
ছোটদের রামায়ণ
আমাদের সেকেলে দিদিমা-ঠাকুমাদের গল্প বলার সংস্কৃতি যেভাবে বিলীন হয়েছে কালের গর্ভে; ঠিক সেই ধারায় সংরক্ষণের অভাবে চিরতরে হারিয়ে গেছে পণ্ডিতমশাইদের স্ব-উদ্যোগে ছাপা ও বিনে পয়সায় বিলি করা, ছোটদের কথা ভেবে লেখা আরও অনেক রামায়ণ!

আমাদের সেকেলে দিদিমা-ঠাকুমাদের গল্প বলার সংস্কৃতি যেভাবে বিলীন হয়েছে কালের গর্ভে; ঠিক সেই ধারায় সংরক্ষণের অভাবে চিরতরে হারিয়ে গেছে পণ্ডিতমশাইদের স্ব-উদ্যোগে ছাপা ও বিনে পয়সায় বিলি করা, ছোটদের কথা ভেবে লেখা আরও অনেক রামায়ণ!

বইমেলা ধুলো মেখে, স্মৃতিতে পাড়ি। দেখতে-দেখতে বইমেলা ৫০-এর চৌকাঠের কাছে চলে এল; হামাগুড়ি দিয়ে যার পথ চলা শুরু, সে আজ বটবৃক্ষ-ন্যায় ছায়া দিয়ে চলেছে। যে-বৃক্ষর ডালে আসে কত লেখক-শিল্পী বন্ধুরা… স্মৃতির অতলে এ এক আশ্চর্য বইরাজ্য!

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে ফণীশ্বরনাথ রেণু, রাজকমল চৌধুরী ও রবি বর্মা।

‘এ-বই আদ্যোপান্ত খেলার বই। কিন্তু, এ-খেলা কেবলই সাইডলাইনের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই। তা গ্যালারি ছাড়িয়ে বৃহত্তর গ্যালারিকেও করে নিয়েছে খেলারই অংশ। বইয়ের উপজীব্য বিশ্বকাপ ফুটবলের ৯৬ বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ৩৩টি ম্যাচ।’

“কুয়োর ওপাশে ব্রাহ্মণ পরিবারটির অনেকে কৌতূহলী উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিলেন আমাদের দেখে। বিশেষত বালক, কিশোররা। সম্ভবত, এরা তলফিরামের নাতিপুতি। ‘আইয়ে আইয়ে’ বলে মুন্নারাই ডেকে এনে বসাল ওদের। ছয়ের দশকে বিনোবা ভাবে এসে রাজপুত ঠাকুর আর ব্রাহ্মণ পরিবারটির মিটমাট ঘটিয়ে দিয়েছেন। এদিনও আমার সামনেই মুন্না সিং রাঠোর আর দৌলতরাম করমর্দন করল।”

‘এ বই যতক্ষণ-পারা-যায় ছুঁয়ে বসে থাকবার বই। আরাম নয়, উপশম তো নয়ই, এ বই ছুঁলে কিন্তু তীব্র একরকমের অস্বস্তি হয়।’

‘‘এই দাদারা ছিলেন সব ‘কোনি’র ক্ষিদ্দা, এঁরা আমাদের স্বপ্ন দেখাতেন। কী স্বপ্ন দেখাতেন জানেন? আপনি কী ভাবছেন— ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন? ও-গুলো পরে, আগে ছিল ফার্স্ট ডিভিশনে কোনও ভাল ক্লাবে খেলা।’’

‘ছবির সঙ্গে গন্ধের স্মৃতিও পেতে থাকি। হজমিওলা। হজমি-মশলার গন্ধ। বিকেলের তেলেভাজার গন্ধ। গ্যালিফ স্ট্রিট ট্রাম ডিপোয় ট্রামের গন্ধ। ট্রামের থাকে। সবুজ গদির ফার্স্টক্লাস আর কাঠের বেঞ্চিরও কি আলাদা-আলাদা গন্ধ ছিল?’

‘লেখাগুলোর সবই নানা পত্রপত্রিকায় নানা সময়ে প্রকাশিত। বেশির ভাগই আড্ডার ধরনে, আড্ডার কথা লেখা। সে-আড্ডায় কেবল মানিকবাবু আর শাঁটুলবাবু ছিলেন না। ছিলেন না ছিলেন সেই ফুরনো কলকাতার আরও কিছু প্রদীপ।’

অন্যায় মেটাবে বড় মস্তান? ইরানে শাসকরা এই মুহূর্তে যে অন্যায় করে চলেছেন, তা থামাতে পারে শুধু আমেরিকার শাসকের হুমকি? যে আমেরিকার অন্যায় থামাতে পারছে না অন্য কেউ? শুভবুদ্ধিসম্পন্ন জোট নয়, মানবাধিকার সংগঠন নয়, বদ ছোট মাছকে সামলে রাখবে রাক্ষুসে বড় মাছ?

“অঞ্জন দত্ত-র ‘চলো লেট’স গো’ যাঁরা দেখেছেন, যাঁরা দেখেছেন ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’, তাঁরা জানেন, সেইসব সিনেমার আখ্যানের গতিবিধি ঠিক চেনা ছন্দে এগোয় না। সময় লাফায়, ওই স্প্রিং বোর্ডের ওপরের লাফের মতো, সেসব ছবির ন্যারেটিভে। দে’জ পাবলিশিং প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইটা আদতে অনেকগুলো লাফের সমগ্র।”

‘জুলাইয়ের ফুরফুরে বিকেল। যে-বিকেল ফুরোয় না। আমরা পুবের লোক। আমাদের দেশে ছ’টা-সাড়ে ছ’টায় অফিসবাবুর মতো নিয়ম মেনে সূর্য অস্ত যায়। যত পশ্চিমে যাই, ঘড়ির কাঁটা আটটা ছুঁলেও সূয্যি ডোবে না, এ আবার কেমন অনাচার?’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.