পেশায় শিক্ষক; গল্পকার, কবি ও প্রাবন্ধিক। ইতিহাসের চাপা পড়া কণ্ঠস্বর, মফস্সলের প্রান্তজীবন এবং সমকালীন সমাজের অস্বস্তিকর প্রশ্ন তাঁর লেখার প্রধান অন্বেষণ। প্রতিষ্ঠিত সত্যকে সন্দেহ করাই তাঁর লেখালিখির স্বভাব।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক। দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন আকাশবাণী-র সঙ্গে। তাঁর চতুষ্পাঠী, জলের উপর পানি, হলদে গোলাপ-এর মতো উপন্যাস সাড়া ফেলেছে। ছোটগল্প থেকে অণুগল্প, গদ্যের নানা মার্গে তাঁর যাতায়াত। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লেখক উত্তর কলকাতাকে এখনও লালন করেন মনেপ্রাণে।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
ছবি আঁকায় প্রথম আগ্রহ। বাড়ির প্রবল আপত্তিতে প্রথাগত ছবি-পাঠ হয়নি। ছবির সাধ কবিতায় মেটানোর চেষ্টা। তার পর, প্রচুর সিনেমা দেখা, কবিতাকে যা বাড়িয়েছে। কবিতার চেয়েও গল্প লিখে বেশি ফুর্তি। পেশায় সাংবাদিক। নানা বড়-ছোট মাধ্যমে বছর কুড়ি কাজকর্ম। প্রবন্ধ লেখার নিরন্তর তাগিদ রয়েছে এর ফলে। বেশ কিছু প্রবন্ধ ছড়ানো ছিটানো। কয়েকটি বই কবিতার। সম্পাদিত গদ্যগ্রন্থও আছে।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
পৃথু হালদারের শিক্ষা-জীবনের এগারো বছর কেটেছে রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ আর নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের জলহাওয়াতে। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর ছাত্র। স্কুলে পড়াকালীন প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় রাজ্যপাল পদকপ্রাপ্তি। প্রকাশিত লেখালেখি বিভিন্ন পত্রিকায়। বাংলা সাহিত্য ও বিশ্ব সাহিত্যে আগ্রহী।
সোহিনী দাশগুপ্ত চিত্র-পরিচালক, তথ্যচিত্র-নির্মাতা, কবি। আঠারো বছর ধরে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত-র সহকারী পরিচালক ও সহ-চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১৪ সালে নিজের প্রথম বড় ছবি, ‘ছোটিমোটি বাতে’-র (হিন্দি) পরিচালনা। সাম্প্রতিক তথ্যচিত্র ‘ড্রামা ক্যুইন্স‘ এবারের ইন্ডিয়ান প্যানোরামা-তে দেখানো হয়। সিনেমা আর কবিতা ছাড়া ভালবাসেন নাচ ও পারফর্ম্যান্স নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে।