Memoir সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল: পর্ব ৫২

‘এক মাঝরাতে খবর পেলাম, পিন্টুদা আর নেই। শরীর নিয়ে ভুগছিল অনেকদিনই, শেষমেশ লড়াই থামল। আমার ছোটবেলার অনেকখানি অংশ সেদিন ওই আগুনেই পুড়ে গেছিল। তার ছাই এখনও উড়ছে বাতাসে, তাকে আর সারাই করা যাবে না।’

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৫

এই বরিশাল শহরেই রয়েছে জীবনানন্দ দাশ সড়ক, যার আগে নাম ছিল বগুড়া রোড। তার ধারেই সর্বানন্দ ভবনে ১৯৪৬ সালে কলকাতা চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত থাকত জীবনানন্দের পরিবার। ঠাকুরদার নামে ছিল বাড়ির নাম। পরে মালিকানা বদল হলেও সেই বাড়ি পেল একেবারে জীবনানন্দীয় নাম ধানসিড়ি।

ডাকবাংলা.কম

সাক্ষাৎকার: শ্রমণা চক্রবর্তী

‘কিশোর কুমারের মূল্যায়ন করা কারওর পক্ষে সম্ভব না, কারণ ওরকম ট্যালেন্ট শুধু আমাদের দেশ বলে না, সারা পৃথিবীতেই বিরল। কিশোর কুমারের মতো গায়ক-সুরকার, আমি অন্তত আমার জীবনে দেখিনি। আধুনিক সংগীতে তো বটেই!’ শ্রমণা চক্রবর্তীর সাক্ষাৎকার…

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩৮

“তখন দুপুর দেড়টা, চান করিনি, খাইনি। সত‍্যদা বললেন, ছাড়ো তো..। বাগবাজারে ‘যুগান্তর’ অফিসে যেতে হবে, অমিতাভ চৌধুরী তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছেন। সুনীলদা বললেন, আমি তোমার বাড়িতে বলে দেব।”

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩৬

‘চিঠি এসেছিল একটা। চন্দননগর থেকে ওই পত্রলেখক কী করে যেন জেনেছিলেন আমি কাছেই শ্রীরামপুরে থাকি। গিয়েছিলাম। বৃদ্ধ পত্রলেখক, তাঁর স্ত্রী জানিয়েছিলেন, মাধো সিংয়ের গুরুদেব সন্ন‍্যাসীর সঙ্গে তাঁদের নিখোঁজ পর্বতারোহী ছেলের মুখের বড় মিল।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৫

‘বউদি বাপের বাড়ি গেল। মহিলাদের মুখে পোয়াতি কথাটা শুনেছিলাম শৈশব থেকেই। মানেটাও বুঝতাম। পুরুষ গুরুজনরা বলত গর্ভবতী, দাদু বলতেন অন্তরাবর্তী। কিছুদিন পর বউদি ফিরল কোলে বাচ্চা নিয়ে। ছেলে হয়েছিল। পিসেমশাই নাম রাখলেন সুজিত।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১৩

আমার এক বন্ধুর বাড়ি ছিল গঙ্গার ঘাট-লাগোয়া পাড়ায়। একতলা বাড়ি। ওদের চৌকির পায়া ছিল লম্বা লম্বা। বছরে বেশ কয়েকবার ভরা কোটালের জলের থেকে বাঁচতে ওদের ঘরসংসার উঠত চৌকির ওপর।

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩২

১৯৮০-র ডিসেম্বরে আমরা যখন চম্বলে পৌঁছেছিলাম, তখন ঠাকুরদের গ্রামে গণধর্ষিতা ফুলন প্রতিহিংসার আগুনে দপদপ জ্বলছেন, বদলা নেওয়ার ছক কষছেন। আর অগুনতি খুনখারাপি সেরে মালখান সিংয়ের ক্রোধ নির্বাপিত হয়েছে, সারেন্ডারের উপায় খুঁজছেন।

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন : পর্ব ৪৪

এমন মারাত্মক একটা গাম্ভীর্য আছে ওয়াশিংটন ডিসির, একলহমায় বুঝিয়ে দেয়, হুঁ হুঁ বাওয়া, যেখানে সেখানে নয়, তুমি পা রেখেছ দুনিয়া শাসনের এপিসেন্টারে। ওদিকে হোয়াইট হাউস, তো এদিকে ক্যাপিটল, সেদিকে ন্যাশনাল মিউজিয়াম তো অন্যদিকে লিংকন মেমোরিয়াল। ভেতরে ঢোকার আগেই থমকে দাঁড়াতে হয়, সবই এত বিশাল।

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৯

‘‘রিন্টুদা ছিল রোগা লম্বা, খাঁড়া নাক, বাঁটুল কার্টিং চুল। রিন্টুদা চিন্টুর জাঠতুতো দাদা। তখন দাদা-দিদিরা বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ হত, কেননা সিলেবাসে শরৎচন্দ্রের ‘মেজদা’ ছিল। সবাই মেজদা। রিন্টুদা আমাদের সঙ্গে কথা বলত না। আমরা ছোট, পুঁচকে, অর্বাচীন, গাধা, গরু, বলদ, নেংটি— আমাদের সঙ্গে কী কথা বলবে। ওই জাঠতুতো দাদা রিন্টুদা ছিল মহা গুলবাজ। পড়াশোনায় ভাল, কালীঘাটের কোনও দোষ পায়নি। কাগজে তামাক ভরে ঠোঁট বুলিয়ে বেশ কায়দা করে সিগারেট বানিয়ে খেত। তার আগে কাউকে অমনটি দেখিনি।’’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৬

‘বিছের কামড়ের জন্য নানাবিধ টোটকা প্রচলিত ছিল। যেমন পেঁয়াজের রসের প্রলেপ দেওয়া, হিং আর মধুর প্রলেপ দেওয়া ইত্যাদি। বড়দের কামড়ালে সরষে-পরিমাণ আফিম খাইয়ে দেওয়া হত। তখন আফিমের দোকান ছিল। অনেকে আফিমের নেশা করত।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৭

‘কালীমন্দির থেকে বেরিয়ে কালীঘাট বাজার পেরিয়ে ট্রামলাইনের দিকে যাওয়ার আগে দেবালয়ের ঘুড়ির দোকানের পরে একটা বিখ্যাত খাটাল ছিল। সেখানে সকাল-বিকেল অনেকেই ঘটি-ক্যান নিয়ে হাজির হত। জল ছাড়া দুধ নেওয়ার জন্য। মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল— মাঝে-মাঝেই বলত, বোতলের দুধে কী থাকে, ছেলেটার গায়ে লাগে না।’