প্রখ্যাত চলচ্চিত্র, ধারাবাহিক ও মঞ্চ অভিনেতা। 'একদিন প্রতিদিন' ধারাবাহিকের সূত্রে মানুষের ঘরে ঘরে পরিচিত হয়েছিলেন তিনি। শবর সিরিজ, 'যেখানে ভূতের ভয়', 'চার'-সহ বিবিধ চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীশ্রম, কর্মক্ষেত্রে যোগদান এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণারত। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমে মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে ও.এস.ডি. পদে নিযুক্ত। দেশি ও বিদেশি জার্নালে গবেষণাপত্র এবং নানা পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেছেন ও লেখেন।
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। দীর্ঘদিন সম্পাদনা করেছেন ‘পাঠক-ই কবিতা’ নামের লিটল ম্যাগাজিন। প্রকাশিত কবিতার বই ‘জিয়নকাঠি মরণকাঠি’, ‘শরণার্থী শব্দদল’. ‘তর্পণ’ প্রভৃতি। ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা রয়েছে তাঁর।
এককালে ছিলেন অঙ্কের শিক্ষক, বিগত কয়েক বছর ধরে লেখালেখিতে মন দিয়েছেন; প্রকাশিত গ্রন্থ ‘নাস্তিক পন্ডিতের ভিটা’, ‘ছায়াচরাচর’, ‘দীনেশ গুপ্তের রিভলভার’, ‘তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি’ প্রভৃতি।
পেশা সংবাদপত্র ও ডিজিটাল মাধ্যমের সম্পাদকীয় বিভাগের কাজে হাত পাকানো। অকৃত্রিম নেশা: বেড়াতে যাওয়া ও অন্যান্য। প্রবন্ধ, ফিচার, গল্পগাছার পাশাপাশি চিত্রনাট্য লেখার কাজকর্মও করে থাকেন।
সৌকর্য ঘোষাল ‘রেনবো জেলি’, ‘পেন্ডুলাম’, ‘ভূতপরী’ প্রভৃতি ছবির পরিচালক। আঁকা ও অ্যানিমেশন তাঁর প্রাথমিক আগ্রহের জায়গা। ছবি তৈরির পাশাপাশি অলংকরণ, গ্রাফিক নভেলের কাজও করে থাকেন।
লেখক, সম্পাদক। আকাশবাণী-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। প্রভাতকুমার দাসের সঙ্গে যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন ‘কলকাতা বেতার’, রচিত বই ‘কলকাতা বেতার: দশ ব্যক্তিত্ব’। বেতারের বিষয়ে প্রায় জীবন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
গবেষক ও প্রাবন্ধিক। কাজ করেন লোকসাহিত্য নিয়ে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে গবেষক, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক।