প্রাবন্ধিক। খেলা তাঁর ভালবাসার মূল ক্ষেত্র। আর্জেন্টিনা, ইস্টবেঙ্গল, বার্সেলোনা, লিওনেল মেসি থেকে টিম ইন্ডিয়া, এই সবকিছু নিয়েই লিখে চলেন নিয়মিত। আরও বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী। সম্প্রতি বাংলা ছবির চিত্রনাট্যকার হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন।
সাংবাদিক, লেখক, সমাজকর্মী। দীর্ঘদিন কাজ করছেন বাংলা সংবাদমাধ্যমে। সাহিত্য, চলচ্চিত্র থেকে মানবাধিকারের মতো বিবিধ বিষয় নিয়ে কাজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক। দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন আকাশবাণী-র সঙ্গে। তাঁর চতুষ্পাঠী, জলের উপর পানি, হলদে গোলাপ-এর মতো উপন্যাস সাড়া ফেলেছে। ছোটগল্প থেকে অণুগল্প, গদ্যের নানা মার্গে তাঁর যাতায়াত। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লেখক উত্তর কলকাতাকে এখনও লালন করেন মনেপ্রাণে।
সপ্তর্ষি রায় বর্ধন-এর জন্ম, কর্ম এবং বর্তমান ঠাঁই কলকাতায়। ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতার পাঠ ভবন স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। গত তিরিশ বছর ধরে আর্থিক-পরিষেবা ক্ষেত্রে কর্মরত; সঙ্গে সমান্তরালে চলেছে লেখাজোখা। আত্মীয়পরিজন, বন্ধু, সুজনদের সঙ্গে হইচই করে জীবন কাটিয়ে দেওয়াতেই ভাল লাগা। প্রকাশিত দুটি বইয়ের একটি বায়োগ্রাফি ‘রূপকথার মতো’ (২০২৩); অপরটি অণুগল্পের সঙ্কলন ‘খেয়ালের খেরো খাতা’ (২০২৪)।
সাংবাদিক, অল ইন্ডিয়া রেডিও (আকাশবাণী)-তে ব্রডকাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক। সংবাদ এবং গণমাধ্যমের পাশাপাশি দলিত, নারী অধিকার, LGBTQIA+ এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের বিভিন্ন বিষয়ের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় কন্টেন্ট নির্মাণ করে থাকেন। এছাড়াও লেখালেখির মাধ্যমে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরতে আগ্রহী।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে তাঁর গলায় গাওয়া গান ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ এবং ‘বেঁচে থাকার গান’ তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১৫ সালে ‘পিকু’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ এবং ছবিটির আবহসঙ্গীতের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন।
লেখেন মূলত নিবন্ধ, কলাম, উত্তরসম্পাদকীয় ও ছোটগল্প। যৌনসংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক মানুষ, স্কুলশিক্ষা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, নৃত্য ও সিনেমা তাঁর বেশিরভাগ লেখার বিষয়। অনুবাদকর্মের সঙ্গেও বহু বছর যুক্ত।