November 11, 2022

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৮৬

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং : পর্ব ৩৬

‘সমস্ত সমগ্র সমুদয় সিনারি পবিত্র হলে তবে তুমি জলকে নামবে, এ-কথা ভাবলে জীবন রুদ্ধ। সব কথা জানাও যায় না, আর সব জানলে পুরোটার ভিত্তিতে কাউকে পাশ-নম্বর দেওয়াও যায় না। দেখতে হবে তোমার কাজ চলছে কি না, আর অন্য ক্ষেত্রগুলোয় মোটামুটি এড়িয়ে-পেরিয়ে সরে-সরে থাকতে পারছ কি না।’

সব্যসাচী সান্যাল

ভ্রমণকাহিনি; চ্যাপ্টার রামগড় (উত্তরাখণ্ড)

‘ঐ যে পাহাড়। আর ত্যারছা ঢাল তার। ঢাল বেয়ে পাথর গড়িয়ে পড়ে, গাড়ির হর্ন, আফশোস, স্নেহ, কৃতজ্ঞতার মতো বিশাল চাঙড়, খুচরো থ্যাংকিউ, সন্ধ্যা নামতে থাকলে ব্লেন্ডারস প্রাইড। গ্লেন খোঁজা বারণ।’

ঋভু চট্টোপাধ্যায়

এই আমি অথবা আমি

‘অম্লান আসলে কে? আমি, না কি আপনারা সবাই? না কি কেউ না, ওই আয়নাটা কিছু জানে, বোঝে? আমি নাচলে নাচে, কাঁদলে কাঁদে। কিন্তু বাকি কিছু? অম্লান মানে আমি, মানে আপনারা, এভাবেই দাঁড়িয়ে ছিলাম।’