
জনতার কাছে তাঁর গান আরামের মতো, আপ্যায়নের মতো, শুশ্রূষার মতো এসে পৌঁছয়। ধর্মীয় নেতাদের দেখানো ইসলামে তাঁর আস্থা নেই বোঝাই যায়, তিনি রুমির শিষ্য, মনসুর হাল্লাজের উত্তরপুরুষ, হাল্লাজের মতোই তিনি দৃঢ়ভাবে জানাতে পারেন, আমি-ই সব, আমরা-ই সমস্ত জুড়ে আছি, আমরা সবাই, সব আমি-ই আসলে তিনি।

‘ছবিতে মেয়েটি প্রথমে প্রথাসিদ্ধ, পরে একটা আঘাত পেয়ে অকস্মাৎ একলা, তারপরে একটা সাধনার প্রতি অনুরক্ত এবং শেষে নিজশর্তে একটি প্রেম গ্রহণের বিন্দুতে স্থিত। তার এই বিবর্তনের মূলে আছে জীবনের কেন্দ্রে বস্তুগত অনাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিষ্ঠা করা, বা ঈশ্বরের আসন পেতে দেওয়া।’

‘তোমারও ঘুমের রং কফির মতোই নীল কড়া ও কাফের/ যেমন নাটক ছিল পাড়ার মলিন স্টেজে ছোটকাকাদের/ তেমনই তোমার মন দুটো ছোট হাততালি জড়িয়ে ঘুমোয়/ বিরহ রাহুল দেব গুলজার হয়ে এসে পাশ ফিরে শোয়’

‘টিটোর যুগোস্লাভিয়ায় সমকামিতা খারাপ, ফলে এই চার সমকামী বন্ধু, কমিউনিস্টদের চোখে সমাজের রোগ, অতএব এদের উপড়ে বাদ দিয়ে দেওয়া হোক, মোটামুটি এই হল ছবিটির মূল উপজীব্য।’

‘সেইদিনের পর থেকে আমরা পারতপক্ষে একসঙ্গে ওর টোটোতে উঠতাম না। যদিও কার্তিক আর আমার যোগাযোগ থেকেই গেছিল। মাঝে-মাঝে চায়ের দোকানে ও আসত। কথা হত। এভাবেই চলছিল। কোনও একটা অজ্ঞাত কারণে কার্তিকের ওপর আমার মায়া পড়ে গেছিল।’
গল্প।টোটো কোম্পানি

‘মুখের ওপর সত্যি বলতে মানুষের এত অসুবিধে কেন হয় গো ! খালি সান্ত্বনা, খালি সোনা পুতুল মিঠে পুতুল বলে ন্যাকামি ৷ লজ্জা করে না!’
গল্প। পাগল দু’নয়ন

‘না-জানে তোমার মুখ, এমনই তো গান/প্রতিটি বিচ্ছেদ জেনো প্রেমের সমান/ছেড়ে যেতে ফের ঘুরে ডাকে,/আমাদের অবসাদে ফুটে থাকা ফুল/জাহাজের মৃতদেহ। জলের মাসুল।/
ছোঁব, তবু পাব না তোমাকে।’

‘তরিবতের বিহনে মঞ্জরী/ বাগানে মন শুকিয়ে রাখে ভিজে…/ আমি তোমায় কথা-অবাক করি,/ তুমি আমার নিন্দে করোনি যে!/ শত্রু চায় ফুলের আমদানি/ পরাগ তার মাধুর্য বিকিয়ে/ শোধ করেছে বিষাদঋণখানি…/ সন্ধেবেলা কুহকে তার বিয়ে।’

‘অদিশ ভয়ঙ্কর ভেঙে পড়েছিল; কয়েকমাস রীতিমতো ডিপ্রেশনে চলে যায়। দু’চোখে অন্ধকার দেখে, এমনকী শিশুপুত্রকেও অবহেলা করতে শুরু করে। তার গুটিকয়েক বন্ধু , কলিগ এবং সায়নীদি পাশে না দাঁড়ালে কী যে হত সে-সময়ে…’

‘প্রেম কেড়ে নেওয়ার তরবারি যেমন কতটা ছেদ করে যায় বোঝা যায় না, তেমনি আরোগ্য-কাণ্ডের কোলকুঁজো স্টান্স এবং ভিটভিটে রেলাও তার তুখড় খেলা আবডালে রাখে। আগে কে জানত, তেড়ে ফুচকা খেয়ে নিলেই যে-জ্বালাটা ধরে, তেঁতুলজল আর অশ্রুজলে তফাত গুলিয়ে যায়!’

‘ঢেউ ওঠে পাতা পাতা, বইয়ের দু’ধারে সাদা বালি/ তোমার কাগজ চেনে মৃদু বিষাদের কর্মখালি/ এদিকে যে-কোনও মর্মে যুগে যুগে ক্ষুব্ধ নেটিজেন।/ এরই মধ্যে, সে বালক, জানেমন, বহু রাস্তা পার/ সোনালি রাগের সুরে ঝলসে ওঠে ডুবন্ত সেতার!’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.