
কয়েকটি কবিতা
‘না-জানে তোমার মুখ, এমনই তো গান/প্রতিটি বিচ্ছেদ জেনো প্রেমের সমান/ছেড়ে যেতে ফের ঘুরে ডাকে,/আমাদের অবসাদে ফুটে থাকা ফুল/জাহাজের মৃতদেহ। জলের মাসুল।/
ছোঁব, তবু পাব না তোমাকে।’

‘না-জানে তোমার মুখ, এমনই তো গান/প্রতিটি বিচ্ছেদ জেনো প্রেমের সমান/ছেড়ে যেতে ফের ঘুরে ডাকে,/আমাদের অবসাদে ফুটে থাকা ফুল/জাহাজের মৃতদেহ। জলের মাসুল।/
ছোঁব, তবু পাব না তোমাকে।’

বেঁচে থাকার গান এতবছর বাদেও সমানভাবে জনপ্রিয়! কিন্তু এই গানের গল্প অনেকেই জানেন না আজও…

“প্রীতিলতা মারা যাওয়ার পর ‘দ্য ইংলিশম্যান’ পত্রিকায় তাঁকে ‘সাহসী (courageous)’ এবং ‘নির্ভীক (bold)’ বলা হয়। অদ্ভুত বিষয় হল, বাংলা ভাষার নাম করা এক পত্রিকা, যার দ্যুতি প্রায় শতক পার করবে, সেখানে কিন্তু এই অভিযানের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ থাকলেও কোনওরকম অভিমত প্রকাশ করা হয়নি প্রীতিলতার পক্ষে।”

‘শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস অনেকটা দাঁতের লড়াইয়ের ইতিহাস। বুদ্ধের দাঁত এনেছিলেন কলিঙ্গ থেকে হেমা মালি বলে একজন রানি। সেটা প্রথমে ছিল অনুরাধাপুরমে, তারপর পোলোনারুয়ায়, তারপর এখন ক্যান্ডিতে। ক্যান্ডি লেকের ধারে রাজার প্রসাদ। তার মধ্যে বুদ্ধের দাঁতের ওপর তৈরি হয়েছে মন্দির।’

‘সমগ্র স্টেডিয়াম ছিল বিরুদ্ধে, ঐতিহাসিক সোনাজয়ের লড়াইয়ে চুনী-পিকে-জার্নেলদের হয়ে হয়ে গলা ফাটালেন পাক হকি তারকারা।’
১৯৬২-র জাকার্তা এশিয়ান গেমসের ফুটবল ফাইনাল নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

“শ্রোতা থেকে শ্রোতৃমণ্ডলীর মধ্যে প্রবল সাড়া জাগিয়ে, ‘দেবীং দুর্গতিহারিণীম’ বিশেষ অনুষ্ঠানটি ২৩ সেপ্টেম্বর, মহালয়ার ভোরে, চারটে থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত প্রচারিত হল। প্রথমে গুঞ্জন, তারপর বেলা বাড়তেই তা বিক্ষোভের আকার নিল। গঙ্গার ঘাটে তর্পণে আসা লোকজনরা অসন্তুষ্ট।”

‘রাজনৈতিক রণাঙ্গণে বহু রক্তপাত ঘটিয়ে, অনেক অশ্রুপাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে যাবতীয় বৈপ্লবিক প্রচেষ্টা। কিন্তু মেয়েরা বাংলার সমাজক্ষেত্রে একটি নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে বিগত তিন-চারটি দশকে।’
‘সংবাদ মূলত কাব্য’। পর্ব ১৯

‘কেন কে জানে, যে-শব্দের মধ্যে একটা দার্শনিক বিস্তার বা ব্যঞ্জনা আছে, তা কখনও কোনও বাধা, বিপত্তি মানে না। সে ‘সুরের দেশভাগ হয় না’-র মতো ভাবনাই হোক কিংবা আকাশে ‘তুক্কল’ ঘুড়ির উড়ান।’

‘এছাড়া লোককে ভক্তিতে তটস্থ রাখার জন্য সামান্য কিছু দড়িদড়ার জোগাড় দেখতে হয়, নিষেধের পেরেক বিছিয়ে রাখতে হয়, যাতে সে সিধে সজাগ হয়ে চলে। আসল বার্তা হল: সবাইকে ভালবাসো, বিশেষত নিজের ধর্মকে। এবং সেই অনুরাগ জঙ্গি হওয়াই ভাল।’

‘পল স্তানিল্যান্ড বলছেন, নিউ পলিটিক্স অফ ইনস্টেবলিটি, অস্থিরতার নব্য রাজনীতি। স্থিতিশীলতার ভেতর দুর্নীতি আছে, রাষ্ট্রীয় পচন রয়েছে, তাই অস্থিরতাই সম্বল এই নতুন রাজনীতির? কিন্তু তারপর? এমন তো নয়, এই নতুন অস্থিরতার রাজনীতিই বিশ্বব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করবে।’

রাষ্ট্র থেকে মানুষ আরেকটু কম নিষ্ঠুর হলে কি পৃথিবীটা আরও সুন্দর হত?

‘প্রবীণ বয়সে আর্থিক স্বাবলম্বন ও আত্মবিশ্বাস থাকলেও যদি সম্পর্ক সেই আবেগী সংযোগ দিতে ব্যর্থ হয়, তবে বিচ্ছেদকে আত্মরক্ষার উপায় হিসেবে দেখা হয়।’
গ্রে-ডিভোর্স নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.