কলাম

Illustration by Suhomoy Mitra
শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল: পর্ব ৪৬

‘আমিও ঢাকের কাঠি থেকে হাত সরিয়ে নিয়েছি অনেকদিন হল। মনে-মনে কত কী বিসর্জন দিতে হল এই ক’বছরে, আর কানে-কানে শুনতে পেলাম সেই ম্লান ঢাকের বাদ্যি, সে আর বলার না। বিষণ্ণতা আসলে এক শেষ-না-হতে-চাওয়া পূজা পর্যায়, আর দূর থেকে ভেসে আসা ঢাকের আওয়াজ আসলে হেমন্তকালের ডাক।’

Movie Scene from The Tale
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

ছায়াবাজি : পর্ব ৪৩

‘তা-ই হয়, আমাদের শত সংসারে আমাদের শিশুকন্যার নিগ্রহ আমরা ‘চুপ চুপ’ রবে চাপা দিতে উন্মুখ হই, আত্মীয়টির (বা অনাত্মীয় শিক্ষকটির) মুখোমুখি হই না, কী দরকার বাবা শান্তি বিঘ্নিত করে, হইচই বাগালে সকলেরই ঝঞ্ঝাট। স্মৃতির অনেকগুলো স্তর এতদিন চাপা পড়েছিল, নায়িকার চেষ্টায় তারা পর পর খুলে যেতে থাকে এবং নায়িকা বোঝে, সেই পুরুষ (এখন প্রবল বিখ্যাত কোচ) আসলে এক অপরাধী, নারী-শিকারী, অনেকের সঙ্গেই এমন করেছে।’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক : পর্ব ৯৮

কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যে, গুলিয়ে যাচ্ছে! আপনি যা বলেননি, যা করেননি, তাও ঘটে যাবে এআই-এর দৌলতে?

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ১৯

‘যে-কাজটা তুমি করতে চাও, শুধু সেইটুকু শিখে চাকরির বাজারে তুমি নেমে পড়বে। এমনিতেও এখন আগেকার মতো নেই। সারাজীবন যে শিখে যেতে পারবে, সেই-ই এগোবে। কাজ করতে-করতে আরও শিখবে।’
নীলা-নীলাব্জ। পর্ব ১৯

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবদ মূলত কাব্য: পর্ব ২১

প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ বইটির কবিতাগুলি নিয়ে বেশ বুঝিয়েছিলেন, আমাকে আপন পথটি বেছে নিতে হবে। নানা ধরনের ব‍্যাপারে আমাকে সতর্কই করেছিলেন তিনি। তাঁর এসব কথা আমার দারুণ লেগেছিল। সে-সময়ে বিস্তর ভেবেছি।
সংবাদ মূলত কাব্য। পর্ব ২০

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৩৩

‘আমেরিকার চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপাখানা যে সময়ের ব্যাপারে কী ভয়ঙ্কর কড়া, মিনিট গুনে চলে, সেটা বারবার টের পেয়েছি হাড়ে-হাড়ে। মেশিন বন্ধ মানে বন্ধই, নির্ধারিত সময়ে পিডিএফ না দিতে পারলে সেরাতের মত নো ছাপা।’
‘ডেটলাইন’ পর্ব। ৩৩

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ২০

“জলপাই কাঠ দিয়ে কি এসরাজ তৈরি হয়? আমি জানিনা। ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ নামটি আমার মাথায় এসেছিল, অতি সুন্দর কয়েকটি ছবি দেখে।”
‘সংবাদ মূলত কাব‍্য’। পর্ব ২০

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল : পর্ব ৪৫

‘ভাল মাঞ্জার জন্য যা যা সরঞ্জাম দরকার সব ওরাই কিনে আনত দোকান থেকে, কিন্তু আসল মন্ত্র ছিল কাচের গুড়ো। ওইটি ঠিকঠাকভাবে সুতোর গায়ে মাখিয়ে রাখতে পারলেই কেল্লা ফতে। এ-বাড়ি ও-বাড়ি থেকে বাতিল বোতল চেয়ে এনে বস্তায় পুরে শিলনোড়া দিয়ে সেসব কাচ ভাঙার কাজ চলত।’