অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, নাট্যকর্মী ও সংগীতকার। তরুণ প্রজন্মের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ। বেশ কিছু সিরিজ ও চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে। প্রবন্ধ ও ফিচারও লেখেন পত্রপত্রিকায়। যুক্ত শান্তিপুর সাংস্কৃতিক নাট্যদলের সঙ্গে। কাজ করেছেন বাংলা ছবির সহ-পরিচালক হিসেবেও।
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীশ্রম, কর্মক্ষেত্রে যোগদান এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণারত। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমে মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে ও.এস.ডি. পদে নিযুক্ত। দেশি ও বিদেশি জার্নালে গবেষণাপত্র এবং নানা পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেছেন ও লেখেন।
বিখ্যাত অভিনেতা। চাকরিজীবনে ছিলেন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়-জীবন শুরু। তারপর ছোটপর্দা ও বড়পর্দায় প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করে চলেছেন। অনুরাগীদের মতে, জাতীয় স্তরের যে-কোনও অভিনেতার সঙ্গে তাঁর তুলনা চলে। ট্রোলারদের অবশ্য সবেতেই অসুবিধে।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
বিশিষ্ট শিল্পী ও প্রাবন্ধিক। শান্তিনিকেতনের কলাভবন মিউজিয়ামের কিউরেটর। কেতকী কুশারী ডাইসনের সঙ্গে 'রঙের রবীন্দ্রনাথ'-এর মতো গ্রন্থ লিখেছেন, এছাড়াও সম্পাদনা করেছেন 'মাস্টারমশাই', 'নন্দলালের বাপুজি'-র মতো গ্রন্থ।
থিয়েটার কর্মী, দীর্ঘদিন 'বহুরূপী'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কাজ করেছেন, বহু চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং ওয়েব সিরিজে। বর্তমানে চৈতি ঘোষালের নির্দেশনায় 'রক্তকরবী'তে রাজার ভূমিকায় অভিনয় করছেন।
জগন্নাথদেব মণ্ডল কবি, গদ্যকার। প্রকাশিত বই: ‘মাটির সেতার’ ও ’সীতাগাছের কোলে’। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার ও আদম সম্মাননা। ভালবাসেন গান শুনতে
আর মাটির ছোট-ছোট পুতুল গড়তে।