বিজলীরাজ পাত্র প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। যৌনতা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে এমফিল করেছেন সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটা থেকে। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পিএইচডি করছেন ‘গ্রন্থ ইতিহাস’ বিষয়ে। আগ্রহের বিষয়: পুথি সংস্কৃতি, প্রাগাধুনিক সাহিত্য, যৌনতার ইতিহাস, পর্নোগ্রাফি, বৌদ্ধিক ইতিহাস, ভিজুয়াল কালচার।
শিল্পী, চলচ্চিত্র সম্পাদক, চিত্রগ্রাহক ও প্রাবন্ধিক। সামাজিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি যুক্ত আছেন গবেষণাধর্মী পত্র-পত্রিকা এবং শিল্পী সংগঠনের সাথে। তার নির্দেশিত এবং সম্পাদিত তথ্যচিত্র দেখানো হয়েছে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে।
বর্তমানে ক্রিয়া ইউনিভার্সিটি-তে স্কুল অফ ইন্টারওভেন আর্টস অ্যান্ড সাইন্সেস-এ অধ্যাপক। দিল্লির আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব লেটারস-এর প্রাক্তন অধ্যাপক। পড়াশোনা কলকাতার সেন্ট জ়েভিয়ার্স কলেজ, দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও ফিল্ম স্টাডিজ় বিভাগে। প্রকাশিত বই 'উত্তম কুমার: আ লাইফ ইন সিনেমা' (২০২১)। সিনেমা, রাজনীতি আর সংস্কৃতির বিভিন্ন গতিপথ নিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নালে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
জলপাইগুড়ির প্রসন্নদেব মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করেন। মূলত গল্পকার। গল্পের পাশাপাশি নিবন্ধ, প্রবন্ধ লিখে থাকেন এবং অনুবাদ করে থাকেন। সম্পাদিত ও অনূদিত বই, 'অর্ধেকের খোঁজে: ভারতীয় নারীর হাজার বছরের নির্বাচিত কবিতা'।
একরাম আলি কবি, গদ্যকার, প্রাবন্ধিক। প্রকাশিত কবিতার বই : ‘অতিজীবিত’, ‘ঘনকৃষ্ণ আলো’, ‘আঁধারতরঙ্গ’, ‘বিপন্ন গ্রন্থিপুঞ্জ’, ‘পোড়া মাটির ঘড়ি’ প্রভৃতি। প্রবন্ধের বই : ‘মুসলমান বাঙালির লোকাচার’, ‘অ্যাপোলোর পাখি’ এবং ‘বেদনাতুর আলোকরেখা’। ‘ধুলোপায়ে’ এবং ‘হ্যারিসন রোড’ তাঁর দুটি স্মৃতিকথার বই। পেয়েছেন বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার এবং পশ্চিবঙ্গ বাংলা আকাদেমি সম্মান।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
চলচ্চিত্র নির্মাতা। বর্তমানে বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। তাঁর প্রথম ছবি ‘বিলু রাক্ষস’ দর্শকমহলে রীতিমতো সমাদৃত হয়েছিল। শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘নীহারিকা’ বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সাড়া ফেলেছে, জিতেছে বেশ কিছু পুরস্কার। আসন্ন ছবি ‘গুডবাই মাউন্টেন’, ‘গাজনের ধুলোবালি’।
স্ট্যান্ড আপ কমেডি শিল্পী, ফিচার লেখক, চিত্রনাট্যকার ও নির্দেশক। নির্দেশনা করেছেন ‘ভিঞ্চি ভারতী অ্যাকাডেমি’ শীর্ষক একটি ওয়েব সিরিজ, লিখেছেন বেশ কিছু সিরিজের চিত্রনাট্য। অনুবাদ করেছেন নাটকও।
‘আজকাল’ পত্রিকার দীর্ঘদিনের সাংবাদিক। প্রাবন্ধিক। বিবিধ বিষয়ে লেখালিখি করেন। বিজ্ঞান ও ভ্রমণ বিষয়ে তাঁর লেখা রীতিমতো জনপ্রিয়। প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে বিখ্যাত, ‘উপেক্ষিত অভিধান নায়ক: জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস’, ‘জাদুসম্রাট গণপতি ও বাঙালির জাদুচর্চা’।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর। আপাতত গবেষণা ও সম্পাদনার নানা কাজে রত। গান তুমি হও (কবীর সুমনকে নিয়ে সংকলন), ঋতুপর্ণ এবং (ঋতুপর্ণ ঘোষকে নিয়ে সংকলন) তাঁর সম্পাদিত বই।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।