বে। কলকাতার যে বৈচিত্র্য, তা রঘু রাইকে মজিয়ে রেখেছিল। রঘু রাইয়ের সঙ্গে কলকাতা নিয়ে কত কথা যে হয়েছে!’

“রঘু রাই ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ দেখেছিলেন। তার সূত্রেই যোগাযোগ। তবে মজার ব্যাপার কী জানেন, কালা ঘোড়ায় ওঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে অবধি আমার ধারণাই ছিল না, লোকটাকে ঠিক কেমন দেখতে!” রঘু রাইয়ের স্মরণে একান্ত সাক্ষাৎকারে অনুরাগ কাশ্যপ…

আমার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই তর্ক হত। আমাকে বলত, ‘এত রাজনৈতিক কাজ কোরো না। ঝামেলায় পড়ে যাবে। আলোকচিত্র নিয়ে থাকো!’ কিন্তু মজার বিষয়, রঘু তার কাজে অন্তঃসলিলা রেখেছিল রাজনীতিকে। ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভার যে ছবি, যেখানে পিছন থেকে দেখা যায় ইন্দিরা গান্ধীকে, সেই ছবিতে সত্যি সত্যিই শক্তি কার কাছে, এটা খুব স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

‘একটা শিল্প কোনওদিনও কেবলমাত্র ডকুমেন্টেশনের কাজে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকতে পারে না। ডকুমেন্টেশন কী? একটা ফোটোকপি-ও তো ডকুমেন্টেশন। সেটাও কি তাহলে শিল্প?’
বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসে বিশেষ নিবন্ধ…

‘বাস্তব না অবাস্তব, তার থেকেও আরও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ক্যামেরা হাতে নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবা। এবং এই ভাবনা থেকেই তৈরি হয় মানুষকে মানুষ হিসেবে না ভেবে সাবজেক্ট হিসেবে ভাবা। তাই দেখি, অবলীলায় ফোটোগ্রাফারবাবু ভিখারিকে বলছেন ভিক্ষা চাওয়ার পোজ দিতে।’

‘বাদলের সঙ্গে ‘বদল’ শব্দটা যে জুড়ে আছে, তা পরেও একবার টের পেয়েছিলাম। ফেসবুকে ওঁর একটা ছবি পোস্ট করার পর, ইংরেজির BADAL বাংলায় হয়ে গেছিল বদল। বদল সরকার। কাকতালীয়, সন্দেহ নেই; কিন্তু বিস্মিত হয়ে ভাবি, পুরোটাই কাকতালীয় কি?’

‘যে নতুন ফোটোগ্রাফারটি এই দলে ভিড়েছে, সে ক্রমশ হিংসা ও হত্যা দেখতে অভ্যস্ত হয়, প্রবল গুলি চলছে ও ডাইনে-বাঁয়ে লাশ পড়ছে, একটি লোক সামনে তড়পে মারা যাচ্ছে, তার মধ্যেই সেও অন্যদের মতোই ছবি তুলতে থাকে।’

নিজের ছবি তোলার ব্যাপারে ঋতুপর্ণ ঘোষ বরাবর ‘ভীষণ খুঁতখুঁতে; আলো, ক্যামেরা-অ্যাঙ্গেল, শরীরের ভঙ্গি, মুখের আদল, সর্বোপরি চোখের ভাষা— সবই মনমতো হতে হবে। এদিকে, সেদিন ওর মেক-আপ এবং কস্টিউম— দুটোই আমার বেশ খারাপ লেগেছিল।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.