
উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩১
‘দাদুর কাছে পাটিগণিত করার মজাই ছিল আলাদা। কঠিন-কঠিন অঙ্কগুলো যখন উত্তরে মিলত না, দাদু টেনে নস্যি নিতেন আর-একবার। ‘র, র! উত্তর মিলতেই হইব! অঙ্ক না হইয়া যাইব কই?’ আবার নতুন করে ভাবতে বসতেন, আবার নতুন করে করতেন।’

‘দাদুর কাছে পাটিগণিত করার মজাই ছিল আলাদা। কঠিন-কঠিন অঙ্কগুলো যখন উত্তরে মিলত না, দাদু টেনে নস্যি নিতেন আর-একবার। ‘র, র! উত্তর মিলতেই হইব! অঙ্ক না হইয়া যাইব কই?’ আবার নতুন করে ভাবতে বসতেন, আবার নতুন করে করতেন।’

“সত্যজিৎ তাঁর সাহিত্যে বারংবার এনে ফেলেছেন নানান গণৎকার ও জ্যোতিষী চরিত্রকে, বারবার সংঘাত ঘটিয়েছেন সেই বিজ্ঞান-যুক্তির ‘নির্দিষ্ট’ আর আবছায়া ‘অনির্দেশ্য’ জগতের। কখনও তারা ভণ্ড, ক্ষতিকর। যেমন ‘গোঁসাইপুর সরগরম’-এ আত্মারাম মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য।”

‘বাংলা সাহিত্যে বিনয় মজুমদারের কবিতায় ক্যালকুলাস, ভ্যারিয়েবল এবং জ্যামিতি সরাসরি ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁর গণিত-প্রভাবিত কাব্যচিন্তা জীবনভর ধারাবাহিক ছিল, বিশেষ করে আটের দশক থেকে তাঁর গণিত আবিষ্কার এবং কবিতায় সেগুলোর প্রয়োগ আরও সুস্পষ্ট হয়।’

‘রামানুজন লিখেছে, সে খুঁজে পেয়েছে সেই সমীকরণ, যা আমাদের পৌঁছে দিতে পারে অনন্তে। সে জানিয়েছে, an equation for me has no meaning unless it expresses a thought of God.’

‘যন্ত্র ও যন্ত্রীর এই যে সম্পর্ক, যন্ত্রের ব্যবহারের সীমারেখা টানা নিয়ে যে আবহমান বিতর্ক— সেখানে শকুন্তলা দেবীর এসে পড়া একটা অধ্যায়। স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী ভারতে যে কন্নড় পরিবারে শকুন্তলার জন্ম, তার সঙ্গে গণিতশাস্ত্রের দূরদূরান্ত অবধি কোনও সম্পর্ক ছিল না।’

অষ্টাদশ শতকে শুভঙ্কর ছাপাখানার আনুকূল্য পাননি। তিনি ছিলেন বিশুদ্ধ মানসাঙ্ক প্রণেতা। সাধারণ মানুষ তার নিজের প্রয়োজনে ‘শুভঙ্করের আর্যা’কে মনে রেখে বংশ-পরম্পরায় জিইয়ে রেখেছে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.