এক শালিক : পর্ব ১০২

অনুপ্রবেশকারীর প্রতি দরদী হওয়াই কি মানবিকতার নিদর্শন নয়? মানবিক না হওয়ার জন্য লজ্জিত হওয়া এখন আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। আমাদের প্রকৃত কর্তব্য তো অসহায়ের পাশে দাঁড়ানোই। নৃশংসতাকে কি কখনও সঠিক বলে দাগানো যায়? আসলে এই সীমারেখা অতিক্রম করাই কি কাজ নয়?

এক শালিক : পর্ব ১০১

রাজনীতিতে আজ যে খল, কাল সে সাধু! সৌদি যুবরাজের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ যে বার্তা দিল…

Representative Image

সামথিং সামথিং : পর্ব ৭৪

‘সাধারণ মানুষের ফেসবুক-মন্তব্য দেখলেও বোঝা যায়, তাঁরা প্রত্যেক খ্যাত মানুষের কাছে স্পষ্ট জানতে চাইছেন, তুমি কোন দল? যদি কেউ বলেন (বা তাঁর হাবভাবে বোঝান), আমি কোনও নির্দিষ্ট দলেরই চ্যালা নই, তাহলে তাঁকে বলা হবে মেরুদণ্ডহীন, গা-বাঁচানো জরদ্গব।’

Jemimah Rodrigues

সামথিং সামথিং: পর্ব ৭৩

‘দুরন্ত খেলোয়াড়দের অটল ঈশ্বরবিশ্বাস দেখে কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে, এঁরা যখন হেরে যান, বা সহজ শট ফসকান, তখন ঈশ্বরকে দায়ী করেন কি? কিংবা জেমাইমাই যে-দুটো লোপ্পা ক্যাচ তুলেছিলেন ওই ম্যাচে, যদি সেগুলো ফিল্ডাররা ধরে নিতেন, তাহলে কি ঈশ্বরের দোষ দেওয়া হত?’

Movie Scene from The Tale

ছায়াবাজি : পর্ব ৪৩

‘তা-ই হয়, আমাদের শত সংসারে আমাদের শিশুকন্যার নিগ্রহ আমরা ‘চুপ চুপ’ রবে চাপা দিতে উন্মুখ হই, আত্মীয়টির (বা অনাত্মীয় শিক্ষকটির) মুখোমুখি হই না, কী দরকার বাবা শান্তি বিঘ্নিত করে, হইচই বাগালে সকলেরই ঝঞ্ঝাট। স্মৃতির অনেকগুলো স্তর এতদিন চাপা পড়েছিল, নায়িকার চেষ্টায় তারা পর পর খুলে যেতে থাকে এবং নায়িকা বোঝে, সেই পুরুষ (এখন প্রবল বিখ্যাত কোচ) আসলে এক অপরাধী, নারী-শিকারী, অনেকের সঙ্গেই এমন করেছে।’

এক শালিক : পর্ব ৯৮

কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যে, গুলিয়ে যাচ্ছে! আপনি যা বলেননি, যা করেননি, তাও ঘটে যাবে এআই-এর দৌলতে?

Scene of Sacred Games

সামথিং সামথিং : পর্ব ৭২

‘এছাড়া লোককে ভক্তিতে তটস্থ রাখার জন্য সামান্য কিছু দড়িদড়ার জোগাড় দেখতে হয়, নিষেধের পেরেক বিছিয়ে রাখতে হয়, যাতে সে সিধে সজাগ হয়ে চলে। আসল বার্তা হল: সবাইকে ভালবাসো, বিশেষত নিজের ধর্মকে। এবং সেই অনুরাগ জঙ্গি হওয়াই ভাল।’

এক শালিক : পর্ব ৯৬

রাষ্ট্র থেকে মানুষ আরেকটু কম নিষ্ঠুর হলে কি পৃথিবীটা আরও সুন্দর হত?

Movie Scene

ছায়াবাজি : পর্ব ৪২

‘এমনিতে ছবির ভঙ্গিটা কেজো, যেন, যা হচ্ছে তা দেখাচ্ছি, ওরা কথা না বললে আমি তো আর সংলাপ তৈরি করে দিতে পারি না। চরিত্র দু-জনকে দেখানো হয় কোনও একটা দোকানে ঢুকে খাবার কিনছে, ফুটপাথ দিয়ে হাঁটছে, কোনও খেলার দোকানে ঢুকে স্ক্রিনে একবার কাটাকুটি খেলল, ভারী সুটকেসটা স্টেশনের সিঁড়ি দিয়ে টানতে টানতে তুলছে, টিকিট নেই বলে মেট্রো রেলের গেটের তলা দিয়ে গলে বেরিয়ে গেল। কিন্তু ছোট ছোট আঁচড়ে বহু কথা বলা হয়।’