
নীলা-নীলাব্জ : পর্ব ২
‘চাঁদনি থেকে এসপ্ল্যানেডের দিকে চলেছে মেট্রোটা। পরের স্টপেই নামতে হবে নীলাকে। দরদর করে ঘামছে। এই ভিড় থেকে বেরতে পারলে বাঁচে। স্টেশনে নেমে ঊর্ধ্বশ্বাসে হাঁটতে থাকে। কলকাতার এই ধাক্কাধাক্কিতে এখন অবশ্য সম্পূর্ণ অভ্যস্ত নীলা।’

‘চাঁদনি থেকে এসপ্ল্যানেডের দিকে চলেছে মেট্রোটা। পরের স্টপেই নামতে হবে নীলাকে। দরদর করে ঘামছে। এই ভিড় থেকে বেরতে পারলে বাঁচে। স্টেশনে নেমে ঊর্ধ্বশ্বাসে হাঁটতে থাকে। কলকাতার এই ধাক্কাধাক্কিতে এখন অবশ্য সম্পূর্ণ অভ্যস্ত নীলা।’
দুটো ভিন্নমত, যতই বিপরীতধর্মী হোক না কেন, তাদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই প্রকৃতির ধর্ম। আনকোরা নতুন এই গানটাও সেই বহুত্ববাদের কথাই বলে। শোনা যাবে সদ্য মুক্তি পেতে চলা ‘আলাপ’ ছবিতে, অনুপম রায় ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর কণ্ঠে।

বাঘাযতীন মোড়। এক সোমবারের সকালে অফিস যাওয়ার পথে নীলার দেখা হয় নীলাব্জর সঙ্গে। তবে শুধুই নীলাব্জ নয়, দেখা হয় জীবনের সেই গভীর দার্শনিক প্রশ্নটার সঙ্গেও, ইঁদুরদৌড় জীবনের শেষ কথা কি না।
‘কবিদের মৃতদেহ/ চাপা পড়ে কাগজে,/ বসন্ত এসে গেছে…’।
আদৌ কি প্রেমের গান, নাকি এই অক্ষরগুলোর অন্তরালে লুকিয়ে ছিল স্রষ্টার অন্য কোনও ভাবনা? ‘চতুষ্কোণ’ ছবির সেই বিখ্যাত গানের গল্প এবারের ‘সং স্টোরি শর্ট’-এর পর্বে।

শিল্পমনস্ক বাঙালি দীর্ঘদিন ধরেই ‘জলসাঘর’ নামটার সঙ্গে পরিচিত। সে তারাশঙ্করের ছোটগল্পেই হোক বা সত্যজিতের সিনেমায়। সেসব পার করে বছর চারেক আগে আরও একবার এই নামে লেখা হল গান; বাঙালি জীবনের নস্টালজিয়াই যে-গানের মূল বক্তব্য।

আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হল অনুপম রায়ের জনপ্রিয় সিরিজ ‘ম্যাকি’ ২। পাওয়া যাচ্ছে আজকাল প্রকাশন-এর ২৩১ নম্বর স্টলে।

শায়েরির সঙ্গে ব্রেকআপ-এর পরে নিজের লাইফস্টাইল বদলে ফেলে অ্যান্টনি। কিন্তু মাস ছয়েক পরেই বন্ধু টম-এর একটা কল সবকিছু পালটে দেয়। ফোনে টম কী জানায় অ্যান্টনিকে?

শায়েরির কিডন্যাপ-পর্ব যে আসলে সিনেমার শুটিং-এর দৃশ্য তা জেনে হতভম্ব অ্যান্টনি। সিনেমার হিরোর মতোই প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও তাকে বাঁচানোর যে কোনও মূল্যই দিল না শায়েরি; এবার কী করবে অ্যান্টনি?

অ্যান্টনির মান ভাঙানোর জন্য শায়েরি ফোন করে তাকে দেখা করতে বলে। কিন্তু শায়েরির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে প্রায় গাড়ি চাপা পড়ে অ্যান্টনি; যে গাড়িতে করে অ্যান্টনির চোখের সামনেই কিডন্যাপ করা হয় শায়েরিকে! এখন কী করবে অ্যান্টনি?
নিজের বাড়ি, বাবা-মা, বন্ধুদের ছেড়ে অন্য শহরে চলে যাওয়া যে শুধুই একাকীত্বের জন্ম দেয় তা নয়; সেই যন্ত্রণা শিল্পীর অন্দরমহলে জন্ম দেয় শব্দের ও সুরের। নিজের শিকড়ে ফিরে যাওয়ার সেই কথাই বলে ‘তিস্তান’। এবারের পর্বে রইল সেই গানের গল্প।

শায়েরি যে তার প্রশ্নবাণে বিরক্ত তা বুঝতে পেরেও অ্যান্টনি নিরুপায়। তবুও শায়েরির মান ভাঙানোর জন্য অ্যান্টনি তার সঙ্গে মুখোমুখি দেখা করবে ঠিক করে; কিন্তু শায়েরি কি আসবে দেখা করতে?

পার্টিতে গাঁজায় সুখটান দিয়ে অ্যান্টনির অবস্থা খারাপ। তার উপর ইকবাল যে ফ্রড, তাতে অ্যান্টনির কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু তার সন্দেহের কথা কি সে শায়েরিকে বলার সুযোগ পাবে যখন লালু-ভুলু সারাক্ষণ শায়েরির পিছনে ছায়ার মতো ঘুরছে?
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.