রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।
সুমন মুখোপাধ্যায় চিত্র পরিচালক, নাট্য পরিচালক, লেখক। প্রথম ছবি ‘হার্বার্ট’ পায় ‘শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র’ হিসাবে জাতীয় পুরস্কার। পরিচালনা করেছেন ‘দ্য ম্যান অফ দ্য হার্ট’, ‘বিসর্জন’ এবং ‘তিস্তাপারের বৃত্তান্ত’-এর মতো অসাধারণ নাটক। সাম্প্রতিককালে
সময়ের তাগিদে আবারও মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছেন তাঁর পরিচালিত ‘মেফিস্টো’।
অভীক মজুমদার কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : ‘সিন্ধুলিপি’ (২০১৫), ‘ভিক্ষাপাত্র’ (২০১৫), ‘পাগলের সঙ্গ করো’ (২০১৮)। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক। শখ : গান শোনা, সিনেমা দেখা, শিল্পকলা আস্বাদন। লেপচা লোকসাহিত্য এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষার কবিতা বাংলায় তরজমার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন মারাঠি দলিত কবি ‘নামধেও ধসালের কবিতা’ (২০১৪)।
সংযুক্তা বসুর জন্ম ১৯৬১ সালে। ১৯৮৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির পর ‘আনন্দবাজার পত্রিকা‘র বিনোদন বিভাগে দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা করেছেন। এখনও লেখালেখির মধ্যেই থাকতে ভালোবাসেন।
কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক। লিখিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'অবাঙমানসগোচর', 'আত্মানাং বিদ্ধি', 'পাঁচ দুপুরের নির্জনতা', 'বেলঘরিয়ার ইতিহাস সন্ধানে' প্রভৃতি। সম্পাদিত ও সংকলিত গ্রন্থের মধ্যে 'দেশভাগ এবং', 'না যাইয়ো যমের দুয়ার' প্রশংসা পেয়েছে পাঠকমহলে।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক। দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন আকাশবাণী-র সঙ্গে। তাঁর চতুষ্পাঠী, জলের উপর পানি, হলদে গোলাপ-এর মতো উপন্যাস সাড়া ফেলেছে। ছোটগল্প থেকে অণুগল্প, গদ্যের নানা মার্গে তাঁর যাতায়াত। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লেখক উত্তর কলকাতাকে এখনও লালন করেন মনেপ্রাণে।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
শুভঙ্কর দে প্রকাশক, লেখক। দে’জ পাবলিশিং ছাড়াও ‘কমলিনী’ প্রকাশনের যাবতীয় গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে। সবাই ‘অপু’ নামেই চেনেন তাঁকে। ঝুলিতে নানান মজার-মজার গল্প নিয়ে ঘুরে বেড়ান। জীবনের লক্ষ্য একটাই, কী করে একের পর এক ভাল বই বের করা যায়।