
দূরপাল্লা : পর্ব ৯
কোনও কোনও গন্তব্যে পৌঁছনো একই সঙ্গে আনন্দ-বিষাদ-একাকীত্ব-গুমড়ে কান্না, সবই হাজির করে। সিলভিয়া প্লাথ-এর প্রিমরোজ হিল-এর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আমার তাই মনে হয়েছিল। আর বুঝেছিলাম, আমি আর সিলভিয়া সময়ের কোনও একটা ফাঁদে একসঙ্গে রয়েছি।

কোনও কোনও গন্তব্যে পৌঁছনো একই সঙ্গে আনন্দ-বিষাদ-একাকীত্ব-গুমড়ে কান্না, সবই হাজির করে। সিলভিয়া প্লাথ-এর প্রিমরোজ হিল-এর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আমার তাই মনে হয়েছিল। আর বুঝেছিলাম, আমি আর সিলভিয়া সময়ের কোনও একটা ফাঁদে একসঙ্গে রয়েছি।

‘এই ছবিতে মূলত আছে প্রেমের ও যৌনতার সন্ধানে দুটি চরিত্র, যারা একই মেয়ের কাছে কিছুদিন সেগুলি যাচ্ঞা করে। মেয়েটিকে তারা দু’বার কামনা করে, পায় ও ত্যাগ করে। মেয়েটির কেমন লাগছে বা লাগতে পারে, তা নিয়ে তারা খুব ভাবিত নয়।’ যৌন মনস্তত্ত্বের জটিলতা।

বসাই টুডু আর দ্রৌপদী, মহাশ্বেতা দেবীর এই গল্পদুটো আমার মধ্যে একটা উথালপাতাল তৈরি করে এবং তার থেকেই এই গানটা তৈরি। আমারও মনে হয় শেষে গিয়ে জাস্টিস কখনই হয় না, বিশেষত, নীচের তলার মানুষদের সঙ্গে। তারা বিচারের আশায় কেবল দিন গোনে।

এখন বিখ্যাত হওয়ার জন্য বহু মানুষ যে কোনও উপায় গ্রহণ করতে প্রস্তুত। ক্ষণিক বিখ্যাত হওয়ার উপকরণও হাতের কাছেই মজুত। নীতি-আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে বিখ্যাত হওয়া এখন প্রায় ফ্যাশন। যার বিনিময়ে বিখ্যাত হওয়া, তারও অনুমতির তোয়াক্কা করে না কেউ!

আর্দ্রতা এবং দার্ঢ্য যিনি একইসঙ্গে মিলিয়ে দিতে পেরেছিলেন তাঁর কবিতার মধ্যে, তিনি গীতা চট্টোপাধ্যায়। একদিকে চিরন্তন বাংলার নানা অনুষঙ্গ, অন্যদিকে সংলাপধর্মী স্বতন্ত্র বাচনভঙ্গি তাঁর কবিতাকে অনন্য করে তুলেছে।

‘সোজা কথায় প্রতিভাকেও এখন নির্মাণ করা যাচ্ছে, এতে কিছু মানুষের আঁতে লেগেছে ঠিকই। দুশ্চিন্তাও জেগেছে: যদি অ্যাপ এসে ভাল কবিতা লিখতে শুরু করে, তাহলে কবিদের কী হবে?’ এআই-ভীতি।

‘কোনও বিশাল কিছু আমাদের করার নেই। আমাদের ইলেকট্রিসিটিতে ভক্তি নেই, ব্যাটারিতে ভক্তি নেই, ফোটনে ভক্তি নেই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এ ভক্তি নেই, আমরা মেশিনের জাত। চুপচাপ নিজের কাজ নিজে করি।’ ম্যাকির ভক্তির ধারণা।

‘আমি তাকিয়ে থাকলাম কিছুক্ষণ, তারপর হাত রাখলাম অসংখ্য ছিদ্রে ভরা সেই সাদা পাতার উপর। এই তাহলে আমার কবিতা? কত-কত মানুষের কাছে আমার লেখার চেহারা তাহলে এই? অথচ তার শরীর স্পর্শ করেও তাকে আমি চিনতে পারছি না, বুঝতে পারছি না।’ কবিতার রহস্য।

কেরালায় এক যুবকের সমাধিফলকে একটি কিউআর কোড দেওয়া রয়েছে। সেটিকে স্ক্যান করলে একটি ওয়েবসাইটে যুবকের জীবন্ত মুহূর্তের অনেক কিছু রয়েছে। বিদেশে এখন সমাধিতে কিউআর কোডের চল শুরু হয়েছে। সময়ের সঙ্গে নতুন এবং পুরনোকে সংরক্ষণের প্রচেষ্টা।

‘এই প্রথম ওর গলায় একটু ক্লান্তি টের পেলাম। সেই খেলা, একবারই দেখেছিলাম। আর দেখিনি। লোকটা কী করে, কোথায় থাকে, আমার সঙ্গেই বা কেন কথা বলে, এর একটারও উত্তর আমার কাছে নেই।’ অপরিচিতের সঙ্গ।

ভিনসেন্ট ভ্যানগখ এক মধুর বিষাদ। তাঁর জীবন যেমন বেদনা জাগায়, তেমনি কাজ পূর্ণ করে জীবনপাত্র। ভিনসেন্ট জীবনের শেষ দেড় মাস যে গ্রামে কাটিয়েছিলেন, অভে-সু-ওয়াজ, যা একশো বছর পরেও নিটোল, সেই পীঠস্থানে পুণ্য অর্জনের আখ্যান।

‘কোনও বাষ্পাকুল রূপকথা না শুনিয়ে, ছবিটা বলে, লিখনপ্রয়াস আর ফোটোগ্রাফ দিয়ে মানুষের এই সমুদ্রের ধারে বালির বাঁধ তৈরির প্রক্রিয়ার কিছু তিক্ত হাসি ও কিছু অশ্রুফোঁটা প্রাপ্য।’ সমালোচনা।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.