
পিঞ্জরে বসিয়া
‘এক-এক করে এরকম আট/দশটি প্রমাণ মাপের কক্ষ দেখে এবং গৃহকর্ত্রীর টানা হা-হুতাশ শুনে একটা ঘরে আমরা থিতু হই। তাঁর হা-হুতাশ— এত-এত বই কী যে অযত্নে পড়ে আছে! আর আমার কৌতূহল— নীচের কোনও বই দরকার পড়লে টেনে বের করেন কী করে!’ ব্যক্তিগত স্মৃতি।

‘এক-এক করে এরকম আট/দশটি প্রমাণ মাপের কক্ষ দেখে এবং গৃহকর্ত্রীর টানা হা-হুতাশ শুনে একটা ঘরে আমরা থিতু হই। তাঁর হা-হুতাশ— এত-এত বই কী যে অযত্নে পড়ে আছে! আর আমার কৌতূহল— নীচের কোনও বই দরকার পড়লে টেনে বের করেন কী করে!’ ব্যক্তিগত স্মৃতি।

হারলেম আফ্রিকান-আমেরিকান পাড়া বলে জগত-খ্যাত হলেও, আরো বহু দেশ ও জাতির লোক সেখানে ঠাঁই পেতেন। আফ্রিকা, ক্যারিবিয়ান, চিন, ল্যাটিন আমেরিকা— পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে লোক হারলেমে থাকতেন। অবিভক্ত ভারত থেকেও অনেক অভিবাসী ছিলেন। তাই নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে পুরোনো ভারতীয় রেস্টুরেন্টের মধ্যে বেশ কিছু ছিল হারলেমে। তাদের মধ্যে একটা আলাউদ্দিনের বাবার। নাম দিয়েছিলেন ‘বেঙ্গল গার্ডেন’। বাঙালির বৈচিত্রময় অভিবাসনের কাহিনি।

কিছু না করাটাই কি বোর হওয়ার প্রধান কারণ? সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর যে মেয়েটি বাড়ি এসে সিলিঙের দিকে তাকিয়ে জিরোচ্ছে, সে তো বোর হচ্ছেনা! আবার দিনের নয় ঘন্টা একই রকম এক্সেল শিট-এ কাজ করতে করতে আইটি কোম্পানির অনুগত কর্মীটি কিন্তু অনেক সময়ই প্রচন্ড একঘেয়েমির শিকার। বোর লাগছে?

‘ছবিটির গান, সংলাপ ও অভিনয়ের ভঙ্গি প্রায় পুরোটাই দর্শক-অভিমুখী। এক ধরনের আটপৌরে ফ্যামিলিয়ারিটি ছবিটির ছত্রে-ছত্রে সচেতনভাবে বুনে দেওয়া হয়েছে। সেই পরিচয়ের স্বাদ দর্শককে আহ্বান করে।’ ‘পলাতক’-এর স্বকীয়তা।

‘তনুদা ছিলেন আদ্যন্ত একজন সিনেমা-পাগল বাঙালি। বাঙালি দর্শকের জন্য, বাঙালিয়ানার জন্য, বাঙালিদের জন্য সিনেমা বানানো লোক। তিনি বরাবর বাণিজ্যিক ছবি বানিয়েছেন। কিন্তু তাতে যে কী মাধুরী ধরা রয়েছে, তা অনুভব করতে হয়।’ ব্যক্তিগত অনুভব।
‘১৯২৩ সালে জাপানের কান্তো এলাকায় বিধ্বংসী ভূমিকম্পের ধাক্কা কাটিয়ে উঠে কাঠ আর কাঠ-কয়লার ব্যবসা গুটিয়ে মোইচি তানাবে শিন্জুকু শহরে ১৯২৭-এ খুলে বসলেন এক বইয়ের দোকান। তাঁর পূর্বপুরুষরা ছিলেন জাপানের কি প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। সেই স্মৃতি মনে রেখে তানাবে তাঁর নতুন দোকানের নাম দিলেন ‘কিনোকুনিয়া’ অর্থাৎ কি প্রদেশের দোকান।’ শুরু হচ্ছে বিশ্ববিখ্যাত বইয়ের দোকান নিয়ে নতুন সিরিজ ‘বইঠেক’। এবারে প্রথম পর্ব; জাপানের ‘কিনোকুনিয়া’।

মিথকে যুক্তিযুক্তভাবে উপস্থাপন করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য। সর্বদাই এমন প্রশ্ন থাকে যা ভাগ্য, স্বাধীন ইচ্ছা এবং ঈশ্বরের কর্মকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। সমস্ত সংস্কৃতিতে, তাই, মিথ বাস্তবতা এবং যৌক্তিকতা থেকে অনেক দূরে: তিনটি মাথা সহ দেবতা, আটটি বাহু বিশিষ্ট দানব, কুমারী জন্ম, সমুদ্রের দু-ভাগ হওয়া, প্রতিশ্রুত ভূমি, আগুনের পবিত্রতা এবং রক্তের চুক্তি। যুক্তির প্রতি এই উদাসীনতা নিশ্চিত করে যে মিথকে যুক্তিযুক্ত করা হয় না, তবে বিশ্বাসের আধারে নিঃশর্তভাবে গৃহীত হয়।

‘রবীন্দ্রনাথ দেখলেন, অনেক ইঙ্গবঙ্গ, সুন্দরী বাড়িওয়ালির ঘর ভাড়া করেন। তাতে তাদের যথেষ্ট সুবিধা হয়। বাড়িতে পা দিয়েই তারা বাড়িওয়ালির যুবতী কন্যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা করে নেয়। দু-তিনদিনের মধ্যে তার একটা আদরের নামকরণ করা হয়, আর সপ্তাহ গেলে হয়তো তার নামেই একটা কবিতা লিখে তাকে উপহার দেওয়া হয়।’ রবীন্দ্রনাথের চোখে ‘ইঙ্গবঙ্গ’রা।

কিংবদন্তী নাট্য-পরিচালক পিটার ব্রুক-এর মহাভারত আশির দশকে বেশ শোরগোল ফেলেছিল সারা বিশ্বে। ভারত থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন দ্রৌপদী। অভিনয় করেছিলেন নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মল্লিকা সারাভাই। পিটার ব্রুক-এর স্মরণে সেই অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন মালবিকা ব্যানার্জির সঙ্গে।

একটা মানুষ আস্তে আস্তে যেমন বড় হয়, সৌরভও তেমনই জীবনের নানা সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছে। পরিণত হয়েছে, বুদ্ধির পরিপক্কতা এসেছে। কিন্তু ওর সাহস আর শার্পনেসটা সেই ছোটবেলা থেকেই ওর মধ্যে ছিল। খানিকটা দুঃসাহসও বলা যেতে পারে। ভাইয়ের জন্মদিনে দাদা।
‘আমার সবসময়ে মনে হয়, এই নতুন ভারতবর্ষ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যাঁরা অগ্রণী, তাঁদের মধ্যে সৌরভ গাঙ্গুলি অন্যতম। সমাজতন্ত্রের বেড়ি, ভয়, কৈফিয়ত, নতুন উদ্যোগ নেওয়ার মানসিকতার অভাব — সবকিছু গুঁড়িয়ে দিয়ে যেন গ্লোবাল পাওয়ারহাউজ হয়ে ওঠেন সৌরভ। তারপর থেকে যা যা হল— ধোনির হিসেবি দৈত্যসুলভ দক্ষতা, কোহলির এনার্জি — এইসব শুরু হয়েছিল গাঙ্গুলিকে দিয়ে।’

‘বাবা-মা’কে নিয়ে লন্ডন বেড়াতে গেছি। মা প্রবল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ক’দিন লন্ডনে থাকতে হবে বুঝতে পারছি না। সৌরভ তাঁর লন্ডনপ্রবাসী কাকাকে দিয়ে নিজের ফ্ল্যাটের চাবি পাঠিয়ে দিলেন। দু’সপ্তাহের বেশি সেবার লন্ডন থাকতে হয়েছিল। মা’কে সুস্থ করেই কলকাতা ফেরাতে পেরেছিলাম।’ ব্যক্তিগত স্মৃতি।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.