
কবি ও ঈশ্বর
অলোকরঞ্জন ঈশ্বরকে দেখেছেন প্রধানত মানুষরূপেই এবং তাঁর নিজের কবিতাই সে-কথা বারবার প্রমাণ করেছে। তাই তাঁর ঈশ্বর সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ নন অনেকক্ষেত্রেই। কবির ঈশ্বর রয়েছেন কবির নাগালের মধ্যেই।

অলোকরঞ্জন ঈশ্বরকে দেখেছেন প্রধানত মানুষরূপেই এবং তাঁর নিজের কবিতাই সে-কথা বারবার প্রমাণ করেছে। তাই তাঁর ঈশ্বর সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ নন অনেকক্ষেত্রেই। কবির ঈশ্বর রয়েছেন কবির নাগালের মধ্যেই।

কোহেনের কবিতা ও গানে প্রার্থনার ভাষা, প্রেমের ভাষা এবং ক্ষমতার ভাষা প্রায়ই একে-অপরের খুব কাছাকাছি চলে আসে। প্রেমিক, ঈশ্বর, নারী, পুরুষ, নেতা, অনুসারী, প্রভু, দাস, শরীর এবং আত্মসমর্পণের মতো আপাত ভিন্ন-ভিন্ন বর্গ বারবার পরস্পরের ভাষা ধার করে।

‘ছবিতে মেয়েটি প্রথমে প্রথাসিদ্ধ, পরে একটা আঘাত পেয়ে অকস্মাৎ একলা, তারপরে একটা সাধনার প্রতি অনুরক্ত এবং শেষে নিজশর্তে একটি প্রেম গ্রহণের বিন্দুতে স্থিত। তার এই বিবর্তনের মূলে আছে জীবনের কেন্দ্রে বস্তুগত অনাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিষ্ঠা করা, বা ঈশ্বরের আসন পেতে দেওয়া।’

“ঈষৎ তির্যকভাবে একটি কবিতার শেষ প্রান্তে সুলতান বাহু লেখেন, আমার কিছু পাপ যদি না-ই থাকে তাহলে হে প্রভু, তুমি ক্ষমা করবে কী? যেন মনে হবে, আল্লাহ বা ঈশ্বরের একটি বহু-চর্চিত গুণকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার জন্যই কিছু মানবিক পাপ প্রয়োজন।”

‘…রাগ জিনিসটা অসহায়তার চিহ্ন। হিন্দু দেব-দেবতারা অসীম জ্ঞানের অধিকারী, অসহায় তাঁরা কখনওই হতে পারেন না। এ-কারণেই যুদ্ধক্ষেত্রে বা পরবাসেও তাঁদের কখনও পীড়িত বা ক্রুদ্ধ দেখায় না। তাঁদের সব সময়েই সৌম্য, শান্ত রূপ, কারণ ভূত-ভবিষ্যৎ, ইহকাল-পরকাল মিলিয়ে তারা পুরো ব্যাপারটাই জানেন।’ হিন্দু দেব-দেবীর বর্তমান রূপ।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.