
‘শুধু বিচ্ছিন্নতা নয়’
‘শুধু ১৯৪৭ সালের দেশভাগ নয়, এই মিউজিয়ামে ধরা থাকবে তার আগের-পরের নানান ঐতিহাসিক ঘটনার ইতিহাস, যা দেশভাগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে সম্পর্কিত। ধরা থাকবে দণ্ডকারণ্য, মরিচঝাঁপির কথাও।’ ব্যতিক্রমী মিউজয়াম।

‘শুধু ১৯৪৭ সালের দেশভাগ নয়, এই মিউজিয়ামে ধরা থাকবে তার আগের-পরের নানান ঐতিহাসিক ঘটনার ইতিহাস, যা দেশভাগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে সম্পর্কিত। ধরা থাকবে দণ্ডকারণ্য, মরিচঝাঁপির কথাও।’ ব্যতিক্রমী মিউজয়াম।

‘অপেক্ষায় থাকি, হয়তো এসব কেটে গিয়ে একদিন আবার সুন্দর একটা চর্চার ক্ষেত্র ফিরে আসবে। ‘নীল অপেরা’র মতো একাধিক পত্রিকা আবার জন্ম নেবে গুমটি চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে; যারা কবিতার জন্য সারা পৃথিবীটা তোলপাড় করার ক্ষমতা রাখে।’ লিট্ল ম্যাগাজিন ভাবনা।

‘অনেক ঘটনাই আমাদের জানা হয়তো, তবু হাজারও তথ্যের ভিড়ে পর পর প্রয়োজনীয় ঘটনাগুলোকে সাজানো এবং তার ভিত্তিতে কোনো চরিত্রলক্ষণকে চিহ্নিত করা চাট্টিখানি কথা নয়! বরুণবাবু সেই আশ্চর্য ডুবুরি, যিনি সত্যজিৎ-সমুদ্রে ডুব দিয়ে এমন সব রত্নরাজি তুলে এনেছেন, যার মূল্য চিরস্থায়ী!’ সত্যজিৎচর্চায় নতুন সংযোজন।

‘সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিন্নধর্মের প্রতি আগ্রহ তৈরি করার কারণে নববিধান ব্রাহ্মসমাজের পক্ষ থেকে যখন অন্যান্য ধর্মশাস্ত্রের পাশাপাশি ইসলামি ধর্মশাস্ত্র ও মুসলমান ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের জীবনচরিত অনুবাদ করে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেই ভারও এসে পড়ে গিরিশচন্দ্রের ওপরে।’ গিরিশচন্দ্র সেনের অনুবাদ।

‘যেই দুজন শিশু চলে এল একটা চুম্বনদৃশ্যে, অমনি একলাফে ছবিটার অন্য এক অর্থ আমাদের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকল। তাহলে কি দাস চুম্বনের সারল্যকে প্রত্যক্ষ করাতে চাইছেন? চুম্বনরত মানব-মানবীর মনের প্রতীক হয়ে যেন ওই দুজন শিশু উঠে এল হরেন দাসের ছবিতে।’ ছবির ব্যঞ্জনা।

‘… সুজিত দেখাতে চেয়েছেন, একজন দেশপ্রেমিকের আত্মত্যাগ, তাঁর লড়াই, তাঁর অসহায়তা এবং তাঁর ভেতরে যে প্রতিশোধের আগুন ছিল, সেই আগুনটুকু। এই ছবিতে এটাই মুখ্য, বাকি সব গৌণ।’ সুজিত সরকারের ‘সর্দার উধম’।

টোকিও অলিম্পিক্সকে কেন্দ্র করে ১১ জুলাই দুটি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয় একটি অনলাইন অনুষ্ঠান। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, অলিম্পিক্সে স্বর্ণপদক জয়ী ভারতীয় শুটার অভিনব বিন্দ্রা ও প্রখ্যাত ক্রীড়া-সাংবাদিক রোহিত ব্রিজনাথ। সঞ্চালক ছিলেন গেমপ্ল্যান ক্রীড়া-বিপণন সংস্থার কর্ণধার জিৎ ব্যানার্জি।

‘অবাক লাগলেও একথা না মেনে উপায় নেই, যে কোনও শব্দকে তারই অনুষঙ্গে ছবিতে বদলে ফেলতে চিত্রশিল্পী শুভেন্দু সরকারের সময় লাগে গড়ে পাঁচ মিনিট থেকে সাত মিনিট। আর এ এমনই এক পদ্ধতি, যা শুভেন্দুরই মস্তিষ্কপ্রসূত। ছবি আঁকার এই পদ্ধতির নাম তিনি রেখেছেন ‘ওয়ার্ডটুন’।’ ছবির ম্যাজিক।

‘এখানে ‘জীবনী’ লেখা হয়েছে ঠিকই, তবে তা টীকার ভারে নুয়ে পড়েনি। রানীরই (চন্দ) বলা কথা থেকে লেখিকা শুধু কুড়িয়ে এনেছেন তাঁর যাত্রাপথের রূপরেখা। তাঁর আনন্দময় যাপনের দিন-রাত্রি। সুতরাং, তথ্যপঞ্জীর আড়ম্বরে কোনও ভাবেই আড়াল হয়ে যায়নি আলোচ্য ব্যক্তির ‘মন’।’ পাঠপ্রতিক্রিয়া।

‘খাঁচায় পোষা টিয়াপাখি কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভাগ্যের হাল-হকিকত জানিয়ে দিচ্ছে— তাও মাত্র কুড়ি কি তিরিশ টাকায়!… পাখির খাঁচার একপাশে সার দিয়ে সাজানো থাকে একাধিক খাম, যার যে কোনও একটার ভেতরেই রয়েছে নিজের ভাগ্যের খবর।’ বিচিত্র ভাগ্যগণনা।

‘নবমীর দিন গাড়ি ছুটল ঝাড়গ্রামের দিকে। আর এই প্রথম অনুভব করলাম, বেড়াতে যাওয়ার জন্য মূলে যা লাগে, তা টাকা নয়— সাহস।… ভ্রমণ তো নয়, যেন হাল্লা চলেছে যুদ্ধে। ঢাল মাস্ক, সঙ্গে অস্ত্র স্যানিটাইজার।’ কোভিড-কালের ভ্রমণ।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.