পত্রিকা

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২২

‘আইনস্টাইন কিন্তু যুদ্ধের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন, নিউক্লিয়ার অস্ত্র নিয়ে অনুশোচনা করেছিলেন। সেটা কি রাজনীতি নয়? স্লোগান দিলেই রাজনীতি ছোট হয়ে যায় আর চুপ করে ল্যাবরেটরিতে থাকলেই মানুষ বড়— এটা কার বানানো ধারণা?’

Representative Image
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৫

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে দেবী রায় ও অরুনেশ ঘোষের চিঠি।

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ২৭

‘‘অট্টালিকার মাথায় ময়ূর, ঝূপড়ি ঘরের চালে ময়ূর। নীল-বেগনি ময়ূরের ইতিউতি সংখ‍্যায় অল্প গাঢ় খয়েরি, যেন হতশ্রী ময়ূরও দেখেছি। তবে ওই নীল বেগনির বর্ণময় ময়ূর, আহা কী সুন্দর! ‘ময়ূর, বুঝি-বা কোনও সূ্র্যাস্তে জন্মেছো।’’’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ২

‘তখন সিনেমা হলের পাস ছিল। আর উজ্জ্বলার চানাচুর ছিল। এখন উজ্জ্বলা হল নেই, কিন্তু চানাচুর আছে। মন্টু বোস নেই, কিন্তু বসুশ্রী আছে। মন্টু বোসের মতো কোনও সিনেমার মালিকের এমন দেখনদারি ব্যক্তিত্ব ছিল না। ছোটখাট, গোলগাল, সাদা ধুতি আর গিলে-করা পাঞ্জাবি পরা মানুষটার সিগারেটে টান যারা দেখেছে, তাদের চোখে লেগে আছে।’

রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৪

‘১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর স্ট্রিটে অবস্থিত ওয়েসলেয়ান মেথডিস্টদের এই উপাসনালয়টি আগে ওয়েসলেয়ান মেথডিস্ট চার্চ নামে পরিচিত ছিল, তবে বর্তমানে এটির নাম সি.এন.আই ওয়েসলেয়ান চার্চ। এই চার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশি  উদবাস্তুদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।’

আব্দুল কাফি

সিন্ধুপারের সুফি : পর্ব ৫

জনতার কাছে তাঁর গান আরামের মতো, আপ্যায়নের মতো, শুশ্রূষার মতো এসে পৌঁছয়। ধর্মীয় নেতাদের দেখানো ইসলামে তাঁর আস্থা নেই বোঝাই যায়, তিনি রুমির শিষ্য, মনসুর হাল্লাজের উত্তরপুরুষ, হাল্লাজের মতোই তিনি দৃঢ়ভাবে জানাতে পারেন, আমি-ই সব, আমরা-ই সমস্ত জুড়ে আছি, আমরা সবাই, সব আমি-ই আসলে তিনি।

Representative Image
উদয়ন ঘোষচৌধুরি

সাক্ষাৎকার: বিপুলজিত বসু

‘‘এই ধরনের কাজে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল ছোট-ছোট ‘মোমেন্ট ক্যাপচার করা’। কোথাও কখনও টেকনিক্যাল ভুলচুক হলে ‘রি-টেক’ করার কোনও জায়গা নেই।‘এন-জি’ বলে এখানে কিছু হয় না। সাউন্ড বা লাইটের কোনও সমস্যা হলে সেটা আবার ঠিক করতে পারবে না। কারণ, ওই মুহূর্তটা বেরিয়ে গিয়েছে।’’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক : পর্ব ১০৪

ডোনাল্ড ট্রাম্প শেখালেন, ক্ষমতার চক্ষুলজ্জা থাকতে নেই। তিনি দেখিয়ে দিলেন, হত্যায় অভিযুক্তকেস সরাসরি হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো যায়। এ থেকে কি আমরা বুঝতে পারি যে, শাসক নিজের সুবিধার্থে যে-কোনও অপরাধীকেও তার আঙিনায় ঠাঁই দিতে পারে?

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন পর্ব: ৩৯

‘‘কথার কিন্তু নড়চড় হয়নি একদিনও। যত জটিলই হোক সেই কাগজ তৈরির পদ্ধতি, নিউ ইয়র্ক-কলকাতা-নিউ ইয়র্ক-লং আইল্যান্ড চেন ছিল পারফেক্ট। নিউ ইয়র্কে বসে লেখা হচ্ছে খবর, তোলা হচ্ছে ছবি, পাঠানো হচ্ছে কলকাতায় ‘আজকাল’ দপ্তরে লে আউটের জন্য।’’

Representative Image
শুভ রায়চৌধুরী

‘সময়’-এর ভাস্কর

‘তবে চলচ্চিত্র-নির্মাতার কাছেও দেখার দু’টি পথ খোলা থাকে। একটি আপেক্ষিক, যা দৃশ্যকে শুধু গল্পের প্রয়োজনে ব্যবহার করে; অন্যটি পরম, যা দৃশ্যকে তার নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকু দেয়। বেলা টারের চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ঘটে।’

প্রতীক

উমর, শার্জিলকে খোলা চিঠি

“উমর, তোমার বাবাকে দেখলাম কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে। তাঁকে দেখে মনে পড়ল রামায়ণ, মনে পড়ল বৃদ্ধ দশরথের কথা। হয়তো মনে পড়ত না, যদি আমার ভাষার কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়, রাজনীতি করা এক ছেলের বাবার জবানিতে না লিখতেন, ‘ফেলে রেখে আমাকে বন্ধনে/মুক্তির লড়াই লড়বে বলে/ছেলে গেছে বনে।’”

সৌরীশ ঘোষ

অপহরণের নেপথ্যে

আজকে যেভাবে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাদুরো-কে অপহরণ করা হল, তা শুধু আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী নয়, এটি হল জাতিসংঘের সনদের ওপর সজোর কষাঘাত। খুল্লমখুল্লা বুঝিয়ে দেওয়া যে, ক্ষমতাশালীদের আইনের তোয়াক্কা করার দরকার নেই।