হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল : পর্ব ৩১
‘আজ বুঝি, কোনও শিল্পই একা পুরোপুরি উপভোগ করা কঠিন। পাশে আরেকজন সমঝদার কেউ থাকলে তার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার যে একখানা আলাদা মজা, সেটা থেকে বঞ্চিত হলে যেন শিল্পেরও কিছুটা অধরাই থেকে যায়।’
‘আজ বুঝি, কোনও শিল্পই একা পুরোপুরি উপভোগ করা কঠিন। পাশে আরেকজন সমঝদার কেউ থাকলে তার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার যে একখানা আলাদা মজা, সেটা থেকে বঞ্চিত হলে যেন শিল্পেরও কিছুটা অধরাই থেকে যায়।’
নিজের বাড়ি, বাবা-মা, বন্ধুদের ছেড়ে অন্য শহরে চলে যাওয়া যে শুধুই একাকীত্বের জন্ম দেয় তা নয়; সেই যন্ত্রণা শিল্পীর অন্দরমহলে জন্ম দেয় শব্দের ও সুরের। নিজের শিকড়ে ফিরে যাওয়ার সেই কথাই বলে ‘তিস্তান’। এবারের পর্বে রইল সেই গানের গল্প।
মানুষ স্বাধীন না বৃহত্তর ক্ষমতার অধীন তা যুগে-যুগে তাত্ত্বিকদের ভাবিয়েছে। আজকের দুনিয়াতে কর্তৃপক্ষের নজরদারি হয়তো অনেক অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে সাহায্য করছে, কিন্তু একই সঙ্গে আমার-আপনার স্বাভাবিক, স্বাধীন আচরণকে কি দমন করছে না?
হারিয়ে যাওয়া কথাগুলো প্রাণ পায় তাঁর কবিতায়; যা জলের মতো সরল, ভালবাসার মতোই আন্তরিক। আজকের পর্বে ফিরে দেখা তাঁকে— তিনি বাংলা কবিতার অন্যতম কারিগর ও চিন্তক ভাস্কর চক্রবর্তী।
‘আমি পানশালা থেকে বেরিয়ে,/ হাসপাতাল থেকে মুখ ঘুরিয়ে/
কী এক অলীক কৌশলে নেমে পড়ছি সেখানে
আর ভুলে যাচ্ছি,/
বিস্মৃতি ও ছলনা ছাড়া নতুন সভ্যতা হয় না।’

শায়েরি যে তার প্রশ্নবাণে বিরক্ত তা বুঝতে পেরেও অ্যান্টনি নিরুপায়। তবুও শায়েরির মান ভাঙানোর জন্য অ্যান্টনি তার সঙ্গে মুখোমুখি দেখা করবে ঠিক করে; কিন্তু শায়েরি কি আসবে দেখা করতে?
‘পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে এমন ছবি করা হচ্ছে যেখানে ছেলে ছেলেকে চুমু খাচ্ছে, রূপান্তরকামীর অধিকারকে সমর্থন জানানো হচ্ছে, এমনকী বাড়ির বউয়ের যৌনতেষ্টার কথাও বলা হচ্ছে— শুধু এই সাহসের জন্য নয়, ছবিটা বিশিষ্ট কারণ এতে আছে দরদ।’
পার্থের সাহিত্যবাসর থেকে সিডনির জাদুঘর ভ্রমণ— সেবারের বসন্ত নিয়ে এসেছিল নবীন পাতা, নতুন আলাপ। এতবার যাওয়া হল; তবু বিমূর্ত শিল্পকলার মতো প্রতিবারই নতুন করে চেনা হয় সেই দেশ, নতুন মানে খুঁজে পাওয়া যায় ভ্রমণের, জীবনের!

সিনেমার এক্সট্রা থেকে ব্রিজের শ্রমিক, সকলে জানেন তাঁদের নাম কেউ জানবে না, কাজের বড় স্বীকৃতি তাঁরা পাবেন না, তবু তাঁরা নিজেদের কাজ নিষ্ঠাভরে করে যান। কখনও বড় কবি নিজের ভাবনা মহাভারতে প্রবিষ্ট করে নিরভিমানে সরে যান, ব্যাসদেবের কীর্তি প্রচারিত হয়।

পার্টিতে গাঁজায় সুখটান দিয়ে অ্যান্টনির অবস্থা খারাপ। তার উপর ইকবাল যে ফ্রড, তাতে অ্যান্টনির কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু তার সন্দেহের কথা কি সে শায়েরিকে বলার সুযোগ পাবে যখন লালু-ভুলু সারাক্ষণ শায়েরির পিছনে ছায়ার মতো ঘুরছে?

‘এখন পাশ্চাত্যে থ্যাংকসগিভিং চলছে, গোড়ায় নাকি তা শস্যফলনের জন্য ধন্যবাদ-প্রদান অনুষ্ঠান ছিল, ইদানীং নির্দিষ্ট গণ্ডি নেই, সামগ্রিক ধন্যবাদের পরব। টার্কি খাও, আত্মীয়দের সঙ্গে হল্লা মচাও, এবং ঈশ্বর ও পৃথিবীকে কৃতজ্ঞতা জানাও।’
‘কারও হয়তো বইয়ের দোকান, কেউ চালান মুদিখানা। কিন্তু কালীপুজোর দশ দিন আগে থেকে সকলের দোকানের বাইরেই বাজির ছোটখাটো সম্ভার। আর তখন বই হোক বা মুসুর ডাল, সবকিছুর চেয়ে বাজি বিক্রি হত বেশি।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.