
অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৪২
কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।
‘স্কুলে গেলে পড়া বলতাম না ইচ্ছে করেই, কারণ পড়া পারলে ভাল ছেলে হয়ে যাব যে! ভাল ছেলে হওয়াটা তখন আমার কাছে কাপুরুষজনোচিত কাজ। ফলে প্রচুর বেত খেতে হত, তাছাড়া ছিল বেঞ্চের ওপর দাঁড়ানো বা নীলডাউন হয়ে থাকা। লাগাতার বেত খেয়ে আমার দু’হাত প্রতিদিন রক্তাভ হয়ে থাকত।’ স্কুলজীবনের স্মৃতি।

‘খ্রিস্টান মেয়েরা দিন-রাত এ-সময় হাত চালায়, তাদের হাতের ভেজা পিঠার মতোই ভক্তিরসে ফুলে উঠবে সকলের মন, এর কতটা ভক্তি আর কতটা আনন্দ কেউ তার তৌল করবে না। গির্জায় খড়ের কুঁড়েঘর গড়া হবে, তাতে মাটির পুত্তলি যিশু-মেরি-যোসেফ আর ব্যগ্র গরু-ভেড়ার দল, যিশুর জন্মস্থান সেই গোশালঘর যত্ন করে আলো দিয়ে সাজানো হবে।’ ক্রিসমাসের প্রস্তুতি।

‘মুঘলরা আমদানি করলেন আরও হরেক কিসিমের মিষ্টি— জিলিপি, অমৃতি, গুলাব জামুন, আরও কত কী, আর ইরানের ‘কুলফি’-র ভারতীয়করণও তাঁরাই করলেন, সে-কাজে ব্যবহৃত হল এ-দেশের উৎকৃষ্ট দুধে পেস্তা জাফরান, ইত্যাদি মিশিয়ে হিমালয়ের বরফ অথবা সোরা, অর্থাৎ সল্টপিটার, দিয়ে রেফ্রিজারেশনের কৃৎকৌশল।’ মধ্যযুগে বাংলার মিষ্টি।

‘গুরু আর এক মুহুর্ত দাঁড়াল না। টলতে টলতে আবার গাড়ির স্টিয়ারিংটা গিয়ে ধরল। তারপর গিয়ারের একটা ঘড়-ঘড় শব্দ করে গাড়িটা স্টার্ট দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। তারপর পুরো দমে চলতে লাগল ‘চৌধবী-কা-চাঁদ’ ছবি। লখনৌর মুসলিম সমাজের গল্প। সাদিক সাহেব পুরো দমে ছবি চালিয়ে যাচ্ছে, আর গুরু তখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ওয়াহিদাকে নিয়ে।’ ঘুণ ধরা জীবন।
‘ধ্বংস’ নামের কাব্যগ্রন্থ থেকে পড়া কিছু কবিতা। মিথ্যা সম্প্রীতির জাল ভেঙে বেরিয়ে আসা সময়ের কিছু লেখা, যুদ্ধ পরিস্থিতির কবিতা।

‘ক্যাপ্টেন ইলিয়াস মনস্থির করে একটি মাত্র যে জায়গা আছে যেখানে মনসা দেবীর হাত থেকে নিশ্চিত রক্ষা পাওয়া যাবে তারা সেখানে যাবে, এবং সেই জায়গার নাম বন্দুক দ্বীপ। রফি বলল এককেন্দ্রিক বৃত্তদুটি এই দ্বীপেরই প্রতীক, কারণ জায়গাটা আসলে দ্বীপের ভেতরে দ্বীপ, তাই একটি বৃত্তের ভেতর আরেকটি।’ বন্দুক দ্বীপের গুরুত্ব।

দূর থেকে এক ছোট ছেলে অন্যের রিহার্সাল দেখে ভাবত, সে কি সত্যিই ওরকম অভিনয় করতে পারবে কোনওদিন! সাজতে পারবে রাজা ক্রেয়ন কিংবা অয়দিপউস? ‘আশার নেশা’য় সেই যে পথচলা অভিনয়কে ঘিরে, আজও তা চলছে। সেদিনের সেই অল্পবয়সি ছেলেই আজকের দেবশঙ্কর হালদার। শুরু হল তাঁর নতুন vlog ‘স্পটলাইট’।

‘বিদেশিরা সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা দেখে মুগ্ধ হন একদম অন্য কারণে, বা, সাহস করে বলি, অনেক শক্তিশালী কারণে। আজকের ভারতে দাঁড়িয়ে, সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার ভারতকে যদি তুলনা করি, তাহলে এত বেশি মানুষ, এত শিল্প, এত ঝাঁ-চকচকে জীবন দেখে বোঝা যায়, মাঝের দশকগুলোয় কী পরিমাণ পরিবর্তন হয়ে গেছে।’ সত্যজিৎ এবং ভারতবর্ষ।

‘তেলেভাজা কবে, এবং কীভাবে, বঙ্গদেশে জনসাধারণের জনপ্রিয় জলখাবার হয়ে উঠল, বিশেষত উনবিংশ শতাব্দীর জাত-পাত, ছোঁয়াছুঁয়ি, পাপপুণ্য, সাত্ত্বিক-নিরামিষাশী প্রভৃতি নিয়ে ব্যতিব্যস্ত, কুসংস্কারাচ্ছন্ন বঙ্গদেশে? কালীপ্রসন্ন সিংহ-এর ‘হুতোম প্যাঁচার নক্শা’য় (প্রথম প্রকাশিত ১৮৬১) কলকাতায় তেলেভাজার ঠিকানা মেলে না।’ তেলেভাজার একাল-সেকাল।

‘মূলধারার সিনেমা নিয়ে অনেক কিছু লেখা হয়েছে, ৭০ মিলিমিটারের হিট ছবির নিতান্ত পার্শ্বচরিত্রের অভিনেতাদেরও স্মৃতিকথা ছাপতে প্রকাশকদের লাইন পড়েছে। কিন্তু স্বাধীন ভারতে আর্ট ফিল্ম আন্দোলন নিয়ে খুবই কম বই লেখা হয়েছে। রোচনা মজুমদারের ‘Art Cinema and India’s Forgotten Future: Film and History In The Post Colony’ বইটি এই শূন্যস্থান ভরাট করার এক দুরন্ত প্রয়াস।’

‘বিবাহ প্রাথমিক ভাবে যৌন চুক্তি, ফলে এক কুমার ও এক কুমারীর বিয়ে হবে, তারা প্রথম যৌনতার স্বাদ পাবে পরস্পরের কাছ থেকে, শয্যাতুলুনিতে রক্ত দেখে মেয়ের ব্যাপারটায় আত্মীয় ও প্রতিবেশীরাও নিশ্চিত হবে (কারণ তার সতীত্বই বেশি গুরুত্বপূর্ণ), এরপর বাচ্চা হবে এবং কোনও সন্দেহই থাকবে না এটি কার বাচ্চা।’ বিবাহের উদ্দেশ্য।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.