
সুরপঞ্চম
সংগীতের যে আবহে বড় হয়েছিলেন রাহুল দেববর্মন, তার প্রেক্ষিতে কলকাতায় তাঁর সুরকার বা গায়ক হিসেবে পদার্পণ মোটেই অস্বাভাবিক নয়। তাছাড়া এই শহর তো তাঁর একান্ত আপনার— এ শহর জানে তাঁর প্রথম সব কিছুই !

সংগীতের যে আবহে বড় হয়েছিলেন রাহুল দেববর্মন, তার প্রেক্ষিতে কলকাতায় তাঁর সুরকার বা গায়ক হিসেবে পদার্পণ মোটেই অস্বাভাবিক নয়। তাছাড়া এই শহর তো তাঁর একান্ত আপনার— এ শহর জানে তাঁর প্রথম সব কিছুই !

দর্শক হিসেবে হার মানতে বাধ্য হলাম শ্রীরাম রাঘবন ও তাঁর লেখক টিমের কাছে। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, যুদ্ধ আসলে কী? শত্রুপক্ষ আর সৈন্যের জবরজং ইউনিফর্মের ভেতরে থাকা মানুষটার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারা কি একজন সৈন্য ওরফে মানুষের কাজ নয়? যুদ্ধের সময়ে যথানির্দেশ আক্রমণ হানা অথচ জয়ে বা পরাজয়ে আনত হওয়া কি একজন সৈন্য ওরফে মানুষের কাজ নয়?

‘কী হত যদি ‘শোলে’ নির্মিত হত আজকের দিনে? আজকের দর্শকও তো ভিন্ন। এ-দর্শক অনেকটা গঠিত ‘জেনারেশন জেড’দের নিয়ে। এদের মানসিকতা, চাহিদা, প্রযুক্তি-নির্ভরতা, রসবোধ, দুনিয়া সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টতই আলাদা।’
শোলে-র ৫০ বছর পূর্তিতে বিশেষ নিবন্ধ…

‘নতুন সহস্রাব্দে এসে শহুরে ভারতের চেহারা পাল্টে গেল। প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প, মাল্টিপ্লেক্স সংস্কৃতি এবং বিশ্বায়িত অর্থনীতি নিয়ে এল নতুন প্রজন্মের গল্প, যেখানে প্রেম আর কেবল মিলনের গল্প নয়, বরং ভাঙন, প্রশ্ন, আত্মঅন্বেষণ ও ব্যক্তিগত সুখের সন্ধানের কাহিনি।’

“১৫ অগাস্ট, ১৯৭৫। আগের দিন সন্ধে থেকে বোম্বাই শহরে নেমেছে দৃষ্টিহারানো বৃষ্টি। দেড় হাজার আসনের মিনার্ভা-সহ বম্বে ও মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশে মুক্তি পেল ‘শোলে’। ৭০ মিলিমিটারের প্রিন্ট চলবে মিনারভা এবং এক্সসেলসিয়র হলে; বাকি হলে ৩৫ মিলিমিটারের প্রিন্ট।”

২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল আনন্দ এল রাইয়ের ‘রাঞ্ঝনা’। দু’হাত তুলে, আউলা হয়ে, একসময়কার প্রেমিকার পিছনে পড়ে থেকে, তার জীবনটা ভাজা-ভাজা করে দেওয়ার পর, নিজেই কষ্টমষ্ট

বিগত শতাব্দীর তিনের দশকে বোম্বাইয়ের হিন্দি চলচিত্র জগতে প্রবেশ করেছিল চার বছরের মেয়েটি। বম্বে শহরেই তার জন্ম অতি সাধারণ এক পরিবারে। মেয়েটির বাবা মাস্টার আলি

‘সমাজ মাধ্যমের তীব্র ক্ষমতার যুগে, একটা ‘কান্নাকাটি’র ভিডিও ভাইরাল করে দিতে পারলেই যারা পরে সিনেমাটা দেখতে যাবে, তারাও একই আবেগের মধ্যে দিয়ে যাবে। মানুষের যুক্তিবুদ্ধি কাজ করবে না।’

‘আমজাদ খানের খুব দুর্ভাগ্যজনক একটি দুর্ঘটনা হয়। ওঁর শারীরিক কসরতের ক্ষমতা চলে যায়, যা একজন অভিনেতার অ্যাসেট। ওজন ক্রমশ ওঁর হাতের বাইরে চলে যেতে শুরু করে। অথচ, এই ভদ্রলোক কিন্তু অল্প সময় কাজ করেই যা যা অর্জন করেছেন, তা অনস্বীকার্য।’

‘‘বিষাদকে সিনেমায় মহৎ করে তোলেন গুরু দত্ত। ‘পেয়াসা’ বা ‘কাগজ কে ফুল’ হয়তো সমসময়ে সেই মাপের স্বীকৃতি পায়নি, কাল্ট হয়ে উঠেছে পরে, ধীরে ধীরে, কিন্তু কেবল ভারতীয় নয়, বিশ্ব সিনেমার ইতিহাসেও, এই দুটো ছবি আর্কাইভে থেকে যাবে।’’

‘অমৃতসরের গলিতে রফির পাড়ায় এক ফকির আসতে গান গাইতে-গাইতে মাধুকরী করতে। সেই ফকিরের সুরে আচ্ছন্ন রফি হাঁটতেন তাঁর পিছন-পিছন। মন থেকে তাঁকেই নিজের গুরু ভেবেছিলেন ছোট্ট রফি।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.