Kolkata সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representative Image
অর্পণ ঘোষ

জীবনের জলছবি

‘কেন ভারত তথা কলকাতায় কাবুলিওয়ালাদের অভিবাসন ও সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের ইতিহাস জানা জরুরি? এ-প্রসঙ্গে সৈয়দ মুজতবা আলিকে স্মরণ করেছেন লেখক। ‘আফগানিস্তানের ইতিহাস না লিখে ভারত ইতিহাস লেখার জো নেই।’ লেখক এই ‘জরুরিত্ব’কে প্রথমে ব্যাখ্যা করেছেন ভারত-আফগানিস্তানের ভৌগলিক অবস্থান দেখিয়ে।’

Representative Image
রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৩

‘বিধান সরণিতে অবস্থিত কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গির্জা বা ক্রাইস্ট চার্চ তৈরির পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ‘অ-খ্রিস্টান’ নেটিভ এলাকায় খ্রিস্টধর্ম প্রচার। সে-কারণে গির্জা নির্মাণের জন্য, প্রথমে কলেজ স্কোয়ারে হিন্দু কলেজের কাছে কেনা হয়েছিল একখণ্ড জমি।’

Representative Image
শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ৫৭

তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বালি ও তরমুজ’। ‘উত্তর কলকাতার কবিতা’ থেকে ‘গুপ্ত দাম্পত্য কথা’ হয়ে ‘টুরিস্ট কাহিনী’— প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা মুখে-মুখে ফেরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে! তাঁর কবিতা যেন ‘অতিকাল’-এর অমোঘ উচ্চারণ! যেখানে নির্দিষ্ট অঞ্চল হয়ে উঠেছে— অন্তর্লীন জগত…

রামিজ আহমেদ

গির্জানগর : পর্ব ২

“কলকাতা শহরে আগত তামিলরা শুধু ক্যাথলিক হননি, তাদের অনেকে প্রোটেস্ট্যান্ট বিশ্বাসে‌ যিশুকে হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন, যেমনটি ধারণ করে আছে তাদের গির্জা “সেন্ট স্যাভিওর’স চার্চ” (১৮৪৯)। গির্জাটি তৈরি হয়েছিল ‘ইউনাইটেড সোসাইটি ফর দ্য প্রোপাগেশন অফ দ্য গসপেল’-এর সহায়তায়। তবে ১৯৩৮ সালের আগে অবধি এই গির্জার ভেতরে তারা প্রার্থনা করত না, ততদিন অবধি এই গির্জা বাঙালি মণ্ডলীর ছিল, তামিলরা প্রার্থনা করত গির্জার বাইরে প্যারিশ হলে।”

মৃদুল দাশগুপ্ত

মাও-এর মুখ

‘একবার যখন দশম শ্রেণিতে পড়া ক্লাস ইলেভেনের মানিক এসে বলল, যাদের যাদের এক্স রে প্লেট আছে, আমাকে দিবি তোরা। তখনই জানলাম, কাঠগোলার ভজাদা বাটালি দিয়ে ওই এক্সরে প্লেট খুদে খুদে মাওয়ের মুখটি তৈরি করে দেবেন।’

অর্পণ গুপ্ত

মেসি, ময়দান, মুনাফা

‘কেবলমাত্র ফ্যান এনগেজমেন্ট ইভেন্ট হিসেবেও মেসির কলকাতা ভ্রমণকে বিতর্কের বাইরে রাখা যেত। উদ্যোক্তারা যে সর্বসাকুল্যে একঘণ্টা সময় পেয়েছিলেন দর্শকের সামনে মেসিকে নিয়ে আসার, সেই সময়ে ম্যানেজমেন্টের এই বিপুল গাফিলতি কেন?’

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

গানে-নাচে মান্না দে

বাঙালি রবীন্দ্রনাথের গানের সঙ্গে নাচের সম্মিলন দেখেছে, দেখেছে নজরুল-এর গানের সঙ্গেও। ‘মান্না দে-র গানের সঙ্গে নাচ!’— প্রাথমিকভাবে শুনে বিস্ময়কর মনে হলেও, সম্প্রতি কলকাতা শহর সাক্ষী থাকল এক বিরল শিল্পভাবনার।

Fire Crackers
ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ১৫

কেবল শব্দবাজি নয়, ডিজে বাজানো থেকে সাইলেন্সার খুলে রাস্তায় বাইক হাঁকানো, অন্যের অসুবিধে হবে জেনেও আরও যা যা করা সম্ভব, কোনওকিছুতেই বাঙালি আর ক্ষমাপ্রার্থী নয়। অন্যায়ের পক্ষে অপযুক্তি আছে, তাও না থাকলে রয়েছে সরাসরি কাঁধ ঝাঁকিয়ে উপেক্ষা বা ‘বেশ করেছি’-র অহং।

Book Cover
পারঙ্গমা সেন সাহা

পুজো, হুজুগ, সচেতনতা

‘পুজো বাঙালির নস্টালজিয়া, এই হুজুগে মাততে বাঙালি ভালবাসে। আর সেই সুযোগে বইপাড়ায় হু-হু করে বিকোয় পুজো বিষয়ক ভাল-মাঝারি-মন্দ সবরকমের বই, সোশ্যাল মিডিয়ায় থিকথিক করে মিথ্যে বা অর্ধ সত্য পোস্ট। উক্ত বইটিও লেখকের কলকাতার পুজোকে ঘিরে আপ্লুত আবেগের অসংলগ্ন প্রকাশ।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবদ মূলত কাব্য: পর্ব ২১

প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ বইটির কবিতাগুলি নিয়ে বেশ বুঝিয়েছিলেন, আমাকে আপন পথটি বেছে নিতে হবে। নানা ধরনের ব‍্যাপারে আমাকে সতর্কই করেছিলেন তিনি। তাঁর এসব কথা আমার দারুণ লেগেছিল। সে-সময়ে বিস্তর ভেবেছি।
সংবাদ মূলত কাব্য। পর্ব ২০

Arun Nag
ডাকবাংলা.কম

সাক্ষাৎকার: অরুণ নাগ

‘যে-বিষয় নিয়ে বইটা লেখা, যে-সময়ের কথা বলা, সে-সময়ে কিংবা তার আগে-পরে কি এ-বিষয়— নেশা বা রান্না-খাওয়া ইত্যাদি নিয়ে কেউ লিখেছেন? কেউ লেখেননি। যাঁর যেটা ইচ্ছে হয়, সেটা নিয়ে তিনি চর্চা করেন। এখন সেটা ধ্রুপদী ইতিহাসের তকমা পাবে কি না, সে-তো পাঠক বলবেন!’
সাক্ষাৎকার। অরুণ নাগ   

Representative Image
গৌতমকুমার দে

ফিলাটেলির হাট

‘বেচাকেনার এই হাটে ছিল কিছু স্বতন্ত্র স্থানমাহাত্ম্যও। যেমন ‘বটতলা’, ‘চায়ের দোকান’, ‘গাছতলা’, ‘রেলনীড়’ ‘এটিএম’ নাম উচ্চারণের সঙ্গে-সঙ্গে হাটে নিয়মিত আগত মানুষটি বুঝে যেতেন সুনির্দিষ্টভাবে কোন জায়গার কথা বলতে চাইছেন বক্তা। এগুলো ছিল কোডনেমের মতন।’
বিশ্ব ডাক দিবসে বিশেষ নিবন্ধ…