চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
অংশুমান ভৌমিক সাংস্কৃতিক ভাষ্যকার ও নাট্য সমালোচক। শিক্ষকতা করছেন দু’দশকের ওপর। সংস্কৃতির নানান দিক নিয়ে চর্চার সুবাদে গোটা আটেক বই বেরিয়েছে দেশ-বিদেশ থেকে। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ ও ‘কৃত্তিবাস মাসিক’-এর নিয়মিত নাট্য সমালোচক। প্যান্ডেমিকের দরুন হুটহাট বাংলাদেশ যাওয়া যাচ্ছে না বলে ইদানীং মনমরা হয়ে পড়েছেন।
রূপম ইসলাম গায়ক, সুরকার, গীতিকার, সঙ্গীত পরিচালক, লেখক; বিখ্যাত বাংলা রক্ ব্যান্ড ফসিলস্-এর প্রাণপুরুষ। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ২০১০ সালের বাংলা ছবি 'মহানগর@কলকাতা'-তে নেপথ্য গায়ক হিসেবে; কাজ করেছেন বিভিন্ন বাংলা, হিন্দি, ওড়িয়া এবং তেলুগু ছবিতে। বাংলা রক সঙ্গীত বিষয়ক লেখালেখি, পত্রিকা সম্পাদনা এবং বইপ্রকাশ নিরন্তর। সম্প্রতি নিয়মিত লিখছেন অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস।
সাগুফতা শারমীন তানিয়া ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক। বর্তমানে প্রবাসী এই লেখকের বইয়ের সংখ্যা আট। লিখেছেন ‘ওয়াসফিরি’, ‘এশিয়া লিটেরারি রিভিউ’ এবং ‘সিটি প্রেস’-এর মতো সাহিত্য-জার্নালে। ২০১৯ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ পুরস্কার।
উপল সেনগুপ্ত গায়ক, সুরকার। এছাড়া কার্টুনিস্ট হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অনেক ছবি আঁকেন, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, নতুন প্রতিভা তুলে আনায় তাঁর জহুরির চোখ এবং বড়দা-সুলভ উদারতা তাঁকে অনন্য করেছে।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
অরুণ মুখোপাধ্যায় ‘চেতনা’ নাট্যদলের প্রাণপুরুষ। তাঁর রচিত ও পরিচালিত ‘মারীচ সংবাদ’ নাটকে তিনি মিলিয়ে দেন পৌরাণিক স্বৈরাচার, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও বাংলার গ্রামীণ শোষণ। আবার লু স্যুন অনুপ্রাণিত ‘জগন্নাথ’ নাটকে তিনি মঞ্চে আহরণ করেন চলচ্চিত্রভাষা, আর নায়কের চরিত্রে তাঁর অভিনয় ফুটে ওঠে সরসতা ও বিপন্নতার এক আশ্চর্য মিশ্রণ। বহু নাটক লেখা, পরিচালনা, অভিনয়— তিন ক্ষেত্রেই তাঁর উজ্জ্বল স্বাক্ষর বাংলা নাটকে সম্পদ হয়ে আছে।
লেখালেখির জগতে শুভংকরের চলাফেরার প্রায় এক দশক হতে চলল। এখনও অব্দি প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দশটি। বইয়ের বাইরে নানা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে শুভংকরের সমালোচনাধর্মী নিবন্ধ, অনুবাদ, গদ্য ও কবিতা। লেখালেখির পাশাপাশি শুভংকর ইংরাজি সাহিত্যের অধ্যাপনায় নিযুক্ত, এবং ‘পারফরমেন্সের অনুবাদ’ বিষয়ে তাঁর গবেষণা। লেখক ও সদস্য হিসেবে যুক্ত ‘অন্তর-রঙ্গ’ নাট্যদলের সঙ্গে।
উপল সেনগুপ্ত গায়ক, সুরকার। এছাড়া কার্টুনিস্ট হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অনেক ছবি আঁকেন, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, নতুন প্রতিভা তুলে আনায় তাঁর জহুরির চোখ এবং বড়দা-সুলভ উদারতা তাঁকে অনন্য করেছে।
অনির্বাণ ভট্টাচার্য কবি, গদ্যকার। বর্তমানে দূরদর্শন কেন্দ্রে প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত। প্রকাশিত কবিতার বই ‘সন্ত নিকোলাসের হাড়গোড়’ (২০১৫) এবং ‘ছেঁড়া কাঁথা, অনন্ত সৎকারগাথা’ (২০১৬)। শখ– চলচ্চিত্র, তিকিতাকা ফুটবল, কান্ট্রি মিউজিক এবং প্রাচীন মন্দির-স্থাপত্যরীতি নিয়ে পড়াশোনা।