সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।
শিলাদিত্য সিংহ রায়, প্রাক্তন প্রকাশনকর্মী। দীর্ঘ দিল্লি প্রবাসের পর অবসর নিয়ে বর্তমানে কলকাতায়। ভারতীয় বই এবং প্রকাশনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে উৎসাহী।
গবেষক ও প্রাবন্ধিক। কাজ করেন লোকসাহিত্য নিয়ে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে গবেষক, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক।
অভিজিৎ দাশগুপ্ত দূরদর্শনের স্টেশন ডিরেক্টর ছিলেন। ইএসপিএন, আজ তক, এনডিভি-তে ‘হেড অফ প্রোডাকশনস’ পদে কাজ করেছেন। সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের ডিন ছিলেন। তাঁর লেখা বই ‘আ ক্যানডিড ক্যানভাস’, ‘দ্য বার্থ অফ বাংলাদেশ থ্রু মাই আইজ’।
কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক। লিখিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'অবাঙমানসগোচর', 'আত্মানাং বিদ্ধি', 'পাঁচ দুপুরের নির্জনতা', 'বেলঘরিয়ার ইতিহাস সন্ধানে' প্রভৃতি। সম্পাদিত ও সংকলিত গ্রন্থের মধ্যে 'দেশভাগ এবং', 'না যাইয়ো যমের দুয়ার' প্রশংসা পেয়েছে পাঠকমহলে।
সাংবাদিক, লেখক, সমাজকর্মী। দীর্ঘদিন কাজ করছেন বাংলা সংবাদমাধ্যমে। সাহিত্য, চলচ্চিত্র থেকে মানবাধিকারের মতো বিবিধ বিষয় নিয়ে কাজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক। দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন আকাশবাণী-র সঙ্গে। তাঁর চতুষ্পাঠী, জলের উপর পানি, হলদে গোলাপ-এর মতো উপন্যাস সাড়া ফেলেছে। ছোটগল্প থেকে অণুগল্প, গদ্যের নানা মার্গে তাঁর যাতায়াত। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লেখক উত্তর কলকাতাকে এখনও লালন করেন মনেপ্রাণে।
আব্দুল কাফি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। এছাড়া তিনি সু-বক্তা, প্রাবন্ধিক এবং অনুবাদকও বটে। তাঁর কয়েকটি অনূদিত: গ্রন্থ ‘কথাচিত্রকণা’, ‘দূরের মাদল’, ‘আমি তুমির লীলা’, ‘অমলিন শোলোক’ প্রভৃতি।
জীববিজ্ঞানে স্নাতক, পরিবেশবিদ্যায় স্নাতকোত্তর হওয়ার পর লেখালেখিতে মনোনিবেশ। ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষ , বিজ্ঞান-চর্চার ইতিহাস থেকে ঐতিহাসিক অপরাধ— বহুমুখী বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, ওয়েব-পোর্টালে নিয়মিত লেখালেখি করছেন। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা একটি।