
নীলা-নীলাব্জ : পর্ব ২০
‘চাপ থাকবে, কিন্তু কেউ বুঝতে পারবে না। এই যে চারিদিকে এত লোক দাঁত ক্যালাচ্ছে, সবাই কি চাপমুক্ত? খবর নিলে জানবে, কার বাজারে পাঁচ কোটি দেনা, কার শরিকি মামলা চলছে পাঁচ বছর ধরে— তবু এরা কিন্তু দেখাচ্ছে না। বিন্দাস ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

‘চাপ থাকবে, কিন্তু কেউ বুঝতে পারবে না। এই যে চারিদিকে এত লোক দাঁত ক্যালাচ্ছে, সবাই কি চাপমুক্ত? খবর নিলে জানবে, কার বাজারে পাঁচ কোটি দেনা, কার শরিকি মামলা চলছে পাঁচ বছর ধরে— তবু এরা কিন্তু দেখাচ্ছে না। বিন্দাস ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

‘সাধারণ মানুষের ফেসবুক-মন্তব্য দেখলেও বোঝা যায়, তাঁরা প্রত্যেক খ্যাত মানুষের কাছে স্পষ্ট জানতে চাইছেন, তুমি কোন দল? যদি কেউ বলেন (বা তাঁর হাবভাবে বোঝান), আমি কোনও নির্দিষ্ট দলেরই চ্যালা নই, তাহলে তাঁকে বলা হবে মেরুদণ্ডহীন, গা-বাঁচানো জরদ্গব।’

‘তোমারও ঘুমের রং কফির মতোই নীল কড়া ও কাফের/ যেমন নাটক ছিল পাড়ার মলিন স্টেজে ছোটকাকাদের/ তেমনই তোমার মন দুটো ছোট হাততালি জড়িয়ে ঘুমোয়/ বিরহ রাহুল দেব গুলজার হয়ে এসে পাশ ফিরে শোয়’

‘আমাদের সময়ের কবি, সে-সময়ে সুপরিচিত ছিলেন; তিনি ছিলেন ওই নাবিক সংগঠনে। তবে তিনি নাবিক ছিলেন না। ওই সময়ে খিদিরপুর বন্দরে থামা একটি গ্রিক জাহাজ ঘুরে-ঘুরে দেখেছিলাম। দীপক ছবি তুলেছিলেন।’

বাবা ফরিদের শ্লোকে একদিকে যেমন চরম বৈরাগ্য, জীবনের সব আকর্ষণ তুচ্ছ করে সংযমের কথা আছে, বারবার আছে মৃত্যুর অনিবার্যতার কথা, তেমনই এসবের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করেছে পরম সত্তার সঙ্গে মোলাকাতের জন্য অস্থিরতা। ‘সিন্ধুপারের সুফি’ পর্ব ২-এ পড়ুন ‘বাবা ফরিদউদ্দিন মাসুদ শকর্গঞ্জ’ সংক্রান্ত লেখার দ্বিতীয় কিস্তি…

“নাসা চত্বরে আরও দুর্ধর্ষ সব দেখার জিনিস রয়েছে। এয়ারপোর্টে যেমন প্লেনের হ্যাঙার থাকে, এখানেও তেমন আছে। সেখানে স্পেস শাটল থেকে রকেট সব দেখতে পাবেন। যত ইচ্ছে ছবি তুলুন, নিজেকে মহাকাশচারী কল্পনা করে পোজ দিন। এমনকী একসময়ে সত্যি মহাকাশযাত্রা করেছে, ‘অ্যাপোলো’ ১৭-র মতো যানও রাখা আছে।”

দীর্ঘ লড়াইয়ের ফলেই সমকামিতা ক্রমশ স্বীকৃতি পাচ্ছে মূলস্রোতে…

আইসল্যান্ডে মশার উৎপাত! সেখানে কি মশারির ব্যবসা লাভজনক হবে?

‘আমরা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর-রা একটা সময়কে ডকুমেন্ট করি; দর্শক যে-রকম স্বচ্ছন্দে কোনও রিল বা ভিডিও দেখেন, সেটা বানানোর নেপথ্যে কিন্তু সেই স্বচ্ছন্দ গতিটা থাকে না, এটা দীর্ঘ পরিশ্রম ও সময়সাধ্য কাজ। ফলত এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর আমাদেরও ভেবে ক্লান্তি হয়, পরের দিন আবার একটা নতুন ভিডিও শুট!’

‘দুরন্ত খেলোয়াড়দের অটল ঈশ্বরবিশ্বাস দেখে কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে, এঁরা যখন হেরে যান, বা সহজ শট ফসকান, তখন ঈশ্বরকে দায়ী করেন কি? কিংবা জেমাইমাই যে-দুটো লোপ্পা ক্যাচ তুলেছিলেন ওই ম্যাচে, যদি সেগুলো ফিল্ডাররা ধরে নিতেন, তাহলে কি ঈশ্বরের দোষ দেওয়া হত?’

‘একদিন অফিসে আমার টেবিলের সামনে এসে পরিচয় দিলেন তিন নাবিক। একজনের পরনে পেতলের বোতাম আঁটা ধূলিধূসরিত নীলচে জ্যাকেট, মাথায় গল্ফ ক্যাপ, বাকি দু’জনের ওই ধাঁচে জোব্বা, ঝোলা… করমর্দনের হাত বাড়ালেন জীবনযুদ্ধে লড়াকু তিন জলমানব।’

কত বিচিত্র পথে হেঁটেছেন ফরিদ। জন্মস্থান থেকে কাবুল গেছেন ধর্মতত্ত্ব পড়তে— তাঁর গুরু ফকির কুতবুদ্দিন বখতিয়ার কাকি প্রথমে তাঁকে শিষ্য হিসেবে মেনে নেননি, বলেছিলেন আরও লেখাপড়া শিখে এসো বাপু, তবে ছাত্র করে নেব তোমায়। ফরিদ তাই গিয়েছিলেন কাবুল। কিছুকাল পড়াশোনা করে ফিরে আসেন। শিষ্যত্ব মেলে। ফরিদ দিল্লি এসেছেন অনেকবার।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.