চৈতী মিত্র ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক। অবসর সময়ে অনুবাদ, অভিনয়, আর পত্র পত্রিকায় লেখালেখির অভ্যাস আছে। সম্প্রতি অনুবাদ করা ‘হ্যামলেট’ নিয়মিত মঞ্চস্থ হচ্ছে । শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘চন্দনেশ্বর জংশন’ ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন।
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমফিল। বর্তমানে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে শ্রী চৈতন্য কলেজ, হাবড়া এবং ফকিরচাঁদ কলেজে কর্মরত।
প্রকাশিত বই : লিপি ছাড়া ক্ষত আছে কিছু? (তৃতীয় পরিসর)
তোমার হাসির থেকে দূরে (একলব্য)
কররেখাপথ (মাস্তুল)
দূরের ময়না দ্বীপ ( শব্দ, কলকাতা)
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
জগন্নাথদেব মণ্ডল কবি, গদ্যকার। প্রকাশিত বই: ‘মাটির সেতার’ ও ’সীতাগাছের কোলে’। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার ও আদম সম্মাননা। ভালবাসেন গান শুনতে
আর মাটির ছোট-ছোট পুতুল গড়তে।
জলপাইগুড়ির প্রসন্নদেব মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করেন। মূলত গল্পকার। গল্পের পাশাপাশি নিবন্ধ, প্রবন্ধ লিখে থাকেন এবং অনুবাদ করে থাকেন। সম্পাদিত ও অনূদিত বই, 'অর্ধেকের খোঁজে: ভারতীয় নারীর হাজার বছরের নির্বাচিত কবিতা'।
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
পার্থ দাশগুপ্ত চিত্রকর, সেরামিক শিল্পী, ইন্সটলেশন শিল্পী, শিল্পশিক্ষক। ভারতে প্রথম সেরামিকস ট্রাইয়েনিয়াল ছাড়াও যোগদান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থাপত্য প্রকল্পে, দক্ষিণ কোরিয়ায় আন্তর্জাতিক সেরামিক প্রদর্শনীতে। দুর্গাপুজোর ব্যতিক্রমী মণ্ডপ নির্মাণের ক্ষেত্রে তাঁর গবেষণা এবং ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।