আবীর কর বিশ্বভারতী-র বাংলা বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও গবেষক। বর্তমানে ঝাড়গ্রামের জামবনি বাণী বিদ্যাপীঠের শিক্ষক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘সহজ পাঠ : বই-চিত্র’, ‘ভোটের রঙ্গ-রসিকতা’। সম্পাদিত বই : ‘অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিত্রাক্ষর ও অন্যান্য’, ‘উনিশ শতকের বিস্মৃত বাংলা প্রাইমার’। পছন্দের বিষয় রবীন্দ্রনাথ, পুরনো পত্রপত্রিকা।
সপ্তর্ষি রায় বর্ধন-এর জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই কলকাতায়। ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠ ভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। গত তিরিশ বছর ধরে আর্থিক-পরিষেবা ক্ষেত্রে কর্মরত; সঙ্গে সমান্তরালে চলেছে লেখাজোখা। আত্মীয়পরিজন, বন্ধু, সুজনদের সঙ্গে হইচই করে জীবন কাটিয়ে দেওয়াতেই ভাল লাগা। প্রকাশিত দুটি বইয়ের একটি বায়োগ্রাফি ‘রূপকথার মতো’ (২০২৩); অপরটি অণুগল্পের সঙ্কলন ‘খেয়ালের খেরো খাতা’ (২০২৪)।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
কলকাতার রাস্তাঘাটে যত বড় বিজ্ঞাপনের ব্যানার দেখা যায়, তার অধিকাংশ ছবিই সঞ্জীব ঘোষের তোলা। বিজ্ঞাপন দুনিয়ায় তাঁর অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের। এছাড়া, নানাবিধ বিষয়ে তিনি ছবি তোলেন, পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। বেশ কিছু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন সঞ্জীব।
অম্লান দত্ত পুনে ফিল্ম স্কুলের ছাত্র ছিলেন, বেশকিছু জনপ্রিয় টিভি শোর ডিওপি তিনি; পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যচিত্র তিনি নির্মাণ করেছেন। তাঁর প্রযোজনা সংস্থার নাম এনিম্যাজিনিয়ার।
বিশ্বনাথ আচার্য টলিউডের নবীন স্থিরচিত্রগ্রাহক; বয়সে ও অভিজ্ঞতায় নবীন হলেও কাজ করে ফেলেছেন, বেশ কয়েকজন কিংবদন্তী পরিচালকদের সঙ্গে। ঋতুপর্ণ ঘোষের জীবনে, শেষ তিনটি চলচ্চিত্রের স্থিরচিত্র তাঁরই তোলা।
চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িয়ে, কাজ করেছেন অসংখ্য বিজ্ঞাপনী ছবিতে। সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে বহু কিংবদন্তী অভিনেতা ও পরিচালকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন, বর্তমানে সেই ধারা বহমান। একটা দীর্ঘ সময়ের সাক্ষী তিনি।
শুভময় মিত্র ফোটোগ্রাফার, চিত্রকর, গদ্যকার, ভ্রমণবিলাসী। কিন্তু তাঁর সর্বাধিক পারদর্শিতা যে কাজে, তা হল, চব্বিশ ঘণ্টা হো-হো করে হাসা ও কোনও কিছুকেই সিরিয়াসলি না নেওয়ার ভঙ্গি করা। খুব মন দিয়ে জীবনটাকে দেখা ও চাখা তাঁর নিত্যকর্ম, এবং সেই জন্যই বোধহয়, কেউ চাকরি, তকমা বা দায়িত্ব দিতে চাইলেই পিছলে বেরিয়ে যান।
দিন গুজরানের তাগিদে ব্যাঙ্কে কাজ করেন আর নিজের মতো বাঁচার তাগিদে সুযোগ পেলেই শহর থেকে পালিয়ে যান, আর গিয়ে থামেন হয় হিমালয়ের অন্দরে কন্দরে বা অনামী কোনও এক নিস্তরঙ্গ গ্রামে। পাশ্চাত্য সংগীতের ভক্ত তমালের প্রিয় নেশা বই পড়া, গিটার বাজানো আর ছবি আঁকা। মুজতবা আলীর ভক্ত, তাঁর গুরুর মতোই আড্ডা দিতে আর জীবনকে উদযাপন করে বাঁচতে ভালবাসেন।