
‘টক্সিক’ পৌরুষ
দক্ষিণী ছবির ক্ষেত্রে সমাজের নিচু স্তর থেকে উঠে আসা নায়ক, যারা সমাজে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে, আর তার জন্য শারীরিক নির্যাতন থেকে খুনোখুনি করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া— কোনওকিছুরই সীমা রাখছে না, তারাই এখন সিনেমার কালো ঘোড়া।

দক্ষিণী ছবির ক্ষেত্রে সমাজের নিচু স্তর থেকে উঠে আসা নায়ক, যারা সমাজে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে, আর তার জন্য শারীরিক নির্যাতন থেকে খুনোখুনি করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া— কোনওকিছুরই সীমা রাখছে না, তারাই এখন সিনেমার কালো ঘোড়া।

২৭ অগাস্ট, হৃষীকেশ মুখার্জির ২১তম মৃত্যুদিনে তাঁর বড় ছেলে প্রতীপ মুখার্জি, বড় বউমা স্বাতী মুখার্জি, নাতনি প্রিয়াঙ্কা মুখার্জি, এবং নাতজামাই নিখিল রাজপালের সঙ্গে ডাকবাংলা.কম-এর তরফে আড্ডায় বসলেন উদয়ন ঘোষচৌধুরি।

‘১৯৫৭ সালেই ‘নয়া দৌড়’ আর ‘মাদার ইন্ডিয়া’র সঙ্গে কয়েক মাসের এদিক-ওদিকে মুক্তি পেয়েছিল গুরু দত্ত-র ‘পিয়াসা’। অন্য দুটি ছবিতে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সমালোচনার পাশাপাশি সংঘশক্তিতে বলীয়ান হয়ে দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান ছিল, সেখানে ‘পিয়াসা’র কবি-নায়কও সমাজব্যবস্থার প্রতি হতাশ, বিরক্ত, বিক্ষুদ্ধ।’

কিছুদিন আগেই পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ কান চত্বরেই ফিল্ম সমালোচক সুচরিতা ত্যাগীর সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই একটি মন্তব্য করেছেন, যা অপ্রিয় হলেও অস্বীকার করার উপায় নেই। যে কোনও চলচ্চিত্র উৎসবের মতোই কানেরও মূল উদ্দেশ্য বা সম্মানের জায়গা রেড কার্পেটের বাইরে, বড়পর্দায়।

ঋত্বিকের ক্ষেত্রে প্রথম আমাকে যা আকৃষ্ট করেছিল, তা ঋত্বিকের ফর্ম। চলচ্চিত্র নির্মাণে ঋত্বিক একেবারেই বাঁধা নিয়মের বাইরে। ঋত্বিক চলচ্চিত্রজুড়ে আখ্যান নির্মাণ করেন না চেনা ছকে। সত্যজিৎ রায়ের মন্তব্য এক্ষেত্রে স্মৃতিধার্য। সত্যজিৎ বলেছিলেন, ঋত্বিক মুহূর্ত নির্মাণে অনবদ্য, মহৎ।

বিগত শতাব্দীর তিনের দশকে বোম্বাইয়ের হিন্দি চলচিত্র জগতে প্রবেশ করেছিল চার বছরের মেয়েটি। বম্বে শহরেই তার জন্ম অতি সাধারণ এক পরিবারে। মেয়েটির বাবা মাস্টার আলি

আজ শ্রাবণের এই অবিশ্রান্ত জলধারায় আমরা আর বিজন ভট্টাচার্যকে পাব না। যে বিজন ভট্টাচার্য ‘সুবর্ণরেখা’-য় বলেছিলেন, ‘ঈশ্বর, আমারে কইলকাতায় নিয়া যাবা?’ সেই কলকাতায় আমরা আর

‘‘ফিয়ার’ ছবিটির ভাবনা ও বিন্যাস, সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে, কিন্তু বিষয়টি চিরকালীন। ভয় দেখিয়ে আর ভয় পেয়ে বেঁচে থাকার ইতিহাস তো চিরন্তন। গুটিকয় মানুষের তৈরি করা ভয়ে, শিরদাঁড়া ঝুঁকিয়ে, বেঁচে থাকার গল্পের কোনও শেষ নেই।’

‘সংবাদের শিরোনাম কখনওই এই প্রশ্নকে গুরুত্ব দেয় না যে, ১১ এপ্রিল, জ্যোতিবারাও ফুলের জন্মদিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি, প্রাথমিকভাবে সেন্সর বোর্ডের সব পরীক্ষায় পাশ করলেও, শেষ মুহূর্তে এসে বাঁধার সম্মুখীন হল কেন?’

‘কালো, শুকিয়ে যাওয়া রক্তদাগ তাই আমাদের কাছে আসল ক্ষত। যে লাল টমেটো কেচাপের, তা যে রক্তের লাল নয়, রক্তে ভেজা প্রতিটি মানুষ তার হয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে।’

‘ট্রেড-বিশ্লেষক, পণ্ডিতরা, মাল্টিপ্লেক্স চেইনের মালিকপক্ষ বলছেন, নস্টালজিয়া! নস্টালজিয়া! জিয়া নস্টাল, হিয়া টুপটাপ— স্মৃতিমেদুরতার বানভাসিরাই নাকি রি-রিলিজের লাইফবোটে ভিড় জমাচ্ছেন!’

গজলের সুরারোপ বা কম্পোজিশন যে এতখানি আলাদা হতে পারে তার সমস্ত পূর্বসূরিদের চেয়ে, এতটাই আলাদা যে তাকে প্রথম শোনায় গজল ব’লে চিনে নিতেই বাধছে নিয়ম-মানা মনের, এইটে করে দেখালেন জগজিৎ সিং।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.