কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক। লিখিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'অবাঙমানসগোচর', 'আত্মানাং বিদ্ধি', 'পাঁচ দুপুরের নির্জনতা', 'বেলঘরিয়ার ইতিহাস সন্ধানে' প্রভৃতি। সম্পাদিত ও সংকলিত গ্রন্থের মধ্যে 'দেশভাগ এবং', 'না যাইয়ো যমের দুয়ার' প্রশংসা পেয়েছে পাঠকমহলে।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক। দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন আকাশবাণী-র সঙ্গে। তাঁর চতুষ্পাঠী, জলের উপর পানি, হলদে গোলাপ-এর মতো উপন্যাস সাড়া ফেলেছে। ছোটগল্প থেকে অণুগল্প, গদ্যের নানা মার্গে তাঁর যাতায়াত। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লেখক উত্তর কলকাতাকে এখনও লালন করেন মনেপ্রাণে।
পেশা সংবাদপত্র ও ডিজিটাল মাধ্যমের সম্পাদকীয় বিভাগের কাজে হাত পাকানো। অকৃত্রিম নেশা: বেড়াতে যাওয়া ও অন্যান্য। প্রবন্ধ, ফিচার, গল্পগাছার পাশাপাশি চিত্রনাট্য লেখার কাজকর্মও করে থাকেন।
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীশ্রম, কর্মক্ষেত্রে যোগদান এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণারত। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমে মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে ও.এস.ডি. পদে নিযুক্ত। দেশি ও বিদেশি জার্নালে গবেষণাপত্র এবং নানা পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেছেন ও লেখেন।
শিলাদিত্য সিংহ রায়, প্রাক্তন প্রকাশনকর্মী। দীর্ঘ দিল্লি প্রবাসের পর অবসর নিয়ে বর্তমানে কলকাতায়। ভারতীয় বই এবং প্রকাশনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে উৎসাহী।
প্রাবন্ধিক। বিজ্ঞাপন জগতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। 'কিছু বিজ্ঞাপন কিছু আপন', 'যাহা বলিব সত্য বলিব: বিজ্ঞাপনের সত্যি কথা' প্রভৃতি বইয়ের লেখক। 'ভায়া দার্জিলিং' ছবির পরিচালক।
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।
সুমন মুখোপাধ্যায় চিত্র পরিচালক, নাট্য পরিচালক, লেখক। প্রথম ছবি ‘হার্বার্ট’ পায় ‘শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র’ হিসাবে জাতীয় পুরস্কার। পরিচালনা করেছেন ‘দ্য ম্যান অফ দ্য হার্ট’, ‘বিসর্জন’ এবং ‘তিস্তাপারের বৃত্তান্ত’-এর মতো অসাধারণ নাটক। সাম্প্রতিককালে
সময়ের তাগিদে আবারও মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছেন তাঁর পরিচালিত ‘মেফিস্টো’।
অভীক মজুমদার কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : ‘সিন্ধুলিপি’ (২০১৫), ‘ভিক্ষাপাত্র’ (২০১৫), ‘পাগলের সঙ্গ করো’ (২০১৮)। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক। শখ : গান শোনা, সিনেমা দেখা, শিল্পকলা আস্বাদন। লেপচা লোকসাহিত্য এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষার কবিতা বাংলায় তরজমার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন মারাঠি দলিত কবি ‘নামধেও ধসালের কবিতা’ (২০১৪)।