
সময়ের টিপছাপ
“‘হীরের আংটি’-তে ব্যাপারটা এই প্যাটার্নের থেকে খানিক আলাদা। এখানে যে বাইরে থেকে আসছে, সে নিশ্চিতভাবেই ওই পরিবারের কেউ নয়। এমনকী, যে পরিচয় নিয়ে সে আসছে, সে প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তিও নয়, অর্থাৎ একধরনের ছলনা রয়েছে তার পরিচয়ের মধ্যেই।”

“‘হীরের আংটি’-তে ব্যাপারটা এই প্যাটার্নের থেকে খানিক আলাদা। এখানে যে বাইরে থেকে আসছে, সে নিশ্চিতভাবেই ওই পরিবারের কেউ নয়। এমনকী, যে পরিচয় নিয়ে সে আসছে, সে প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তিও নয়, অর্থাৎ একধরনের ছলনা রয়েছে তার পরিচয়ের মধ্যেই।”

‘মনে-মনে বউকে আদরসোহাগ করতে-করতে কখন যেন সরল শিশুর মতো ঘুমিয়ে পড়েছিল কাল্লা। হঠাৎ কাদের কথাবার্তার শব্দে ঘুম চটে গেল। তারই সঙ্গে কাঠকুটো পোড়ার কট্-কট্ শব্দ। ব্যাপারখানা কী?’

“সাধুবাবাদের ভণ্ডামি ও মুখোশ খোলার এই খেলাটা অবশ্য খুবই আগ্রহব্যঞ্জক এই কারণে, ফেলুদা যে-বছর আবির্ভূত হচ্ছে গল্পের পাতায়, সেই বছরই মুক্তি পাচ্ছে ‘কাপুরুষ ও মহাপুরুষ’, যার মধ্যে ‘মহাপুরুষ’ পরশুরামের ‘বিরিঞ্চি বাবা’-র আধারে নির্মিত। ভণ্ড সাধুর যে-চেহারা সেই ছবিতে দেখিয়েছেন সত্যজিৎ, তার একধরনের ‘সাবভার্সন’ আসে মছলিবাবা-তে।”

‘যে যুগে হিন্দু মহিলাদের শিক্ষা গ্রহণ ছিল এক বিরল ঘটনা, সেই সময়ে কামিনী রায় শুধু যে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে ছিলেন তাই নয়, শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সামাজিক উন্নয়নে তাঁর অবদান কিছু কম ছিল না। এরই সঙ্গে কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি হয়ে উঠেছিলেন একজন সাহসী নারীবাদী লেখিকা।’

‘ঈশ্বরের কৃপায় হোক বা জন্মগত সৌভাগ্যের বশে দিবস-রজনী চারবেলা মায়ের হাতের কোহলিসুলভ ব্যালেন্সড্ স্বাদ চেখে চেখে রসনা আমার পোক্ত হয়েছে খারাপ-ভাল যাচাই করার ক্ষেত্রে। গর্ডন র্যামসে একজায়গায় বলেছিলেন সঠিক স্বাদ আসলে নস্টালজিয়ার মতো।’

“১৯৫৭ সালের ডিসেম্বরে ‘বেতার জগৎ’-এর শারদীয় সংখ্যা হাতে পেয়ে রবীন্দ্রজীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় সম্পাদককে এক দীর্ঘ চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘শারদীয় সংখ্যা হাতে করে মনে হলো যেন সমস্ত ভারতকে বুকের মধ্যে পেলাম।”
‘বেতার জগৎ’ পত্রিকা নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

‘না-জানে তোমার মুখ, এমনই তো গান/প্রতিটি বিচ্ছেদ জেনো প্রেমের সমান/ছেড়ে যেতে ফের ঘুরে ডাকে,/আমাদের অবসাদে ফুটে থাকা ফুল/জাহাজের মৃতদেহ। জলের মাসুল।/
ছোঁব, তবু পাব না তোমাকে।’

বেঁচে থাকার গান এতবছর বাদেও সমানভাবে জনপ্রিয়! কিন্তু এই গানের গল্প অনেকেই জানেন না আজও…

“প্রীতিলতা মারা যাওয়ার পর ‘দ্য ইংলিশম্যান’ পত্রিকায় তাঁকে ‘সাহসী (courageous)’ এবং ‘নির্ভীক (bold)’ বলা হয়। অদ্ভুত বিষয় হল, বাংলা ভাষার নাম করা এক পত্রিকা, যার দ্যুতি প্রায় শতক পার করবে, সেখানে কিন্তু এই অভিযানের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ থাকলেও কোনওরকম অভিমত প্রকাশ করা হয়নি প্রীতিলতার পক্ষে।”

‘শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস অনেকটা দাঁতের লড়াইয়ের ইতিহাস। বুদ্ধের দাঁত এনেছিলেন কলিঙ্গ থেকে হেমা মালি বলে একজন রানি। সেটা প্রথমে ছিল অনুরাধাপুরমে, তারপর পোলোনারুয়ায়, তারপর এখন ক্যান্ডিতে। ক্যান্ডি লেকের ধারে রাজার প্রসাদ। তার মধ্যে বুদ্ধের দাঁতের ওপর তৈরি হয়েছে মন্দির।’

‘সমগ্র স্টেডিয়াম ছিল বিরুদ্ধে, ঐতিহাসিক সোনাজয়ের লড়াইয়ে চুনী-পিকে-জার্নেলদের হয়ে হয়ে গলা ফাটালেন পাক হকি তারকারা।’
১৯৬২-র জাকার্তা এশিয়ান গেমসের ফুটবল ফাইনাল নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

“শ্রোতা থেকে শ্রোতৃমণ্ডলীর মধ্যে প্রবল সাড়া জাগিয়ে, ‘দেবীং দুর্গতিহারিণীম’ বিশেষ অনুষ্ঠানটি ২৩ সেপ্টেম্বর, মহালয়ার ভোরে, চারটে থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত প্রচারিত হল। প্রথমে গুঞ্জন, তারপর বেলা বাড়তেই তা বিক্ষোভের আকার নিল। গঙ্গার ঘাটে তর্পণে আসা লোকজনরা অসন্তুষ্ট।”
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.