
দূরপাল্লা: পর্ব ৪৩
খ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশপাথর! গালিব থেকে ভ্যান গঘ হয়ে রবীন্দ্রনাথ— অলিগলি পেরিয়ে কত স্মৃতি জুড়ে থাকে, কবির আবাসের ইঁট-কাঠ-পাথর! গুটি-গুটি পায়ে এগিয়ে যাওয়া কবির সময়ে, কবির যাপনে…

খ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশপাথর! গালিব থেকে ভ্যান গঘ হয়ে রবীন্দ্রনাথ— অলিগলি পেরিয়ে কত স্মৃতি জুড়ে থাকে, কবির আবাসের ইঁট-কাঠ-পাথর! গুটি-গুটি পায়ে এগিয়ে যাওয়া কবির সময়ে, কবির যাপনে…

‘সে-রাতে, যতদূর মনে পড়ছে, উস্তাদ আশিস খানের সরোদের সঙ্গে বাজাবেন উস্তাদ জাকির হুসেন। জাকিরজি-কে ততদিনে বেশ কিছু আসরে সামনে ব’সে শোনার সৌভাগ্য হয়েছে, আশিস খানের বাজনা তখনও শুনিনি। এই দু’জন জোট বাঁধলে ধুন্ধুমার কাণ্ড হবেই নির্ঘাত! তাই ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’

কাকে বলে অনুবাদ? কবিতার অনুবাদের ক্ষেত্রে সেই সংজ্ঞা কেমন হয়? মূল কবির থেকে অনুবাদকের সত্তাই কি বড় হয়ে ওঠে?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরলস প্রয়াসে আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছিল রুশ কবিতার অনুবাদ। এবারের পর্বে, সুনীল-অনুদিত রুশ কবিতা…

‘ভাস্কর স্যার ও-পথে কখনও যাননি। তাঁর মোক্ষম অস্ত্র ছিল একটিই। শ্লেষ। পড়া না পারলে, ভুলভাল উত্তর দিলে, বা হোমটাস্ক না করে এলে বকুনি বা মারধর, কোনওটাই তাঁর ধরন ছিল না। বরং এমন একখানি বাক্যবাণ ছুড়ে দিতেন, শুনে মনে হত এর চেয়ে নিল ডাউন করিয়ে রাখলে ভাল হত।’

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

ঝলমলে শহরে, কোনও এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। দেখা হয়ে যায় তারুণ্যের সঙ্গে। সেই দেখাটুকু যে কোনওদিন চিরতরে অতীত হয়ে যাবে, সে-কথা স্বপ্নেও কল্পনা করা যায় না। দূরপাল্লা নামটুকুতে দূরের হাতছানি থাকলেও, কিছু বন্ধু-আবেশে তা বড় কাছের ভ্রমণ হয়ে থাকে। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সেই বন্ধু…

কথায় বলে, কবি তাঁর লেখায় সময়ের চিহ্ন ধরে রাখেন। এই সময়-ই, শব্দের উপর ভর করে, এগিয় চলে যুগ-যুগ ধরে। পৌলমী সেনগুপ্তর কবিতা তেমনভাবেই নয়ের দশকের প্রতিচ্ছবি ধরে রাখে।

২০২৫ সালের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারের জন্য বাংলা থেকে নির্বাচিত কবি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরে দেখা শ্রীজাত-র কণ্ঠে তাঁর কবিতাপাঠ…

‘ছায়া লেগে কেটে যায় তোমাদের আলোচনাগুলি।/ পাড়ার বকেয়া সন্ধে মিটিয়ে দিয়েছে স্বাতীলেখা—/ যে-ধারণা আবছায়া, তুমি তাকে ডেকেছ গোধূলি।/ এই ছোট ভালবাসা তোমারই ভ্রান্তির কাছে শেখা।’

আর যেখানেও যাও-না-কেন, প্যারিস অবশ্যই যেও!— বলেছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ভেতরে থাকা ভ্রমণপিপাসু মনের স্ফুলিঙ্গ বারবার আগুন হয়ে ছড়িয়ে গিয়েছে জীবন-জিজ্ঞাসায়। প্রথমবারের ইউরোপ ভ্রমণ নিয়ে তেমনই কিছু স্মৃতিচূর্ণ…

কবিতার ভাষ্য, প্রকাশ, মায়া, লীলা— বারবার ফিরে এসেছে তাঁর শব্দে। দূরপাল্লার এই পর্বে, আবারও ফিরে দেখা, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা, যেখানে রয়েছে সর্বগ্রাসী চেতনা, যা এড়ানো যায় না, যা মুক্তি দেয় না, নিয়ে যায়— অনন্ত কাব্যমায়ার স্রোতে…

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.