
ভাষাসাগরের প্রবাল
‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

লেখ্য ইংরেজিতে বাংলা মাধ্যম থেকে পড়ে আসা অনেকেরই ভীষণ রকম দক্ষতা থাকলেও কথা বলা নিয়ে সমস্যা থাকে অনেকেরই। ভারতে, বিশেষত বাঙালিদের মধ্যে, ইংরেজি ভাষা নিয়ে এমন একটা দ্বিধাবিভক্তি আছে। এদেশে ইংরেজি মানুষ লিখতে শেখে আগে, আর বলতে শেখে পরে। কিন্তু ভাষা শেখার ক্ষেত্রে হওয়া উচিত এক্কেবারে উল্টো।

‘‘যে ভাষার নমুনা বা ‘corpus’ ইন্টারনেটে যত বেশি, আজকের যুগে দাঁড়িয়ে, সেই ভাষাই কাজের নিরিখে তত সফল ভাষা। যে-ভাষাকে ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য যত বেশি কাজে লাগানো হয়, স্বাভাবিকভাবেই তার ভাষানমুনা বা ‘করপাস’ হবে তত বড় এবং যে ভাষার করপাস যত বড়, সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসেবে তাকে আন্তর্জালিক মাধ্যমে তত সম্ভাবনাময়, সফল এবং শক্তিশালী ভাষা হিসেবে জায়গা দিতে হবে।’’

‘শিশিরকুমার একাধিক লেখায় ফিরে-ফিরে বলেছিলেন ‘ভাবগত আধুনিকতার’ কথা। যে-আধুনিকতা চরিত্রগতভাবে ঔপনিবেশিক নয়। যে-আধুনিকতা নিছক পাশ্চাত্যমুখীও নয়। যে-আধুনিকতার মধ্যে যুগ থেকে যুগান্তরে এক জাতের বহমানতা আছে। যে-আধুনিকতা বিশ্বজনীন।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.