
অভয়বাবুর ভয়
এই যে অভয়বাবু বলেছিলেন ‘পারা যাচ্ছে না’, তার কারণ তিনি ভয় পাচ্ছিলেন। কৌস্তভকে বিচক্ষণ প্রমাণ করে চেঞ্জ তো হয়েছে, কিন্তু অভয়বাবুর ভয় কাটেনি। ভয়টা ছোট মেয়ের জন্য।

এই যে অভয়বাবু বলেছিলেন ‘পারা যাচ্ছে না’, তার কারণ তিনি ভয় পাচ্ছিলেন। কৌস্তভকে বিচক্ষণ প্রমাণ করে চেঞ্জ তো হয়েছে, কিন্তু অভয়বাবুর ভয় কাটেনি। ভয়টা ছোট মেয়ের জন্য।

আপাত-উদ্ভট সংলাপ কিংবা ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে তুলে আনা, প্রতীক-অবচেতন-কল্পনার অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলি, পরাবাস্তববাদ, যৌনতার নতুন প্রকাশ, শব্দ নিয়ে খেলা— এগুলোই বলরাম বসাকের ছোটগল্পের মূল ভিত্তি। বিপন্নতার অজস্র টুকরো তাঁর বইয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

‘এমন গল্পকে মার্ক্সের চোখ দিয়ে দেখাই দস্তুর। এমন গল্পকে অর্থনীতির চোখ দিয়েও দেখা যেত। কিন্তু আমরা যদি এই এক আনাটাকে একটা ডিসরাপশান— ব্যাঘাত হিসেবে দেখি?’

১৯৮০ সালে রাজশেখর বসুর জন্মশতবর্ষে, যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধিকে রাজশেখর বসু সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী। সেটিই পুনর্মুদ্রিত হল ডাকবাংলা.কম-এর পাতায়।

দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প জীবনের দ্বান্দ্বিকতার কথাই বলে। তাঁর চরিত্ররা হেরো নয়, নিষ্ক্রিয় নয়। তারা পরিস্থিতি বোঝে, সিদ্ধান্ত নেয়, অবস্থানও নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের অসম্পূর্ণতাও বোঝে। বোঝে জীবনের পরিত্রাণহীনতার কথা।

‘তৃপ্তি মিত্রর নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্পগুলি নানা বইয়ে ছড়িয়ে ছিল। এবার দু’মলাটে ধরা রইল। ছোটগল্প আর নাটক ছাড়া নানা বিষয়ে নিবন্ধও লিখেছিলেন তৃপ্তি মিত্র। সেসবে কখনও স্মৃতি, কখনও সাম্প্রতিকের সত্তা, কখনও বা ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ।’

‘যেমন ভাবা তেমনই কাজ। এরপর থেকে দুর্গের এদিকে ওদিকে ছোটবড় পাথরে নানা ঠাকুরের নাম লেখা হতে লাগল। মেহের আলি দূর থেকে দেখল, তেড়ে খিস্তি পর্যন্ত করল। কিন্তু যারা লিখছে তাদের হাতে দু-একবার চড়থাপ্পড় খাওয়ার পর গুটিয়ে গেল। দুর্গে লোকসমাগম বেড়ে গেল আরও।’

‘এটা জেন্ডার ইকুয়ালিটির জমানা। একটা মেয়ে যদি ছেলেদের পোশাক সম্পর্কে অভিজ্ঞ হতে পারে একটা ছেলে শাড়ি সম্পর্কে জ্ঞানী হবে না কেন! আজকাল তো ছেলেরাও শাড়ি পরছে! সেদিন কাগজে ছবি দেখলাম। আমি যখন ঠিক করে ফেলেছি, করেই ছাড়ব।’
গল্প। ভ্রমর সেনের সন্দেহ…

‘পরস্পরবিরোধিতা, বিপরীতধর্মী দুই প্রকৃতির টানাপোড়েন, সাদা-কালো-ধূসরের খেলা বনফুলের গল্পের ভরকেন্দ্র। একইসঙ্গে তা মানুষের নিষ্ঠুরতা আর মানুষের অসহায়তার গল্প।’

‘…গল্পটি যত এগোচ্ছিল, আমার এতদিনের সমস্ত সমুদ্র-বোধ ধীরে-ধীরে গলে যাচ্ছিল; ঘেমে উঠছিলাম নিমের ছায়ায়। গল্পটি পড়ার ‘আগের আমি’ ও ‘পরের আমি’ সম্পূর্ণ অন্যরকম হয়ে গিয়েছিলাম।’

‘গড্ডলিকা’-র যে-সংস্করণ প্রথম যথার্থ বিপণন পায় এবং প্রচারিত হয়, তারই শতবর্ষ এ-বছর। আর তার বীজ মুনাফালোভীর বিরুদ্ধে জাতীয় আদর্শের লড়াইয়ে। ব্যাবসাবিমুখ বলে দাগা-খাওয়া বাঙালির সাহসী নিশান এই গল্পগ্রন্থ…

‘আমি আর দাদা চোরকাঁটা ভরা একটা শর্টকাট ধরেছি, খেয়াল নেই বারীনকাকুর দোতলার কোয়ার্টারের পাশ দিয়ে যাচ্ছি। যদিও আন্টিকে পুলিশে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর বারীনকাকু চাকরি ছেড়ে চলে গেছে। কোয়ার্টার বন্ধ থাকে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.