মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
তথাগত-র জন্ম ১৯৯২ সালে। এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত কবিতার বই: ‘বাজিল রাক্ষসবাদ্য’, ‘চৈত্রে, গৌরীপুর’ ও ‘সুরুল কুঠির গান’। শখ: বইপড়া, পথে পথে উদ্দেশ্যহীন ঘোরা আর বন্ধুদের মেসে-হোস্টেলে রাত কাটানো।
আব্দুল কাফি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। এছাড়া তিনি সু-বক্তা, প্রাবন্ধিক এবং অনুবাদকও বটে। তাঁর কয়েকটি অনূদিত: গ্রন্থ ‘কথাচিত্রকণা’, ‘দূরের মাদল’, ‘আমি তুমির লীলা’, ‘অমলিন শোলোক’ প্রভৃতি।
ডাকবাংলা.কম এক বিশ্বমানের সাংস্কৃতিক পোর্টাল। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ তার আত্মপ্রকাশ। আপাতত দায়িত্ব একটাই, প্রতি সপ্তাহে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা সদস্যদের জন্য চমৎকার সব লেখা, vlog, সাক্ষাৎকার, কার্টুন ইত্যাদি নিয়ে এসে হাজির করা।
স্নাতক স্তর থেকে পি এইচ ডি পর্যন্ত পড়াশোনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
পি এইচ ডি স্তরের গবেষণার বিষয় ছিল, ‘বাংলা বিজ্ঞাপনের ভাষা ও সমাজতত্ত্ব’।
বর্তমানে গুরুদাস কলেজের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন।
আগ্রহ এবং ভালবাসার বিষয় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন ও সাহিত্য।
ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী চিত্রপরিচালক, লেখক; যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং পুনে'র ফিল্ম ইন্সটিটিউটের ছাত্র। ছবি তৈরির সূত্রে বিজ্ঞাপনী জগতের সঙ্গে বহুদিনের সংযোগ। নিজস্ব সংস্থা ফ্লিপবুক, যা লাইন প্রোডিউস করে তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র 'ফড়িং'।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
মন্দার মুখোপাধ্যায় কবি, গদ্যকার। লিখেছেন গল্প, উপন্যাস; অনুবাদও করেছেন অনেক বই। বহু বছর অধ্যাপনা করেছেন। আড্ডাপ্রিয় মানুষটি ভালবাসেন পদ্য, গান আর পিছুটান। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই— ‘নরুণের বদলে বৌ’, ‘আয়া সেন্টার’, ‘ডাস্টার’, ‘দিদিমণির ডেস্ক: বিষয় রবীন্দ্রনাথ’, ‘সময়কে ঘুমোতে দেব না আমি’, ‘শতাব্দীর মূল্যবোধে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’।
সুকান্ত চৌধুরী অধ্যাপক, ভাষাবিদ, নাট্যকার, অনুবাদক; বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রোফেসর ইমেরিটাস এবং এই প্রতিষ্ঠানে স্কুল অফ কালচারাল টেক্সট্স অ্যান্ড রেকর্ডস-এর প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সুকুমার রায় এবং রাজশেখর বসু সহ বহু বাঙালি লেখকের সাহিত্যকীর্তি ইংরেজি অনুবাদ করেছেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।