থালা-বাটি-সমাজ

‘‌পথের পাঁচালী’ থেকে ‘‌আগন্তুক’‌ অবধি সত্যজিতের লম্বা সিনে-সফরে খিদে, খাবার আর খাবারের রাজনীতিটা নানা ভাবে এ-কোণ সে-কোণ দিয়ে বারবারই ঢুকে পড়েছে। ‌সত্যজিৎ জানতেন, রান্নার ধরন, কী রান্না হচ্ছে, সেই রান্না করা খাবার কীভাবে পরিবেশন হচ্ছে, এবং বিভিন্ন চরিত্র সে খাবার কীভাবে খাচ্ছে, এ-ব্যাপারগুলো একটা গোটা অঞ্চল, সেই অঞ্চলের জীবন-যাপন-সংস্কৃতির পরিষ্কার ছবি তুলে ধরে।’ সত্যজিতের ছবিতে খাদ্য রাজনীতি ও সমাজ।

পঞ্চাশেও ব্যাটিং ধন্যি মেয়ের

‘‌শুধু হাফসেঞ্চুরি নয়— সিনেমা দেখানোর বাংলা চ্যানেলে টি আর পি-র হিসেবমতো এখনও ব্যাপক ‘‌ব্যাটিং’!‌ মানে অপরাজিত ৫০। ছবির কনটেন্ট ও গড়নে ফুটবলকে এতটা সম্পৃক্ত করে কোনও সিনেমা ‘‌ধন্যি মেয়ে’‌র আগে বা পরে বাংলায় তৈরি হয়নি।’‌ বাঙালির আবেগের সিনেমা।

কিছু দূরত্ব কিছু যুদ্ধ

‘‌বুদ্ধদেব এই লম্বা সময়টা জুড়ে যেন একটাই ছবি বানিয়ে গেছেন বিভিন্ন পর্বে। সিনেমার হাড়ে-মাংসে, মানে ফর্ম আর কনটেন্টে এভাবে আমূল পাল্টে যাওয়ারও অবশ্যই একটা দর্শন আছে। শুধুই প্রকৃতি, পরিবেশ, স্মৃতি আর প্রান্তিক জীবন দিয়ে যাকে ব্যাখ্যা করা যাবে না।’‌ চলচ্চিত্রের মূল্যায়ন।

এক নাগরিক রূপকথা

‘তিলোত্তমা ছাড়া রোহেনার ছবিটা হতই না। গোটা ছবিটা জুড়েই তিনি তাঁর আশ্চর্য স্বাভাবিকতা দিয়ে রূপকথার রোমান্স আর গ্ল্যামারের মোকাবিলা করেছেন। কিন্তু ‘ইজ লাভ ইনাফ স্যার?’ তো শেষ অবধি রূপকথাই!’ সিনেমার সমালোচনা।