Kolkata সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Representative Image
রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৫

‘ইহুদিরা কলকাতায় এসেছিলেন মূলত ব্যবসার সূত্রে। মনে করা হয়, কলকাতায় আসা প্রথম ইহুদির নাম, শালোম বেন অ্যারন বেন ওবাদিয়া হাকোহেন। তবে তার আগে লিয়ন প্রাগার নামে একজন ইহুদি বণিক কলকাতায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ২

‘তখন সিনেমা হলের পাস ছিল। আর উজ্জ্বলার চানাচুর ছিল। এখন উজ্জ্বলা হল নেই, কিন্তু চানাচুর আছে। মন্টু বোস নেই, কিন্তু বসুশ্রী আছে। মন্টু বোসের মতো কোনও সিনেমার মালিকের এমন দেখনদারি ব্যক্তিত্ব ছিল না। ছোটখাট, গোলগাল, সাদা ধুতি আর গিলে-করা পাঞ্জাবি পরা মানুষটার সিগারেটে টান যারা দেখেছে, তাদের চোখে লেগে আছে।’

রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৪

‘১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর স্ট্রিটে অবস্থিত ওয়েসলেয়ান মেথডিস্টদের এই উপাসনালয়টি আগে ওয়েসলেয়ান মেথডিস্ট চার্চ নামে পরিচিত ছিল, তবে বর্তমানে এটির নাম সি.এন.আই ওয়েসলেয়ান চার্চ। এই চার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশি  উদবাস্তুদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।’

Representative Image
উদয়ন ঘোষচৌধুরি

সাক্ষাৎকার: বিপুলজিত বসু

‘‘এই ধরনের কাজে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল ছোট-ছোট ‘মোমেন্ট ক্যাপচার করা’। কোথাও কখনও টেকনিক্যাল ভুলচুক হলে ‘রি-টেক’ করার কোনও জায়গা নেই।‘এন-জি’ বলে এখানে কিছু হয় না। সাউন্ড বা লাইটের কোনও সমস্যা হলে সেটা আবার ঠিক করতে পারবে না। কারণ, ওই মুহূর্তটা বেরিয়ে গিয়েছে।’’

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ১

‘আমার কালীঘাট শুরু হত পটুয়াপাড়া থেকে। পটুয়াপাড়া, তারপর ট্রামলাইন পেরিয়ে ডানদিকে রেডলাইট এরিয়া, বাঁয়ে ভদ্রপাড়া। তবে মাঝে দুটো জায়গার দুটো বাড়ি আবার গৃহস্থ নয়। টানা হেঁটে চললে কালীঘাট হাইস্কুল, কালীঘাট বাজার, মন্দির, উলটোদিকে গঙ্গার ঘাট, পাথরপট্টি পেরিয়ে শ্মশান। শুধু শ্মশান নয়, মহাশ্মশান। যেন পটুয়ার হাতে জন্ম হয়ে এক জীবন পেরিয়ে মহাশ্মশানে বিসর্জন!’

Representative Image
অর্পণ ঘোষ

জীবনের জলছবি

‘কেন ভারত তথা কলকাতায় কাবুলিওয়ালাদের অভিবাসন ও সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের ইতিহাস জানা জরুরি? এ-প্রসঙ্গে সৈয়দ মুজতবা আলিকে স্মরণ করেছেন লেখক। ‘আফগানিস্তানের ইতিহাস না লিখে ভারত ইতিহাস লেখার জো নেই।’ লেখক এই ‘জরুরিত্ব’কে প্রথমে ব্যাখ্যা করেছেন ভারত-আফগানিস্তানের ভৌগলিক অবস্থান দেখিয়ে।’

Representative Image
রামিজ আহমেদ

গির্জানগর: পর্ব ৩

‘বিধান সরণিতে অবস্থিত কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গির্জা বা ক্রাইস্ট চার্চ তৈরির পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ‘অ-খ্রিস্টান’ নেটিভ এলাকায় খ্রিস্টধর্ম প্রচার। সে-কারণে গির্জা নির্মাণের জন্য, প্রথমে কলেজ স্কোয়ারে হিন্দু কলেজের কাছে কেনা হয়েছিল একখণ্ড জমি।’

Representative Image
শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ৫৭

তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বালি ও তরমুজ’। ‘উত্তর কলকাতার কবিতা’ থেকে ‘গুপ্ত দাম্পত্য কথা’ হয়ে ‘টুরিস্ট কাহিনী’— প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা মুখে-মুখে ফেরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে! তাঁর কবিতা যেন ‘অতিকাল’-এর অমোঘ উচ্চারণ! যেখানে নির্দিষ্ট অঞ্চল হয়ে উঠেছে— অন্তর্লীন জগত…

রামিজ আহমেদ

গির্জানগর : পর্ব ২

“কলকাতা শহরে আগত তামিলরা শুধু ক্যাথলিক হননি, তাদের অনেকে প্রোটেস্ট্যান্ট বিশ্বাসে‌ যিশুকে হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন, যেমনটি ধারণ করে আছে তাদের গির্জা “সেন্ট স্যাভিওর’স চার্চ” (১৮৪৯)। গির্জাটি তৈরি হয়েছিল ‘ইউনাইটেড সোসাইটি ফর দ্য প্রোপাগেশন অফ দ্য গসপেল’-এর সহায়তায়। তবে ১৯৩৮ সালের আগে অবধি এই গির্জার ভেতরে তারা প্রার্থনা করত না, ততদিন অবধি এই গির্জা বাঙালি মণ্ডলীর ছিল, তামিলরা প্রার্থনা করত গির্জার বাইরে প্যারিশ হলে।”

মৃদুল দাশগুপ্ত

মাও-এর মুখ

‘একবার যখন দশম শ্রেণিতে পড়া ক্লাস ইলেভেনের মানিক এসে বলল, যাদের যাদের এক্স রে প্লেট আছে, আমাকে দিবি তোরা। তখনই জানলাম, কাঠগোলার ভজাদা বাটালি দিয়ে ওই এক্সরে প্লেট খুদে খুদে মাওয়ের মুখটি তৈরি করে দেবেন।’

অর্পণ গুপ্ত

মেসি, ময়দান, মুনাফা

‘কেবলমাত্র ফ্যান এনগেজমেন্ট ইভেন্ট হিসেবেও মেসির কলকাতা ভ্রমণকে বিতর্কের বাইরে রাখা যেত। উদ্যোক্তারা যে সর্বসাকুল্যে একঘণ্টা সময় পেয়েছিলেন দর্শকের সামনে মেসিকে নিয়ে আসার, সেই সময়ে ম্যানেজমেন্টের এই বিপুল গাফিলতি কেন?’

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

গানে-নাচে মান্না দে

বাঙালি রবীন্দ্রনাথের গানের সঙ্গে নাচের সম্মিলন দেখেছে, দেখেছে নজরুল-এর গানের সঙ্গেও। ‘মান্না দে-র গানের সঙ্গে নাচ!’— প্রাথমিকভাবে শুনে বিস্ময়কর মনে হলেও, সম্প্রতি কলকাতা শহর সাক্ষী থাকল এক বিরল শিল্পভাবনার।