
ভাষাসাগরের প্রবাল
‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

‘‘ফ্লেক্স’, ‘টি’, ‘ক্যাপ’, ‘ইয়াপ’— এই ধরনের একাধিক শব্দও রয়েছে জেন-জি শব্দভাণ্ডারে, যার অর্থ আগে থেকে আমাদের জানা; কিন্তু জেন-জি’দের কাছে তা অন্য অর্থ বহন করে। ফ্লেক্সের অর্থ সাফল্য দেখানো, টি বলতে গসিপ বা গোপন খবর, ক্যাপ হল মিথ্যা কথা এবং ইয়াপ মানে বাচাল। আরও অসংখ্য শব্দ রয়েছে, যার তালিকা দীর্ঘ।’’

‘‘যে ভাষার নমুনা বা ‘corpus’ ইন্টারনেটে যত বেশি, আজকের যুগে দাঁড়িয়ে, সেই ভাষাই কাজের নিরিখে তত সফল ভাষা। যে-ভাষাকে ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য যত বেশি কাজে লাগানো হয়, স্বাভাবিকভাবেই তার ভাষানমুনা বা ‘করপাস’ হবে তত বড় এবং যে ভাষার করপাস যত বড়, সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসেবে তাকে আন্তর্জালিক মাধ্যমে তত সম্ভাবনাময়, সফল এবং শক্তিশালী ভাষা হিসেবে জায়গা দিতে হবে।’’

আজকের ভারতে বেশিরভাগ শহুরে মধ্যবিত্ত বাঙালি কোন ভাষায় কথা বলেন? ‘সোনার কেল্লা’-র জটায়ুর তুলনায় অনেক বেশি ভাল হিন্দি আর ব্যাকরণের তোয়াক্কা না করে বেশ খানিকটা

‘‘কথাটা এতক্ষণে পাওয়া গেল। ‘ভাষা-গণতন্ত্র’। বিশ্বজোড়া পাঠশালায় সে-জন্য প্রতিটি ভাষার সমানাধিকার। সে ছোট না বড়, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী না কি দুর্বল, উপনিবেশ গড়েছে না গড়েনি, সংস্কৃতি চেনা না অচেনা, কামান-বন্দুক-গ্রেনেড আছে, না নেই— এইসব প্রশ্ন অবান্তর।’’

‘সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সত্ত্বেও স্বাধীনতার অব্যবহিত পূর্ব ও পরবর্তী সময়পর্বটিতে বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা যে হিন্দিকে সমর্থন করেছিলেন, তার একাধিক নজির রয়েছে। ‘প্রবাসী’-তেই ১৯৪৭-এর মে মাসে প্রকাশিত দেবেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙালির হিন্দিশিক্ষা’ নামের নিবন্ধে লেখক হিন্দি কেন শেখা দরকার তার বিবিধ কারণ দর্শিয়েছেন।’

‘আত্মমর্যাদাজ্ঞান প্রখর ছিল প্রমথনাথের। প্রায় বদলে-যাওয়া নাটকের নবতর রূপটি ভাল করে পড়লেন প্রথমে, তারপর স্পষ্ট জানালেন, নিজের নামে এ-লেখা তিনি ছাপতে পাঠাতে পারবেন না। কারণ এতে আর তাঁর ‘নিজস্ব কিছু নেই’।’

‘সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে এদেশে এলেও তাঁর ভাষাবিদ ও অনুবাদক সত্তা ধর্মীয় কার্যকলাপকে অচিরেই ছাপিয়ে যায়। যে-‘বিধর্মী’দের উদ্ধারের জন্য তাঁর স্বদেশ ত্যাগ, সেই ‘হিদেন’দের সঙ্গে দীর্ঘ সহবাসের ফলে তাদের ভাষা-সংস্কৃতি সম্পর্কে কেরির মুগ্ধতা ও মমত্ব আমাদের চমকিত করে।’

‘গোস্বামীবাবুর বইটি বাংলা ভাষায় লেখা বাংলা অক্ষরজ্ঞান, ভাষাশিক্ষা ও নীতিশিক্ষা সম্পর্কিত পাঠ্যপুস্তকের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। বইয়ের ভূমিকা লিখেছেন স্বপন বসু। অতীতচারণায় এসেছে প্রাচীন ও মধ্যযুগের পাঠক্রম থেকে বিংশ শতাব্দীর তিনের দশক পর্যন্ত ইতিবৃত্ত।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.