শুভঙ্কর দে প্রকাশক, লেখক। দে’জ পাবলিশিং ছাড়াও ‘কমলিনী’ প্রকাশনের যাবতীয় গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে। সবাই ‘অপু’ নামেই চেনেন তাঁকে। ঝুলিতে নানান মজার-মজার গল্প নিয়ে ঘুরে বেড়ান। জীবনের লক্ষ্য একটাই, কী করে একের পর এক ভাল বই বের করা যায়।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
লেখেন মূলত নিবন্ধ, কলাম, উত্তরসম্পাদকীয় ও ছোটগল্প। যৌনসংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক মানুষ, স্কুলশিক্ষা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, নৃত্য ও সিনেমা তাঁর বেশিরভাগ লেখার বিষয়। অনুবাদকর্মের সঙ্গেও বহু বছর যুক্ত।
শঙ্খদীপ ভট্টাচার্য গল্পকার, প্রাবন্ধিক। পেশায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তিনটি প্রবন্ধ-গ্রন্থের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর দুটি গল্প সংকলন। ‘মানুষ সমাজ প্রকৃতি : একটি দেশকালিক বীক্ষণ’ বইটির জন্য ২০২২ সালে পেয়েছেন নমিতা চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান। অবসরে লেখকের পছন্দ ছবি আঁকা। বেড়ালের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসেন।
অনির্বাণ ভট্টাচার্য কবি, গদ্যকার। বর্তমানে দূরদর্শন কেন্দ্রে প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত। প্রকাশিত কবিতার বই ‘সন্ত নিকোলাসের হাড়গোড়’ (২০১৫) এবং ‘ছেঁড়া কাঁথা, অনন্ত সৎকারগাথা’ (২০১৬)। শখ– চলচ্চিত্র, তিকিতাকা ফুটবল, কান্ট্রি মিউজিক এবং প্রাচীন মন্দির-স্থাপত্যরীতি নিয়ে পড়াশোনা।
বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগের উপ-পরিচালক (প্রকাশন)। ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র প্রাক্তন চিফ সাব এডিটর। ভারত সরকারের পরিভাষা কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। বিশেষ আগ্রহ গ্রন্থনির্মাণ এবং গ্রন্থবিদ্যায়। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ, সাহিত্য, সংগীত এবং চলচ্চিত্র নিয়ে নিয়মিত নিবন্ধ লেখেন সংবাদপত্র ও সাময়িকীতে।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল’ পত্রিকার একজিকিউটিভ এডিটর। নিয়মিত কলাম লেখেন ব্রিটিশ দৈনিক ‘মর্নিং স্টার’-এ। স্বাধীন সাংবাদিক হিসেবে দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছেন। বাংলাদেশ নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে তদন্তমূলক সাংবাদিকতা করে চলেছেন।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, নাট্যকর্মী ও সংগীতকার। তরুণ প্রজন্মের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ। বেশ কিছু সিরিজ ও চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে। প্রবন্ধ ও ফিচারও লেখেন পত্রপত্রিকায়। যুক্ত শান্তিপুর সাংস্কৃতিক নাট্যদলের সঙ্গে। কাজ করেছেন বাংলা ছবির সহ-পরিচালক হিসেবেও।